ইন্দ্রজিৎ কর্মকার, কান্দি: পুজোর বয়স আট বছর। কিন্তু, এই ক’বছরেই এলাকার মানুষের মন জয় করেছে সালারের কাগ্রামের মধ্য পশ্চিমপাড়া বারোয়ারি জগদ্ধাত্রী পুজো কমিটি। সাংস্কৃতিক ও গ্রামীণ অনুষ্ঠান থেকে আলোকসজ্জা সব কিছুতেই তারা নজর কাড়ে। পাশাপাশি দর্শনার্থীদের জন্য থাকে অন্নভোগের ব্যবস্থা। এবারও তার ব্যতিক্রম হচ্ছে না। রবিবার সকাল থেকেই শুরু হবে পুজো। এখন তারই প্রস্তুতি চূড়ান্ত পর্যায়ে।
Advertisement
প্রায় ৪৩ বছরের পুরনো কাঠামোয় এখানকার দেবীর প্রতিমা তৈরি হয়। তবে বারোয়ারির বিন্যাসের কারণে ২০১৭ সাল থেকে মধ্য পশ্চিমপাড়ায় আলাদা পুজো করা হচ্ছে। এলাকার শতাধিক পরিবারের অংশগ্রহণে পুজো ঘিরে আলাদা উন্মাদনা তৈরি হয়। উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, দু’দিনের জগদ্ধাত্রী পুজোয় আয়োজনে কোনও ত্রুটি রাখা হয় না। বাউল, কবিগানের মতো অনুষ্ঠান হয়। পাশাপাশি মোমবাতি জ্বালানো, হাঁড়ি ভাঙা প্রতিযোগিতা ঘিরে থাকে ব্যাপক উন্মাদনা।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বাইরের শিল্পীদের নিয়ে আসা হয়। তবে সব কিছুই হয় সুষ্ঠু পরিবেশের মধ্যে। এবার পুজোর আগের রাতে অর্থাৎ শনিবার সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন উদ্যোক্তারা। রবিবার রাতে বর্ধমানের একটি নামী দলের বিচিত্রানুষ্ঠান হবে। মঙ্গলবার বিসর্জনে থাকছে অন্তত সাত ধরনের বাজনার দল। রবিবার রাতেই কয়েক হাজার দর্শনার্থীর জন্য অন্নভোগের ব্যবস্থা থাকছে। সাদা ভাতের সঙ্গে ডাল, পাঁচ রকম তরকারি, পায়েস, সন্দেশ, মিষ্টি সহ সম্পূর্ণ নিরামিষ খাবারের ব্যবস্থা থাকছে।
পুজো উপলক্ষ্যে প্রায় ৫০জনের স্বেচ্ছাসেবী দল গড়া হয়েছে। মহিলারাও স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করবেন। পুজো মণ্ডপে মেডিক্যাল টিম ছাড়াও পুলিস পিকেট থাকবে বলে উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন। পুজো কমিটির সভাপতি গোলকবিহারী ঘোষ বলেন, পুজোর পরিবেশ ও মহিলাদের নিরাপত্তার বিষয়ে আমরা কোনও খামতি রাখতে চাইছি না। গোটা এলাকা সিসি ক্যামেরায় মুড়ে ফেলা হচ্ছে। অন্যান্য বছরের মতো এবছরও আমাদের পুজো এলাকায় সাড়া ফেলবে বলেই আমাদের আশা।
মন্দিরেই পূজিত হয় সাবেকি প্রতিমা। তবে মন্দিরের সামনে কাপড়ের প্যান্ডেল করা হয়েছে। সেখান থেকেই প্রতিমা দেখার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও উপভোগ করতে পারবেন দর্শনার্থীরা। মন্দিরে ঢোকার রাস্তায় দু’টি আলোর বড় গেট ছাড়াও কয়েকটি ছোট আকারের তোরণও থাকছে। এলাকার প্রায় ৪০০ মিটার রাস্তাজুড়ে থাকছে এলইডি বোর্ড সহ আধুনিক আলোকসজ্জা। পুজো কমিটির সম্পাদক বিশ্বজিৎ ঘোষ বলেন, আমি পদে থাকলেও এখানকার প্রত্যেক পুজো কমিটির সদস্যই সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। প্রত্যেকেই আমাদের পুজোর ভালো বার্তা পৌঁছে দিতে কঠোর পরিশ্রম করেন। সকলের পরিশ্রমেই এই পুজো আট বছরেই এলাকায় সাড়া ফেলেছে।
সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বাইরের শিল্পীদের নিয়ে আসা হয়। তবে সব কিছুই হয় সুষ্ঠু পরিবেশের মধ্যে। এবার পুজোর আগের রাতে অর্থাৎ শনিবার সন্ধ্যায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছেন উদ্যোক্তারা। রবিবার রাতে বর্ধমানের একটি নামী দলের বিচিত্রানুষ্ঠান হবে। মঙ্গলবার বিসর্জনে থাকছে অন্তত সাত ধরনের বাজনার দল। রবিবার রাতেই কয়েক হাজার দর্শনার্থীর জন্য অন্নভোগের ব্যবস্থা থাকছে। সাদা ভাতের সঙ্গে ডাল, পাঁচ রকম তরকারি, পায়েস, সন্দেশ, মিষ্টি সহ সম্পূর্ণ নিরামিষ খাবারের ব্যবস্থা থাকছে।
পুজো উপলক্ষ্যে প্রায় ৫০জনের স্বেচ্ছাসেবী দল গড়া হয়েছে। মহিলারাও স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করবেন। পুজো মণ্ডপে মেডিক্যাল টিম ছাড়াও পুলিস পিকেট থাকবে বলে উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন। পুজো কমিটির সভাপতি গোলকবিহারী ঘোষ বলেন, পুজোর পরিবেশ ও মহিলাদের নিরাপত্তার বিষয়ে আমরা কোনও খামতি রাখতে চাইছি না। গোটা এলাকা সিসি ক্যামেরায় মুড়ে ফেলা হচ্ছে। অন্যান্য বছরের মতো এবছরও আমাদের পুজো এলাকায় সাড়া ফেলবে বলেই আমাদের আশা।
মন্দিরেই পূজিত হয় সাবেকি প্রতিমা। তবে মন্দিরের সামনে কাপড়ের প্যান্ডেল করা হয়েছে। সেখান থেকেই প্রতিমা দেখার পাশাপাশি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানও উপভোগ করতে পারবেন দর্শনার্থীরা। মন্দিরে ঢোকার রাস্তায় দু’টি আলোর বড় গেট ছাড়াও কয়েকটি ছোট আকারের তোরণও থাকছে। এলাকার প্রায় ৪০০ মিটার রাস্তাজুড়ে থাকছে এলইডি বোর্ড সহ আধুনিক আলোকসজ্জা। পুজো কমিটির সম্পাদক বিশ্বজিৎ ঘোষ বলেন, আমি পদে থাকলেও এখানকার প্রত্যেক পুজো কমিটির সদস্যই সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। প্রত্যেকেই আমাদের পুজোর ভালো বার্তা পৌঁছে দিতে কঠোর পরিশ্রম করেন। সকলের পরিশ্রমেই এই পুজো আট বছরেই এলাকায় সাড়া ফেলেছে।



