সংবাদদাতা, কান্দি: কোথাও অর্কেস্ট্রা, কোথাও বাউল। কোথাও নৃত্য অনুষ্ঠান, কোথাও আবার কবিগানের আসর। সালার থানার কাগ্রামের জগদ্বাত্রী পুজোয় রবিবার রাতে উন্মাদনা চরমে ওঠে। যদিও প্রায় সমস্ত মণ্ডপেই গভীর রাতে অনুষ্ঠান শুরু হয়, চলে ভোর পর্যন্ত। দর্শনার্থীদেরও রাতভর অনুষ্ঠানে মগ্ন থাকতে দেখা গিয়েছে। অনেককে মণ্ডপে ঢুলতেও দেখা গিয়েছে।
Advertisement
প্রসঙ্গত, ২২ পাড়ার ওই গ্রামে এবছর মোট ২৮টি প্রতিমা পুজো হচ্ছে। একটি বাদে সবগুলিই সাবেকি প্রতিমা করেছে। এর মধ্যে ১৩টি পুজো পারিবারিক। বাকিগুলি সর্বজনীন। অধিকাংশ সর্বজনীন পুজো কমিটি রবিবার রাতে বিভিন্ন ধরনের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছিল। অধিকাংশ অনুষ্ঠান শুরু হয় রাত ১২টার পর। বাসিন্দারা জানিয়েছেন, বহুবছর ধরেই গ্রামের অনুষ্ঠানগুলি মধ্যরাতে শুরু হয়। চলে ভোর পর্যন্ত। দর্শনার্থীরাও যে কোনও অনুষ্ঠানস্থলে রাত জেগে সেসব উপভোগ করেন।
যদিও উপভোগ কথাটি এদিন রাতে সবার ক্ষেত্রে খাটেনি। গ্রামের বাগদিপাড়ার অনুষ্ঠানে রাত দুটো নাগাদ ছাউনি দেওয়া ত্রিপলের নীচে অনেককে ঢুলতে দেখা গিয়েছিল। তাঁদের বাড়ি ভরতপুর থানার মুনসুরপুর গ্রামে। তাঁদের মধ্যে শোভন দাস বললেন, সেই সন্ধ্যায় পুজো দেখতে এসেছি। এত রাতে বাড়িও যেতে পারব না। এখানে আত্মীয় থাকলেও ওঁদের বাড়িতে সবার জায়গা হবে না। তাই এখানেই এক ঘুম দিলে সকাল হয়ে যাবে।
মধ্য পশ্চিম পাড়াতেও বর্ধমানের একটি অর্কেস্ট্রা দল অনুষ্ঠান করছিল। সেখানে গভীর রাতে কয়েকজনকে চাদর মুড়ি দিয়ে নাক ডাকতেও শোনা গেল। কান্দির রষোড়া গ্রামের যুবক চন্দন মাঝিকে ঘুম থেকে উঠিয়ে উদ্যোক্তারা ছাউনির এক পাশে যাওয়ার অনুরোধ করলেন। তিনি চলেও গেলেন। যাওয়ার আগে বললেন, এখানেই কমিটির সাদা ভাত আর তরকারি দিয়ে পেট ভরে গিয়েছে। তাই একটু চোখ লেগে এসেছিল।
মধ্য পশ্চিমপাড়া পুজো কমিটির সম্পাদক বিশ্বজিৎ ঘোষ বলেন, আসল ব্যাপার হল পুজোর রাতে হাজার হাজার দর্শনার্থী গ্রামে আসেন। তাঁদের অনেকেই চেনাজানা বা আত্মীয় থাকেন। কিন্তু সকলকে বাড়িতে আশ্রয় দেওয়ার মতো জায়গা নেই। বলা ভালো গ্রামের লোক খাবার দিতে পারলেও আশ্রয় দিতে পারেন না। তাই অনুষ্ঠানস্থলেই বেশিরভাগ দর্শনার্থী রাত কাটিয়ে বাড়ি ফেরেন। আর এই কারণেই গভীর রাতে অনুষ্ঠান গুলি শুরু হয়। চলে ভোর পর্যন্ত।
যদিও উপভোগ কথাটি এদিন রাতে সবার ক্ষেত্রে খাটেনি। গ্রামের বাগদিপাড়ার অনুষ্ঠানে রাত দুটো নাগাদ ছাউনি দেওয়া ত্রিপলের নীচে অনেককে ঢুলতে দেখা গিয়েছিল। তাঁদের বাড়ি ভরতপুর থানার মুনসুরপুর গ্রামে। তাঁদের মধ্যে শোভন দাস বললেন, সেই সন্ধ্যায় পুজো দেখতে এসেছি। এত রাতে বাড়িও যেতে পারব না। এখানে আত্মীয় থাকলেও ওঁদের বাড়িতে সবার জায়গা হবে না। তাই এখানেই এক ঘুম দিলে সকাল হয়ে যাবে।
মধ্য পশ্চিম পাড়াতেও বর্ধমানের একটি অর্কেস্ট্রা দল অনুষ্ঠান করছিল। সেখানে গভীর রাতে কয়েকজনকে চাদর মুড়ি দিয়ে নাক ডাকতেও শোনা গেল। কান্দির রষোড়া গ্রামের যুবক চন্দন মাঝিকে ঘুম থেকে উঠিয়ে উদ্যোক্তারা ছাউনির এক পাশে যাওয়ার অনুরোধ করলেন। তিনি চলেও গেলেন। যাওয়ার আগে বললেন, এখানেই কমিটির সাদা ভাত আর তরকারি দিয়ে পেট ভরে গিয়েছে। তাই একটু চোখ লেগে এসেছিল।
মধ্য পশ্চিমপাড়া পুজো কমিটির সম্পাদক বিশ্বজিৎ ঘোষ বলেন, আসল ব্যাপার হল পুজোর রাতে হাজার হাজার দর্শনার্থী গ্রামে আসেন। তাঁদের অনেকেই চেনাজানা বা আত্মীয় থাকেন। কিন্তু সকলকে বাড়িতে আশ্রয় দেওয়ার মতো জায়গা নেই। বলা ভালো গ্রামের লোক খাবার দিতে পারলেও আশ্রয় দিতে পারেন না। তাই অনুষ্ঠানস্থলেই বেশিরভাগ দর্শনার্থী রাত কাটিয়ে বাড়ি ফেরেন। আর এই কারণেই গভীর রাতে অনুষ্ঠান গুলি শুরু হয়। চলে ভোর পর্যন্ত।



