তিরুবনন্তপুরম: মহিলাদের ঘরবন্দি থাকার নিদান দিয়ে বিতর্কে কেরলের মুসলিম ধর্মগুরু। ‘গ্র্যান্ড মুফতি’ নামে পরিচিত ৯৫ বছরের কান্তাপুরম এপি আবুবকর মুসলিয়ার নিদান , ‘মহিলারা জনসমক্ষে এলে সমাজকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাবে। তাঁদের ঘরে থাকাই উচিত। মহিলাদের সম্ভ্রমরক্ষার জন্যই ইসলামে পর্দা প্রথার প্রচলন রয়েছে।’ নিজের বক্তব্যের পক্ষে সওয়াল করে তাঁর সাফাই, মহিলাদের পিছিয়ে রাখা নয়, তাঁদের রক্ষা করতেই ওই সব প্রথা চালু থাকা উচিত। যদি সোনার গয়নার সৌন্দর্য ধরে রাখতে হয়, তাহলে বাক্সের ভিতরেই রাখতে হয়। একযোগে এধরনের ‘মধ্যযুগীয়’ বক্তব্যের নিন্দায় সরব হয়েছে বাম, কংগ্রেস ও বিজেপি । কেরলের নারী ও শিশু কল্যাণমন্ত্রী বিন্দু কৃষ্ণা বলেন, ভারতের সংবিধান সবাইকে মত প্রকাশের অধিকার দিয়েছে ঠিকই, কিন্তু আধুনিক ভারত তথা কেরল এবং বিশ্বে এধরনের মধ্যযুগীয় মনোভাবের কোনো স্থান নেই। কংগ্রেস নেতা তথা মন্ত্রী রমেশ চেন্নিথালা বলেন, কান্তাপুরমের এই মন্তব্য কোনোভাবেই সমর্থনযোগ্য নয়। কড়া প্রতিক্রিয়ায় সিপিএমের পি কে শ্রীমতির প্রশ্ন, মহিলারা কি ভারতীয় নাগরিক নন? আমাদের সংবিধান সবাইকে সমান অধিকারের স্বীকৃতি দিয়েছে। প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা রাজীব চন্দ্রশেখর বলেন, মহিলাদের মধ্যযুগীয় ব্যবস্থার দিকে ঠেলে দেওয়ার এই মানসিকতা অত্যন্ত নিন্দনীয়।



