নিজস্ব প্রতিনিধি, সিউড়ি: সিউড়ি-১ ব্লকের করিধ্যা প্রাথমিক বালিকা বিদ্যালয়ের পরিকাঠামো বেহাল। শ্রেণিকক্ষের অভাবে একই ঘরে চলছে তিনটি ক্লাস। মিড ডে মিলের জন্য নেই কোনও নির্দিষ্ট শেড। ফলে শৌচালয়ের সামনে খোলা আকাশের নীচেই বাচ্চাদের খাওয়ানো হচ্ছে। প্রধান শিক্ষক মলয়কুমার মালি যথেষ্ট চিন্তিত। তিনি মৌখিকভাবে ব্লক প্রশাসনকে সমস্যাগুলি জানিয়েওছেন। তবে, আজও সমাধান হয়নি।
Advertisement
শহর লাগোয়া সিউড়ি-১ ব্লকের করিধ্যা গ্রামের ওই স্কুলে পাঁচটি শ্রেণি মিলিয়ে মিলিয়ে ছাত্রছাত্রীর সংখ্যা ৭৮। শিক্ষক ৪ জন। স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, প্রি-প্রাইমারি সহ প্রথম ও তৃতীয় শ্রেণির পড়াশোনা একই শ্রেণিকক্ষে চলে। যদিও প্রতিটি ক্লাসের জন্য আলাদা আলাদা শিক্ষক রয়েছেন। ফলে বাচ্চাদের পড়াশোনায় যথেষ্ট সমস্যা হচ্ছে। উপায় না থাকায় বহু বছর ধরেই এভাবেই স্কুল চলছে। শিক্ষকরা জানাচ্ছেন, ২০১১ সালের আগে দ্বিতীয় ও চতুর্থ শ্রেণির ক্লাসও একই শ্রেণিকক্ষে হতো। তখনও সমস্যা হতো। তবে, একতলায় নতুন করে একটি ঘর তৈরি হওয়ায় সেখানেই চতুর্থ শ্রেণির পড়াশোনা চলছে। এতে খানিকটা সমস্যা মিটেছে। যদিও আরও দু’টি নুতন শ্রেণিকক্ষের প্রয়োজন রয়েছে। সেইসঙ্গে পড়ুয়াদের মিড ডে মিল খাওয়ানোর জন্যও একটি শেডের প্রয়োজন রয়েছে। আপাতত বাথরুমের সামনেই পড়ুয়াদের খাওয়ানো হচ্ছে। বছরের অন্যান্য সময় কোনওভাবে কাটলেও বর্ষায় খোলা আকাশের নীচে খাওয়ানো সম্ভব হয় না। তখন শ্রেণিকক্ষে বাচ্চাদের খাওয়ানো হয়। ফলে শ্রেণিকক্ষ পরিষ্কার করে টিফিনের পর পড়াশোনা মাঝেমধ্যেই অনিশ্চিত হয়ে ওঠে। শিক্ষকদের দাবি, স্কুলের ছাদে শেডের বন্দোবস্ত করা হলে সমস্যা মিটে যাবে।
স্কুলের প্রধান শিক্ষক বলেন, পরিকাঠামোগত সমস্যা যথেষ্ট রয়েছে। তারমধ্যেই পড়াশোনা চলছে। স্কুলে পড়ুয়া সংখ্যা বাড়ানোর দিকেও নজর দেওয়া হচ্ছে। তবে শ্রেণিকক্ষ কম থাকায় খুব সমস্যা হয়। মিড ডে মিল খাওয়ানোর জন্যও শেডের প্রয়োজন। দ্রুত কোনও ব্যবস্থা হলে খুব ভালো হয়। বিষয়টি নিয়ে জানতে বিডিওকে ফোন করলেও তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে, জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চেয়ারম্যান প্রলয় নায়ক বলেন, বিষয়টি জানা নেই।
স্কুলের প্রধান শিক্ষক বলেন, পরিকাঠামোগত সমস্যা যথেষ্ট রয়েছে। তারমধ্যেই পড়াশোনা চলছে। স্কুলে পড়ুয়া সংখ্যা বাড়ানোর দিকেও নজর দেওয়া হচ্ছে। তবে শ্রেণিকক্ষ কম থাকায় খুব সমস্যা হয়। মিড ডে মিল খাওয়ানোর জন্যও শেডের প্রয়োজন। দ্রুত কোনও ব্যবস্থা হলে খুব ভালো হয়। বিষয়টি নিয়ে জানতে বিডিওকে ফোন করলেও তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। তবে, জেলা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চেয়ারম্যান প্রলয় নায়ক বলেন, বিষয়টি জানা নেই।



