নিজস্ব প্রতিনিধি, মেদিনীপুর: চপ-মুড়ি খাওয়ানোর নাম করে বারো বছরের নাবালিকাকে ডেকে নিয়ে গিয়েছিল বৃদ্ধ। এরপর কচুবনে ঢুকিয়ে তাকে ধর্ষণ করে। সেই অভিযোগে বৃদ্ধকে দোষী সাব্যস্ত করে সাজা দিল মেদিনীপুর পকসো আদালত। মঙ্গলবার তার ২০ বছর সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দেন পকসো আদালতের বিচারক আশুতোষ সরকার। জানা গিয়েছে, প্রায় দেড় বছর আগে ঘটনাটি ঘটে পিংলা থানা এলাকায়। দোষী দ্ধের নাম শেখ মাজু। বাড়ি পিংলা থানা এলাকাতেই। দোষী বৃদ্ধ সাজা পাওয়ায় খুশি স্থানীয় বাসিন্দারা। জানা গিয়েছে, ২০২৩ সালের ৩১ মে ঘটনাটি ঘটে। ওই দিন সকালে স্থানীয় স্কুলের ছাত্রী মেয়েটি বাজারে গিয়েছিল পেন কিনতে। পেন কেনার পর সে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। সেই সময় রাস্তায় পাড়াতুতো দাদুর সঙ্গে দেখা হয়। জানা যায়, ওই দাদু চপ-মুড়ি খাওয়াবে বলে ডাকে। রাজি হয়ে যায় নাবালিকা। এরপর তাকে কিছুটা দূরে কচুবনে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে বৃদ্ধ। বাড়ি ফিরে এসে ঘটনার কথা কাউকে জানায়নি সে। পরে সে বাড়ির সদস্যদের ঘটনার কথা জানায়। ঘটনার প্রায় আট দিন বাদে পিংলা থানায় অভিযোগ দায়ের করে পরিবারের সদস্যরা। ঘটনার তদন্তে নেমে দ্রুত বৃদ্ধকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। পকসো ধায়ায় মামলা শুরু হয়। এরপর দ্রুত তদন্ত প্রক্রিয়া শেষ করে দু’ মাসের মধ্যে পুলিস চার্জশিট দেয়। তার কয়েকমাস বাদে চার্জ গঠিত হয়। ১২ জন সাক্ষীর সাক্ষ্য গ্রহণ করে আদালত। সোমবার বৃদ্ধকে দোষী সাব্যস্ত করা হল। দেড় বছরের মাথায় সাজা পেল দোষী। পকসো আদালতের সরকারি আইনজীবী সর্ণেন্দু পরিয়াল বলেন, ২০ বছর সশ্রম কারাদণ্ড ছাড়াও ৩০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে। অনাদায়ে আরও ১ মাস সশ্রম কারাদণ্ডের নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক।



