নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার: কোচবিহার পুর এলাকার বিভিন্ন বাজার, রাস্তার পাশ সহ ২০টি ওয়ার্ডে কয়েক হাজার ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান রয়েছে। কিন্তু এর মধ্যে প্রায় ৭০ শতাংশের ট্রেড লাইসেন্স নেই বলে পুরসভার দাবি। বাকি ৩০ শতাংশ ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানের মধ্যে অনেকে একটি ট্রেড লাইসেন্স দিয়ে একাধিক ব্যবসা করছেন। এক ব্যবসার নামে অন্য ধরণের ব্যবসা চালাচ্ছেন। এসবের কারণে বছরে প্রায় চার কোটি টাকা লোকসান হচ্ছে পুরসভার। বিষয়টি নিয়ে পুরকর্তারা সমস্যায় পড়েছেন।
Advertisement
ট্রেড লাইসেন্স সঠিকভাবে করা না হলে জটিলতা হয়। এই পরিস্থিতিতে শহরের ব্যবসায়ীদের ট্রেড লাইসেন্স করানোর জন্য স্পেশাল ড্রাইভ শুরু করেছে পুরসভা। ব্যবসায়ীদের দ্রুত ট্রেড লাইসেন্স করার আবেদন জানানো হচ্ছে। এর জন্য পুরসভার পক্ষ থেকে শহরে মাইকিং করা হচ্ছে। এরপরও যদি কেউ ট্রেড লাইসেন্স না করেন, তাহলে পুরসভা আইনানুগ ব্যবস্থা নেবে।
পুরচেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, ৭০ শতাংশ ব্যবসায়ীর ট্রেড লাইসেন্স নেই। অনেকে একটা ট্রেড লাইসেন্স দিয়ে একাধিক ব্যবসা করছেন। এসবের কারণে পুরসভার বছরে প্রায় চার কোটি টাকা লোকসান হচ্ছে। এজন্য স্পেশাল ড্রাইভ দেওয়া হচ্ছে। মাইকিং করা হচ্ছে। প্রথমে সচেতন করা হচ্ছে। পরে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জেলা ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক সুরজকুমার ঘোষ বলেন, ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া কেউ ব্যবসা করুক এটা আমরা সমর্থন করি না। যাঁদের ট্রেড লাইসেন্স নেই তাঁদের দ্রুত ট্রেড লাইসেন্স করে নেওয়া উচিত। কোনও ব্যবসায়ী অসুবিধার কারণে করতে না পারলে তা মেটানোর ব্যবস্থা করা হোক।
পুরচেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ ঘোষ বলেন, ৭০ শতাংশ ব্যবসায়ীর ট্রেড লাইসেন্স নেই। অনেকে একটা ট্রেড লাইসেন্স দিয়ে একাধিক ব্যবসা করছেন। এসবের কারণে পুরসভার বছরে প্রায় চার কোটি টাকা লোকসান হচ্ছে। এজন্য স্পেশাল ড্রাইভ দেওয়া হচ্ছে। মাইকিং করা হচ্ছে। প্রথমে সচেতন করা হচ্ছে। পরে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
জেলা ব্যবসায়ী সমিতির সাধারণ সম্পাদক সুরজকুমার ঘোষ বলেন, ট্রেড লাইসেন্স ছাড়া কেউ ব্যবসা করুক এটা আমরা সমর্থন করি না। যাঁদের ট্রেড লাইসেন্স নেই তাঁদের দ্রুত ট্রেড লাইসেন্স করে নেওয়া উচিত। কোনও ব্যবসায়ী অসুবিধার কারণে করতে না পারলে তা মেটানোর ব্যবস্থা করা হোক।



