সংবাদদাতা, দেওয়ানহাট: ‘জল জীবন মিশন’-এ কোচবিহার জেলায় বাড়ি বাড়ি পানীয় জল প্রকল্পের কাজের অগ্রগতি কতটা হয়েছে, তা নিয়ে মঙ্গলবার সরকারি বৈঠকে প্রকাশ্যেই ক্ষোভ উগরে দেন জনপ্রতিনিধিরা। শুধু তাই নয়, পানীয় জলের কাজের গতি নিয়ে ক্ষুব্ধ সভায় উপস্থিত জনপ্রতিনিধিরা অনেকেই বৈঠক ছেড়ে বেরিয়েও যান। মঙ্গলবার কোচবিহারের রবীন্দ্র ভবনে কোচবিহার জেলায় জল জীবন মিশন-এর কাজের অগ্রগতি নিয়ে বৈঠক হয়। জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত বৈঠকে জেলার সমস্ত গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান সহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধিরা হাজির ছিলেন।
Advertisement
উপস্থিত ছিলেন কোচবিহার জেলা পরিষদের সভাধিপতি সুমিতা বর্মন, সহ সভাপতি আব্দুল জলিল আহমেদ, জেলাশাসক অরবিন্দকুমার মিনা সহ জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের আধিকারিকরা। যদিও জনপ্রতিনিধিদের ওই বিক্ষোভের সময় মঞ্চে ছিলেন না জেলাশাসক। উপস্থিত জনপ্রতিনিধিদের অভিযোগ, তাঁদের গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় জল জীবন মিশনে কাজের গতি খুবই শ্লথ। কোথাও বাড়িতে এখনও পাইপ বসানোই হয়নি। কোথাও রিজার্ভার তৈরি হয়নি। আবার কোথাও এখনও পাইপ লাইন বসানোর কাজ শুরুই করা হয়নি। রাস্তার উপরেই পড়ে আছে প্রকল্পের কাজের পাইপ।
জেলায় ৬০ শতাংশ কাজ হয়েছে বলে প্রশাসনের আধিকারিকরা এদিন সভায় দাবি করতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা পঞ্চয়েতের জনপ্রতিনিধিরা। দিনহাটা-২ ব্লকের বড় শাকদল গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান কমল রায় বলেন, আমাদের এলাকায় এখনও কোনও বাড়িতেই পানীয় জলের লাইন পৌঁছয়নি। অনেক জায়গায় পাইপ লাইন বসানোই হয়নি। অথচ বৈঠকে আধিকারিকরা বলছেন ৬০ শতাংশের বেশি কাজ হয়েছে। ওনারা গ্রামে এসে দেখুক কতটা কাজ হয়েছে। পুঁটিমারি-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের স্বামী নুরুল ইসলাম বলেন, এলাকায় কাজ এখনও ১৫ শতাংশ হয়নি। অথচ বলা হচ্ছে ৬০ শতাংশ কাজ হয়েছে।
যদিও এ বিষয়ে ওই ঘটনাটা প্রসঙ্গে জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের আধিকারিকরা কোনও মন্তব্য করতে চাননি। তবে বৈঠক শেষে জেলা পরিষদের সহ সভাপতি আব্দুল জলিল আহমেদ বলেন, কোথাও কোথাও একটু কাজ কম হয়েছে। আবার কোথাও অনেকটাই কাজ শেষ হয়েছে। তবে সব কাজ যাতে দ্রুত শেষ হয় সেজন্য সকলকেই একসঙ্গে কাজ করতে হবে।
জেলায় ৬০ শতাংশ কাজ হয়েছে বলে প্রশাসনের আধিকারিকরা এদিন সভায় দাবি করতেই ক্ষোভে ফেটে পড়েন বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা পঞ্চয়েতের জনপ্রতিনিধিরা। দিনহাটা-২ ব্লকের বড় শাকদল গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান কমল রায় বলেন, আমাদের এলাকায় এখনও কোনও বাড়িতেই পানীয় জলের লাইন পৌঁছয়নি। অনেক জায়গায় পাইপ লাইন বসানোই হয়নি। অথচ বৈঠকে আধিকারিকরা বলছেন ৬০ শতাংশের বেশি কাজ হয়েছে। ওনারা গ্রামে এসে দেখুক কতটা কাজ হয়েছে। পুঁটিমারি-২ গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের স্বামী নুরুল ইসলাম বলেন, এলাকায় কাজ এখনও ১৫ শতাংশ হয়নি। অথচ বলা হচ্ছে ৬০ শতাংশ কাজ হয়েছে।
যদিও এ বিষয়ে ওই ঘটনাটা প্রসঙ্গে জনস্বাস্থ্য কারিগরি দপ্তরের আধিকারিকরা কোনও মন্তব্য করতে চাননি। তবে বৈঠক শেষে জেলা পরিষদের সহ সভাপতি আব্দুল জলিল আহমেদ বলেন, কোথাও কোথাও একটু কাজ কম হয়েছে। আবার কোথাও অনেকটাই কাজ শেষ হয়েছে। তবে সব কাজ যাতে দ্রুত শেষ হয় সেজন্য সকলকেই একসঙ্গে কাজ করতে হবে।



