সংবাদদাতা, দিনহাটা: কোচবিহার জেলায় ২০২৪-’২৫ অর্থবর্ষে এক লক্ষের বেশি ছাত্রছাত্রী ঐক্যশ্রী স্কলারশিপ পাচ্ছেন। ডিসেম্বর মাসেই ১৩ কোটি টাকার বেশি বরাদ্দ ওই পড়ুয়াদের অ্যাকাউন্টে ঢুকেছে। ২০১১-’১২ অর্থ বছরে মাত্র ১১ হাজার ছাত্রছাত্রী এই বৃত্তি পেতেন। ১২ বছরের দশগুণ ছাত্রছাত্রী বেশি ঐক্যশ্রী স্কলারশিপের আওতায় এসেছেন। কোচবিহারের অতিরিক্ত জেলাশাসক (সাধারণ) শান্তনু বালা বলেন, জেলায় এক লক্ষের বেশি ছাত্রছাত্রী এবারে ঐক্যশ্রী স্কলারশিপ পাচ্ছেন।
Advertisement
উল্লেখ্য, ২০১২ সালে এডুকেশন সুপারভাইজার পদে নিয়োগ দেওয়া হয় জেলায়। এরপরেই ধীরে ধীরে আসে এই সাফল্য। জেলার সংখ্যালঘু অধ্যুষিত ব্লকগুলি ও মহকুমায় সংখ্যালঘু দপ্তরের কর্মীর পদ খালি। সেগুলিতে নিয়োগ হলে আরও বেশি ছাত্রছাত্রী এই স্কলারশিপ পাবে বলে ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা।
প্রথম শ্রেণি থেকে পিএইচডি পর্যন্ত সংখ্যালঘু ছাত্রছাত্রীদের স্কলারশিপ দেওয়া হয়। প্রতিবছর প্রি-মেট্রিক, পোস্ট ম্যাট্রিক, মেরিট কাম মিনস, ট্যালেন্ট সার্চ প্রোগ্রাম ও স্বামী বিবেকানন্দ মেরিটকাম মিনস বিভাগে স্কলারশিপ দেওয়া হয়। নতুন করে ছাত্রছাত্রীদের আবেদন ও পুরনো ছাত্রছাত্রীরা তা রিনিউয়াল করেন।
এ বছরের পোস্ট ম্যাট্রিকের ২০৫২, মেরিট কাম মিনসে ৮৯ , ট্যালেন্ট সার্চ প্রোগ্রামে ৩৩২৯, স্বামী বিবেকানন্দ মেরিট কাম মিনস ১৯৮১, প্রি ম্যাট্রিকে ২৮ হাজার ৭০৮ জন আবেদন করেছেন। জেলায় মোট নতুন আবেদন হয়েছে ৩৬ হাজার ১৫৯টি। ৬৬ হাজার ৮২৮ জন ছাত্রছাত্রী রিনিউয়াল করেছেন। মোট ১ লক্ষ ২ হাজার ৯৮৭ জন ছাত্রছাত্রী স্কলারশিপ পাচ্ছেন।
সংখ্যালঘু দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্কলারশিপের জন্য আবেদন জমা করতে জোর প্রচার চালানো হয়। ছাত্রছাত্রীরা কোনও সমস্যায় পড়লে এডুকেশন সুপারভাইজার রেজাউল ইসলামের দ্বারস্থ হতে পারেন। জেলা দপ্তর থেকে দ্রুত সমস্যার সমাধান করা হয়।
প্রথম শ্রেণি থেকে পিএইচডি পর্যন্ত সংখ্যালঘু ছাত্রছাত্রীদের স্কলারশিপ দেওয়া হয়। প্রতিবছর প্রি-মেট্রিক, পোস্ট ম্যাট্রিক, মেরিট কাম মিনস, ট্যালেন্ট সার্চ প্রোগ্রাম ও স্বামী বিবেকানন্দ মেরিটকাম মিনস বিভাগে স্কলারশিপ দেওয়া হয়। নতুন করে ছাত্রছাত্রীদের আবেদন ও পুরনো ছাত্রছাত্রীরা তা রিনিউয়াল করেন।
এ বছরের পোস্ট ম্যাট্রিকের ২০৫২, মেরিট কাম মিনসে ৮৯ , ট্যালেন্ট সার্চ প্রোগ্রামে ৩৩২৯, স্বামী বিবেকানন্দ মেরিট কাম মিনস ১৯৮১, প্রি ম্যাট্রিকে ২৮ হাজার ৭০৮ জন আবেদন করেছেন। জেলায় মোট নতুন আবেদন হয়েছে ৩৬ হাজার ১৫৯টি। ৬৬ হাজার ৮২৮ জন ছাত্রছাত্রী রিনিউয়াল করেছেন। মোট ১ লক্ষ ২ হাজার ৯৮৭ জন ছাত্রছাত্রী স্কলারশিপ পাচ্ছেন।
সংখ্যালঘু দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, জেলার বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে স্কলারশিপের জন্য আবেদন জমা করতে জোর প্রচার চালানো হয়। ছাত্রছাত্রীরা কোনও সমস্যায় পড়লে এডুকেশন সুপারভাইজার রেজাউল ইসলামের দ্বারস্থ হতে পারেন। জেলা দপ্তর থেকে দ্রুত সমস্যার সমাধান করা হয়।



