রাজীব বর্মন, দেওয়ানহাট: বাণিজ্যিকভাবে গোলাপ চাষ করে জেলায় নজির গড়েছেন কোচবিহারের চকচকার বাসিন্দা দুলাল সরকার। প্রথাগত চাষ ছেড়ে দীর্ঘ প্রায় ১৫ বছর ধরে তিনি নিজের জমির পাশাপাশি জমি লিজ নিয়ে বিভিন্ন প্রজাতির ফুল যেমন গ্ল্যাডিওলাস, ডালিয়া, জারবেরা চাষ করে আসছেন। তবে এবারই প্রথম গোলাপের চাষ করলেন তিনি।
Advertisement
দুলালবাবু চার বিঘা জমি লিজ নিয়ে সেই জমিতে গোলাপ ফুল চাষ করেছেন। ওড়িশা থেকে উন্নত প্রজাতির ১৬ হাজার গোলাপের গ্রাফটিং চারা জমিতে লাগিয়েছেন। সেখান থেকে প্রতিদিন ১২ থেকে ১৪শো পিস গোলাপ ফুল বাজারজাত করছেন। আর তাতেই মোটা অঙ্কের টাকা আয় করছেন দু’বারের কৃষকরত্ন সম্মানে ভূষিত কোচবিহার-২ ব্লকের চকচকার বাসিন্দা দুলালবাবু।
গোলাপ ফুল চাষের পাশাপাশি তাঁর নিজের প্রায় আট বিঘা জমিতে চাষ করেছেন গাঁদা, রজনীগন্ধা, গ্ল্যাডিওলাস, চন্দ্রমল্লিকা, ডালিয়া, জারবেরা সহ বিভিন্ন প্রজাতির ফুল। সেই ফুল কোচবিহার, শিলিগুড়ির পাশাপাশি অসমেও পাঠাচ্ছেন তিনি। জেলা উদ্যান পালন দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর ১৫ আগে দুলাল সরকার নামে ওই ব্যক্তি গতানুগতিক ধান, আলু চাষ করতেন। কিন্তু তাতে আয় সেরকম না হওয়ায় উদ্যান পালন দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করে উনি প্রথম ফুল চাষ শুরু করেন।
তারপর আর তাঁকে পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। গাঁদা, চন্দ্রমল্লিকা, গ্ল্যাডিওলাস চাষ করেন। বাজারে উৎপাদিত ফুলের চাহিদা থাকায় ভালো দামও পান। এরপরেই নিজের চাষের এলাকা বাড়ানোর সঙ্গে বিনিয়োগ বাড়াতে শুরু করেন। এখন নিজের মালিকানাধীন কয়েক বিঘা জমিতে তিনি ফুল চাষ করছেন।
এছাড়া আরও প্রায় পাঁচ বিঘা জমি লিজ নিয়ে ফুল চাষ শুরু করেছেন। তার মধ্যে চার বিঘা জমিতে গোলাপ ফুলের চাষ করেছেন।
ফুলচাষি দুলাল সরকার বলেন, আগে জমিতে প্রথাগত চাষ করতাম। কিন্তু পরিশ্রমের তুলনায় লাভ হতো না। তাই ফুল চাষ শুরু করি। এ বছর চার বিঘা জমি লিজ নিয়ে গোলাপ ফুল চাষ করেছি। প্রতিদিন প্রায় দেড় হাজার ফুল উঠছে। সেগুলি কোচবিহার, শিলিগুড়ি ও অসমে যাচ্ছে। ভালো আয় হচ্ছে। অন্য চাষিদেরও আমি উৎসাহিত করছি। অনেকেই যোগাযোগ করছেন।
গোলাপ ফুল চাষের পাশাপাশি তাঁর নিজের প্রায় আট বিঘা জমিতে চাষ করেছেন গাঁদা, রজনীগন্ধা, গ্ল্যাডিওলাস, চন্দ্রমল্লিকা, ডালিয়া, জারবেরা সহ বিভিন্ন প্রজাতির ফুল। সেই ফুল কোচবিহার, শিলিগুড়ির পাশাপাশি অসমেও পাঠাচ্ছেন তিনি। জেলা উদ্যান পালন দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, বছর ১৫ আগে দুলাল সরকার নামে ওই ব্যক্তি গতানুগতিক ধান, আলু চাষ করতেন। কিন্তু তাতে আয় সেরকম না হওয়ায় উদ্যান পালন দপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করে উনি প্রথম ফুল চাষ শুরু করেন।
তারপর আর তাঁকে পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। গাঁদা, চন্দ্রমল্লিকা, গ্ল্যাডিওলাস চাষ করেন। বাজারে উৎপাদিত ফুলের চাহিদা থাকায় ভালো দামও পান। এরপরেই নিজের চাষের এলাকা বাড়ানোর সঙ্গে বিনিয়োগ বাড়াতে শুরু করেন। এখন নিজের মালিকানাধীন কয়েক বিঘা জমিতে তিনি ফুল চাষ করছেন।
এছাড়া আরও প্রায় পাঁচ বিঘা জমি লিজ নিয়ে ফুল চাষ শুরু করেছেন। তার মধ্যে চার বিঘা জমিতে গোলাপ ফুলের চাষ করেছেন।
ফুলচাষি দুলাল সরকার বলেন, আগে জমিতে প্রথাগত চাষ করতাম। কিন্তু পরিশ্রমের তুলনায় লাভ হতো না। তাই ফুল চাষ শুরু করি। এ বছর চার বিঘা জমি লিজ নিয়ে গোলাপ ফুল চাষ করেছি। প্রতিদিন প্রায় দেড় হাজার ফুল উঠছে। সেগুলি কোচবিহার, শিলিগুড়ি ও অসমে যাচ্ছে। ভালো আয় হচ্ছে। অন্য চাষিদেরও আমি উৎসাহিত করছি। অনেকেই যোগাযোগ করছেন।



