Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

কোচবিহারে আড়াই মাসে ১৭টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার

কোচবিহারে আড়াই মাসে ১৭টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার
  • ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
নিজস্ব প্রতিনিধি, কোচবিহার: জানুয়ারি থেকে এখনও পর্যন্ত জেলায় মোট ১৭টি আগ্নেয়াস্ত্র ও ২৩টি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে। এই বিপুল পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র বিহারের মুঙ্গের ও তার আশপাশের এলাকা থেকে চোরাপথে কোচবিহারে আসছে। বিভিন্ন ক্যারিয়ারের মাধ্যমে হাতবদল হয়ে এখানে আসে আগ্নেয়াস্ত্রগুলি। 
Advertisement
বিভিন্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, ওয়ান শটারের দাম কোচবিহারের বাজারে ১০-১২ হাজার টাকা। পিস্তলের দাম ৩০-৫০ হাজার টাকা। বিহার থেকে বাস বদল করে বিভিন্ন রুট ধরে এগুলি আসছে জেলায়। কখন বেশভূষা বদলে, কখনও এই কাজে শিশু-কিশোরদের ব্যবহার করে এসব নিয়ে আসা হয় বলে তদন্তকারী অফিসারদের সূত্রেই জানা গিয়েছে। 
গত শনিবার রাতে কোচবিহারের বিভিন্ন থানা এলাকায় তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র, বেশ কয়েকটি কার্তুজ সহ মোট তিনজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। পাশাপাশি দু’টি বোমাও উদ্ধার করা হয়। পুলিস জানিয়েছে, ওই ঘটনায় নয়ারহাট থানার রুবেল মিয়াঁ, কোচবিহার কোতোয়ালি থানার বিশ্বজিৎ বর্মন ও শীতলকুচি থানার আজিমুল মিয়াঁ গ্রেপ্তার হয়েছে। রুবেল আগ্নেয়াস্ত্র বিক্রি করবে বলে পুলিসের কাছে খবর এসেছিল। তার বাড়ি কিসমত মোকোরারি গ্রামে। সেখানে পৌঁছে পুলিস একটি ওয়ান শটার ও একটি কার্তুজ উদ্ধার করে। বিশ্বজিৎ বর্মনের বাড়ি কোচবিহার শহরের মন্টু দাস পল্লিতে। তার কাছ থেকে একটি ওয়ান শটার ও একটি কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে ওই রাতে। শীতলকুচি থানার আজিমুল মিয়াঁর বাড়ি পাঠানটুলিতে। তার কাছ থেকে একটি দেশি ওয়ান শটার ও দুই রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করা হয়েছে। এদিকে, মাথাভাঙার জোড়পাটকি গ্রাম পঞ্চায়েতের নেনদারপাড় এলাকা থেকে দু’টি সুতলি বোমা উদ্ধার করা হয়েছে। 
কোচবিহারের পুলিস সুপার দ্যুতিমান ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, গত শনিবার তিনটি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। ঘটনায় তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বিহার থেকে আগ্নেয়াস্ত্র আসার বিষয়টি পুলিস কড়া হাতেই মোকাবিলা করছে। গত আড়াই মাসে ১৭টি আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ