নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: আবাস তালিকায় নাম রয়েছে। আবাসের যোগ্য প্রাপকও। কারণ, নেই পাকা বাড়ি। তারপরেও তালিকা থেকে নাম বাদ দেওয়ার আবেদন জানালেন তৃণমূলের ব্লক সভাপতি ও পঞ্চায়েত প্রধান। গোঘাট-১ ব্লক তৃণমূলের সভাপতি সঞ্জিত পাখিরা সমীক্ষক দলকে জানানোর পাশাপাশি ব্লক প্রশাসনের কাছেও লিখিতভাবে আবাস না নেওয়ার আর্জি জানিয়েছেন। একই দাবি করেছেন গোঘাটের শ্যামবাজার পঞ্চায়েতের প্রধান প্রভাত গোস্বামীও। যদিও বিজেপি এই ঘটনা নিয়ে কটাক্ষ করেছে।
Advertisement
তাঁদের দাবি, ২০১৮ সালের সমীক্ষা অনুযায়ী আবাস প্লাসের তালিকায় তাঁদের নাম ওঠে। সেইমতো সম্প্রতি প্রশাসনের সমীক্ষক দল তাঁদের বাড়িতে সার্ভে করতে আসেন। কিন্তু, তাঁরা সেই কাজে আপত্তি জানান। সঞ্জিতবাবু তৃণমূলের ব্লক সভাপতির পাশাপাশি পঞ্চায়েত সমিতির খাদ্য কর্মাধ্যক্ষের দায়িত্বেও রয়েছেন। তিনি বলেন, বহুদিন আগে আমার মা একটি ইন্দিরা আবাসনে বাড়ি পেয়েছিলেন। আমরা মাটির বাড়িতে থাকতাম। বর্তমানে সেটিও ভেঙে গিয়েছে। তাই স্ত্রী, ছেলে মেয়েকে নিয়ে মায়ের সঙ্গেই এখন থাকি। গোরুর দুধ ব্যবসা, সামান্য জমিতে চাষ ও পঞ্চায়েত সমিতি থেকে পাওয়া ভাতাই আমরা রোজগার। বর্তমানে আমার বাড়ি প্রয়োজন। কিন্তু, অনেক প্রকৃত গরিব আছেন, যাঁদেরও আবাস দরকার। বৃষ্টির সময় বাড়িতে জল পড়ে। তাই তাঁদের কথা ভেবে নিজের বরাদ্দ ছাড়ার আর্জি জানিয়েছি।
শ্যামবাজার পঞ্চায়েতের প্রধান প্রভাত গোস্বামী জানিয়েছেন, তাঁদের কোনও বাড়িই নেই। তাই তাঁরও ২০১৮ সালের আবাস সমীক্ষায় তালিকায় নাম ওঠে। তখন তিনি পঞ্চায়েতের প্রধান ছিলেন না। তিনি বলেন, পাণ্ডুগ্রামে বাবার এক শিক্ষক একটি বাড়িতে আমাদের থাকতে দিয়েছেন। সেখানেই বাবাকে নিয়ে থাকি। নিজেদের বাড়ির প্রয়োজন রয়েছে ঠিকই। কিন্তু, আমাদের এলাকায় এমন অনেক পরিবার আছে, যাদের এখনই পাকা বাড়ি দরকার। তাই তাঁদের কথা ভেবেই আমার বরাদ্দ আবাস ছাড়তে আবেদন জানিয়েছি। সমীক্ষা করতে এলে প্রশাসনের টিমকেও তা জানিয়েছি। যদিও এই ঘটনায় বিজেপির আরামবাগ সাংগঠনিক জেলা সভাপতি বিমান ঘোষ বলেন, তৃণমূলের সবই নাটক। সার্ভেতে নাম ওঠার আগে আপত্তি করেননি কেন? এখন অভিনয় করে আবাসের তালিকা থেকে নাম বাদের আবেদন করছেন তৃণমূলের নেতারা। আসলে তাঁরা কোটি টাকার মালিক। তৃণমূল অবশ্য বিজেপির অভিযোগকে গুরুত্ব দিতে নারাজ। আরামবাগ সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান স্বপন নন্দী বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার মানুষকে বঞ্চনা করছে। আবাসের টাকা বন্ধ রেখে দিয়েছে। কিন্তু, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গরিব মানুষের মাথার উপর ছাদ করে দিচ্ছেন। গোঘাটের ব্লক সভাপতির কাঁচাবাড়ি। তারপরেও উনি আবাসের টাকা নিতে চাননি। উনি নিঃসন্দেহে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।
শ্যামবাজার পঞ্চায়েতের প্রধান প্রভাত গোস্বামী জানিয়েছেন, তাঁদের কোনও বাড়িই নেই। তাই তাঁরও ২০১৮ সালের আবাস সমীক্ষায় তালিকায় নাম ওঠে। তখন তিনি পঞ্চায়েতের প্রধান ছিলেন না। তিনি বলেন, পাণ্ডুগ্রামে বাবার এক শিক্ষক একটি বাড়িতে আমাদের থাকতে দিয়েছেন। সেখানেই বাবাকে নিয়ে থাকি। নিজেদের বাড়ির প্রয়োজন রয়েছে ঠিকই। কিন্তু, আমাদের এলাকায় এমন অনেক পরিবার আছে, যাদের এখনই পাকা বাড়ি দরকার। তাই তাঁদের কথা ভেবেই আমার বরাদ্দ আবাস ছাড়তে আবেদন জানিয়েছি। সমীক্ষা করতে এলে প্রশাসনের টিমকেও তা জানিয়েছি। যদিও এই ঘটনায় বিজেপির আরামবাগ সাংগঠনিক জেলা সভাপতি বিমান ঘোষ বলেন, তৃণমূলের সবই নাটক। সার্ভেতে নাম ওঠার আগে আপত্তি করেননি কেন? এখন অভিনয় করে আবাসের তালিকা থেকে নাম বাদের আবেদন করছেন তৃণমূলের নেতারা। আসলে তাঁরা কোটি টাকার মালিক। তৃণমূল অবশ্য বিজেপির অভিযোগকে গুরুত্ব দিতে নারাজ। আরামবাগ সাংগঠনিক জেলা তৃণমূলের চেয়ারম্যান স্বপন নন্দী বলেন, কেন্দ্রীয় সরকার মানুষকে বঞ্চনা করছে। আবাসের টাকা বন্ধ রেখে দিয়েছে। কিন্তু, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গরিব মানুষের মাথার উপর ছাদ করে দিচ্ছেন। গোঘাটের ব্লক সভাপতির কাঁচাবাড়ি। তারপরেও উনি আবাসের টাকা নিতে চাননি। উনি নিঃসন্দেহে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন।



