সংবাদদাতা, পুরাতন মালদহ: মালদহ জেলার গাজোল স্টেট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসায় গাফিলতির অভিযোগ উঠেছে। একুশ দিন আগে এক বালকের গোড়ালিতে ঢুকে যাওয়া কাচ বের না করেই চিকিত্সক সেলাই করে দিয়েছেন বলে দাবি রোগীর পরিবারের। সেলাই করে দেওয়া জায়গায় পচন ধরতে শুরু করায় চিন্তায় রোগীর পরিবার।
Advertisement
শুক্রবার নাবালককে নিয়ে তার পরিবার ফের গাজোল স্টেট জেনারেল হাসপাতালে আসে। সেখানকার চিকিত্সক এখন নাবালককে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পরামর্শ দেওয়ায় ক্ষুব্ধ রোগীর পরিবারটি। তারা হাসপাতালের চিকিৎসা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। চিকিত্সায় গাফিলতির অভিযোগ তুলেছেন। অভিযোগটি অবশ্য খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন হাসপাতালের সুপার অঞ্জন রায়। বলেন, ওই নাবালক আমাদের কাছে এলে চিকিৎসার দিকটিও দেখা হবে।
গত ১০ সেপ্টেম্বর গাজোল ব্লকের মাঝরার শালবোনা এলাকায় পুকুরে স্নান করতে গিয়ে হিমাংশু রায় নামে বছর এগারোর ওই নাবালকের পা কেটে যায়। পায়ের গোড়ালি থেকে রক্ত বের হওয়ায় সেদিনই ওই নাবালককে গাজোল স্টেট জেনারেল হাসপাতালের জরুরী বিভাগে ভর্তি করে তার পরিবার। পায়ের কাটা জায়গায় সেলাই করে দেন চিকিত্সকরা। পরিবারটির অভিযোগ, ওই সময় হাসপাতালে ভালো করে চিকিৎসা হয়নি। কাটা জায়গা পরিষ্কার হয়নি। কাচ থাকা অবস্থায় গোড়ালি সেলাই করে দেওয়া হয়েছে। এখন সেলাই দেওয়া জায়গায় পচন ধরতে শুরু করেছে।
নাবালকের বাবা নারায়ণ রায় বলেন, ভালোমতো চিকিত্সা হয়নি। এদিন হাসপাতালে ছেলেকে নিয়ে গিয়েছিলাম। ডাক্তার বলছে, এখন জেলা মেডিক্যালে নিয়ে যেতে হবে। হতাশ নারায়ণের বক্তব্য, আমরা দুঃস্থ মানুষ। খেটে খাই। সামান্য কাটা ছেঁড়ার জন্য এখন মেডিক্যালে যাব? আগে কেমন করে আমার ছেলের চিকিত্সা হয়েছে? এদিন হাসপাতাল এসে পায়ের ব্যথায় কাঁদছিল হিমাংশুও।
গত ১০ সেপ্টেম্বর গাজোল ব্লকের মাঝরার শালবোনা এলাকায় পুকুরে স্নান করতে গিয়ে হিমাংশু রায় নামে বছর এগারোর ওই নাবালকের পা কেটে যায়। পায়ের গোড়ালি থেকে রক্ত বের হওয়ায় সেদিনই ওই নাবালককে গাজোল স্টেট জেনারেল হাসপাতালের জরুরী বিভাগে ভর্তি করে তার পরিবার। পায়ের কাটা জায়গায় সেলাই করে দেন চিকিত্সকরা। পরিবারটির অভিযোগ, ওই সময় হাসপাতালে ভালো করে চিকিৎসা হয়নি। কাটা জায়গা পরিষ্কার হয়নি। কাচ থাকা অবস্থায় গোড়ালি সেলাই করে দেওয়া হয়েছে। এখন সেলাই দেওয়া জায়গায় পচন ধরতে শুরু করেছে।
নাবালকের বাবা নারায়ণ রায় বলেন, ভালোমতো চিকিত্সা হয়নি। এদিন হাসপাতালে ছেলেকে নিয়ে গিয়েছিলাম। ডাক্তার বলছে, এখন জেলা মেডিক্যালে নিয়ে যেতে হবে। হতাশ নারায়ণের বক্তব্য, আমরা দুঃস্থ মানুষ। খেটে খাই। সামান্য কাটা ছেঁড়ার জন্য এখন মেডিক্যালে যাব? আগে কেমন করে আমার ছেলের চিকিত্সা হয়েছে? এদিন হাসপাতাল এসে পায়ের ব্যথায় কাঁদছিল হিমাংশুও।



