নয়াদিল্লি: কোভিড-১৯ টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় প্রাণ হারিয়েছেন অনেকে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলিকে আর্থিক ক্ষতিপূরণের জন্য নীতি তৈরি করা সম্ভব কি না, কেন্দ্রের কাছে জানতে চাইল সুপ্রিম কোর্ট। তিন সপ্তাহের মধ্যে জবাব তলব করেছে দেশের শীর্ষ আদালত। পরবর্তী শুনানি ১৮ মার্চ।
Advertisement
মঙ্গলবার কেন্দ্রের হয়ে সওয়াল করেন অ্যাডিশনাল সলিসিটর জেনারেল ঐশ্বর্যা ভাটি। বিচারপতি বিক্রম নাথ ও বিচারপতি সন্দীপ মেহতার বেঞ্চকে তিনি জানান, শুধুমাত্র কোভিড-১৯ বিপর্যয় হিসেবে চিহ্নিত হয়েছিল। টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রায় মৃত্যুর ক্ষেত্রে তেমনটা করা হয়নি। তাই বিপর্যয় মোকাবিলা আইনের অধীনে এক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের কোনও নীতি নেই। ঐশ্বর্যার কথায়, ‘কোভিড একটি বিপর্যয় ছিল। কিন্তু এর টিকা দেওয়া হয়েছে মেডিক্যাল প্রোটোকল মেনে। কোভিড মৃত্যুতে ক্ষতিপূরণের নির্দিষ্ট নীতি রয়েছে। তবে টিকা নেওয়ার পর নির্দিষ্ট ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে কি না তা আগে জানতে হবে।’ যদিও দু’টি বিষয়কে আলাদা করে দেখার আর্জি জানিয়েছেন দুই বিচারপতির বেঞ্চ। আদালতের পর্যবেক্ষণ, ‘কোভিড মহামারীর জেরেই শুরু হয়েছিল টিকাকরণ প্রক্রিয়া। তাই দু’টি বিষয় যে একে অপরের সঙ্গে যুক্ত নয় তা বলা যায় না।’
ঘটনার সূত্রপাত কেরল হাইকোর্টে। কোভিড টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় স্বামীকে হারিয়েছিলেন এক মহিলা। ২০২২ সালে ক্ষতিপূরণের আর্জি জানিয়ে কেরল হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি। ওই বছর সেপ্টেম্বরে আদালত জানিয়েছিল, এ সংক্রান্ত কোনও নীতি নেই। এরপর ন্যাশনাল ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটিকে নীতি নির্ধারণের দায়িত্ব দেয় কেরল হাইকোর্ট। বলা হয় টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় মৃতদের চিহ্নিত করতে হবে। এই নির্দেশের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় কেন্দ্র। ২০২৩ সালে হাইকোর্টের নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশ দেয় শীর্ষ আদালত। তারপর কেটে গিয়েছে দু’বছর। এদিন শীর্ষ আদালতে আবেদনকারীর আইনজীবী বলেন, ‘এখনও পর্যন্ত ১৪ লক্ষের বেশি কোভিডে মৃতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে। টিকায় পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় মৃত্যুর ক্ষেত্রে সংখ্যাটা দুশোর কাছাকাছি। এক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ দেওয়া কি সম্ভব নয়? কোভিজ-১৯ বিপর্যয়ের কারণেই টিকাকরণ করা হয়েছে।’ এরপরেই কেন্দ্রর উদ্দেশে শীর্ষ আদালতের বার্তা, ‘কেরল হাইকোর্টের নির্দেশ মানা যেতে পারে। কারা কতটা ক্ষতিপূরণ পাওয়ার যোগ্য তা নির্ধারণ করতে হবে।’
ঘটনার সূত্রপাত কেরল হাইকোর্টে। কোভিড টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় স্বামীকে হারিয়েছিলেন এক মহিলা। ২০২২ সালে ক্ষতিপূরণের আর্জি জানিয়ে কেরল হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন তিনি। ওই বছর সেপ্টেম্বরে আদালত জানিয়েছিল, এ সংক্রান্ত কোনও নীতি নেই। এরপর ন্যাশনাল ডিজাস্টার ম্যানেজমেন্ট অথরিটিকে নীতি নির্ধারণের দায়িত্ব দেয় কেরল হাইকোর্ট। বলা হয় টিকার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় মৃতদের চিহ্নিত করতে হবে। এই নির্দেশের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় কেন্দ্র। ২০২৩ সালে হাইকোর্টের নির্দেশের উপর স্থগিতাদেশ দেয় শীর্ষ আদালত। তারপর কেটে গিয়েছে দু’বছর। এদিন শীর্ষ আদালতে আবেদনকারীর আইনজীবী বলেন, ‘এখনও পর্যন্ত ১৪ লক্ষের বেশি কোভিডে মৃতদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে। টিকায় পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ায় মৃত্যুর ক্ষেত্রে সংখ্যাটা দুশোর কাছাকাছি। এক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণ দেওয়া কি সম্ভব নয়? কোভিজ-১৯ বিপর্যয়ের কারণেই টিকাকরণ করা হয়েছে।’ এরপরেই কেন্দ্রর উদ্দেশে শীর্ষ আদালতের বার্তা, ‘কেরল হাইকোর্টের নির্দেশ মানা যেতে পারে। কারা কতটা ক্ষতিপূরণ পাওয়ার যোগ্য তা নির্ধারণ করতে হবে।’



