


নয়াদিল্লি: ভারত থেকে জম্মু-কাশ্মীরকে আলাদা করার প্রচেষ্টা। জঙ্গি কার্যকলাপ ও ষড়যন্ত্রের অভিযোগে ২০১৮ সালে নিষিদ্ধ সংগঠন দুখতারান-ই-মিল্লাতের প্রধান আসিয়া আন্দ্রাবিকে গ্রেপ্তার করেছিল এনআইএ। সাত বছর পেরিয়ে এবার ধৃত আসিয়ার সাজা ঘোষণা করল দিল্লির বিশেষ আদালত। মঙ্গলবার তাকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কাশ্মীরি বিচ্ছিন্নতাবাদী আসিয়ার দুই সঙ্গী সোফি ফেহমিদা ও নাহিদা নাসরিনকেও ৩০ বছর কারাবাসের শাস্তি দেওয়া হয়েছে। ধৃত তিনজনকে ধারা ১৮ ষড়যন্ত্র, ধারা ৩৮ জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যোগ সহ ইএপিএ-র অধীনে একাধিক ধারায় দোষী সাব্যস্ত করেছে আদালত। তাদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির অধীনে অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র ও রাষ্ট্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার অভিযোগও আনা হয়েছে। জানা গিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে উপত্যকায় বিচ্ছিন্নতাবাদী মতাদর্শ প্রচার ও অশান্তি ছড়ানোর সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত ছিল তিন অপরাধী। কাশ্মীরে মহিলাদের একটি সংগঠন ছিল। নাম দুখতারান-ই-মিল্লাত। ১৯৮৭ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় সংগঠনটি। এর মাথা ছিল আসিয়া আন্দ্রাবি। তার অধীনে গোটা কাশ্মীরজুড়ে কাজ করত বহু মহিলা। অভিযোগ, পাকিস্তানের সমর্থনে দেশের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণার চক্রান্ত করেছিল তারা। জম্মু-কাশ্মীরকে ভারত থেকে আলাদা করাই ছিল মূল লক্ষ্য। ২০০৪ সালে সংগঠনটিকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করে সরকার। পরে ঘটনার তদন্তে নেমে ২০১৮ সালে আসিয়া ও তার সঙ্গীদের পাকড়াও করে এনআইএ। এদিন দোষীদের সাজা ঘোষণা করা হল। আগেই দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল দুখতারান-ই-মিল্লাত। তাদের বিরুদ্ধে জারি হওয়া নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহারের আবেদন জানিয়েছিল সংগঠনটি। তবে সেই আবেদন খারিজ করে দেয় আদালত।