Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

প্রকাশিত কার্তিক উৎসবের গাইড ম্যাপ, বেনজির নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাঁশবেড়িয়ায়

কার্তিক পুজোর ঢাকে কাঠি পড়ে গেল আনুষ্ঠানিকভাবে। শুক্রবার বাঁশবেড়িয়ার হংসেশ্বরী মন্দিরের কাছে একটি অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পুজোর গাইড ম্যাপ প্রকাশিত হল।

প্রকাশিত কার্তিক উৎসবের গাইড ম্যাপ, বেনজির নিরাপত্তা ব্যবস্থা বাঁশবেড়িয়ায়
  • ১৫ নভেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

নিজস্ব প্রতিনিধি, চুঁচুড়া: কার্তিক পুজোর ঢাকে কাঠি পড়ে গেল আনুষ্ঠানিকভাবে। শুক্রবার বাঁশবেড়িয়ার হংসেশ্বরী মন্দিরের কাছে একটি অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পুজোর গাইড ম্যাপ প্রকাশিত হল। 

Advertisement

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন হুগলি গ্রামীণ পুলিশের কর্তাব্যক্তিরা, কেন্দ্রীয় পুজো কমিটির নেতৃত্ব ও বিধায়ক তপন দাশগুপ্ত। এবার পুজোতে বিশেষ নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হচ্ছে বলে পুলিশ জানিয়েছে। পুজোর জনপ্রিয়তা দর্শকদের মধ্যে বেড়েছে। বেড়েছে পুজোর সংখ্যাও। এবার শোভাযাত্রাও আড়েবহরে বড় হবে। এই পরিস্থিতিতে জোরদার নিরাপত্তার উপর জোর দিয়েছে পুলিশ। জানা গিয়েছে, বিশেষ নিরাপত্তা বলয় শুধু বাঁশবেড়িয়ায় নয় সংলগ্ন জল, স্থল ও আকাশপথেও থাকবে। এদিন তপনবাবু বলেন, ‘বাঁশবেড়িয়ার ঐতিহ্যবাহী কার্তিক পুজোকে ঘিরে জনপ্লাবন আছড়ে পড়বে। সাম্প্রতিক সময় মানুষের মধ্যে বিপুল আগ্রহ কার্তিক পুজো ও শোভাযাত্রাকে ঘিরে তৈরি হয়েছে। বাংলার ঐতিহ্যবাহী পুজোর সম্মান, দর্শকদের নিরাপত্তার সমস্ত বিষয় নিখুঁত করতে নানারকম পরিকল্পনা করা হয়েছে। আমরা ১৬ নভেম্বর পুজোর দিনের জন্য অপেক্ষা করছি।’ এদিন নিরাপত্তার আয়োজন নিয়ে বিস্তারিত পরিকল্পনার কথা পুলিশ জানায়নি। তবে গ্রামীণ পুলিশের এক কর্তা বলেন, ‘নজরদারি ও নজরদারি চালানোর লোক, দু’টিই গতবারের থেকে দৃষ্টান্তমূলকভাবে বেশি রাখা হচ্ছে। জল, স্থলপথের পাশাপাশি সম্ভাব্য সমস্ত দিক দিয়ে নজরদারি চলবে। শোভাযাত্রা ও পুজোর সময়কালের ভিড় সামলাতে বিশেষ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। সাদা পোশাকের পুলিশ বিপুল সংখ্যায় মোতায়েন থাকবে।’ 
এদিন গাইড ম্যাপের পাশাপাশি শিশুদের জন্য বিশেষ নিরাপত্তা ব্যাজ প্রকাশ হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, সাবেক বাঁশবেড়িয়া শহরের গলিপথগুলি প্রশস্ত নয়। তার মধ্যে দিয়ে শোভাযাত্রার গাড়ি যাতায়াত করা এবং ভিড় সামাল দেওয়া কঠিন। এছাড়া শোভাযাত্রার মাঝপথে গাড়ি খারাপ হওয়ার সমস্যাও থাকে। এই সমস্যা সমাধানে এবার বিশেষ ছ’টি জোন তৈরি করা হচ্ছে। অন্যদিকে ইতিমধ্যেই আলোকমালায় সেজে উঠেছে বাঁশবেড়িয়ার অলিগলি, রাজপথ। পুজোর রং লেগেছে নাগরিক মহল্লায়। কেন্দ্রীয় কার্তিক পুজোকমিটির সভাপতি আদিত্য নিয়োগী বলেন, ‘আমরা তৈরি। এবার শুধু নাগরিকদের উৎসবে মেতে ওঠার অপেক্ষা।’ 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ