সন্দীপন দত্ত, কোচবিহার: সপ্তাহের কর্মব্যস্ত দিনেও বাজারে থিকথিক করছে ভিড়। চাহিদা তুঙ্গে ‘কারদানা জামদানি’ ও ‘মিরর ওয়ার্ক জামদানি’ শাড়ির। সোমবার সকাল ১১টা। ভবানীগঞ্জ বাজারের অধিকাংশ দোকান খুলে গিয়েছে। কিছু দোকান কেবলমাত্র খুলেছে। কিন্তু, বাজারে তখনই থিকথিক করা মানুষের ভিড়ের দৃশ্য দেখলে বোঝার উপায় নেই যে সপ্তাহের প্রথম কর্মব্যস্ত দিনের ছবি। দিনহাটা, সাহেবগঞ্জ, তুফানগঞ্জ, ঘোকসাডাঙা সহ জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ এসেছে পুজোর বাজার করতে। বৃষ্টির মধ্যে ছাতা মাথায় দিয়েই তাঁরা চলে আসেন পুজোর কেনাকাটা করতে।
ভবানীগঞ্জ বাজারের একটি নামী বস্ত্রবিপণীর কর্ণধার সুরজ ঘোষ বলেন, রবিবার, সোমবার বলে কথা নেই। প্রতিদিনই জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ পুজোর কেনাকাটা করতে আসছে। সন্ধ্যার দিকে মূলত শহরের মানুষ কেনাকাটা করছে।
পুজোর কেনাকাটাতে যাই নতুনত্ব থাকুক না কেন, অষ্টমীর সকালে অঞ্জলি দিতে মহিলাদের প্রথম পছন্দ কিন্তু শাড়ি। তারপর শাড়ি বদলে দেবীবাড়ি এবং রামকৃষ্ণ মিশনের পুজো দেখতে যাওয়াটা যেন রীতিতে পরিণত হয়েছে। সুরজবাবু বলেন, অনেকেই অনেক কিছু কিনছেন। তবে শাড়িটা বাঙালি মহিলাদের কাছে সবসময়ই প্রথম পছন্দ। এবার সব থেকে বেশি চাহিদা রয়েছে জামদানি শাড়ির। কারদানা জামদানি এবং মিরর ওয়ার্ক জামদানি শাড়ির চাহিদা সব থেকে বেশি। এ বছরের ট্রেন্ডিং এই শাড়ির দাম দেড় হাজার টাকা থেকে শুরু করে পাঁচ হাজার টাকার মধ্যে। তারমধ্যে অবশ্য অনেকরকম কোয়ালিটি আছে। এখন যার যেটা পছন্দ তিনি সেই দামের মধ্যে জামদানি শাড়ি কিনছেন।
এছাড়াও বাজারে মাশরু কাতান শাড়ির চাহিদাও তুঙ্গে। চাহিদা রয়েছে বিষ্ণুপুরী, তসর, ভাগলপুরীর শাড়ির পাশাপাশি চুরিদারের ক্ষেত্রে থ্রিপিস, প্লাজোর চাহিদাও যথেষ্ট রয়েছে।