Bartaman Logo
১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
বর্তমান / রবিবার

কারণসুধা

যন্ত্রণায় হাঁটু দুটো কঁকিয়ে উঠল। রেণু পাশ ফিরতে পর্যন্ত পারল না। নিমাই দু’বার ডাকল। রেণু আওয়াজ করল না। চোখ বন্ধ করেই বুঝতে পারল হাঁটু থেকে পায়ের পাতা পর্যন্ত ব্যথায় অসাড় হয়ে আছে।

কারণসুধা
  • ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

সৌমী গুপ্ত: যন্ত্রণায় হাঁটু দুটো কঁকিয়ে উঠল। রেণু পাশ ফিরতে পর্যন্ত পারল না। নিমাই দু’বার ডাকল। রেণু আওয়াজ করল না। চোখ বন্ধ করেই বুঝতে পারল হাঁটু থেকে পায়ের পাতা পর্যন্ত ব্যথায় অসাড় হয়ে আছে। নিমাই আবার বলল, ‘কী গো? উঠবে না? অবেলায় কত ঘুমুবে! ও বাড়ি শুতে যাওয়ার ব্যবস্থাটা কী হবে? ভাবলে কিছু?’

Advertisement

রেণুর মেজাজটা তেতো চায়ের মতো হয়ে গেল। ভাবনাটা কি তার মাথায় ঘাই মারছে না? তখন থেকে শুয়ে শুয়ে তো চুপ করে সেটাই ভেবে চলেছে। গতকাল শেষ দিন ছিল। সকালের ঘটনাটা ঘটার সময় রেণু ভেবেছিল যাক আজ অন্তত তিনতলায় নড়বড়ে হাঁটু নিয়ে খাবি খেতে খেতে উঠতে হবে না! কিন্তু বেলায় দত্ত গিন্নির ফোনটাই তো এলোমেলো করে দিল সব।
রেণু ব্যাজার মুখ করে বলল, ‘মেলা বকিও না তো! বিকেল হয়েছে তো অনেকক্ষণ। তখন থেকে এককথা বলে যাচ্ছ কেন বুঝি না! চায়ের নেশায়! গতর নড়িয়ে এক কাপ চা পর্যন্ত করার মুরোদ নেই! আমার হয়েছে যত জ্বালা! আগাতেও কাটছে, গোড়াতেও কাটছে! সব ধান্দাবাজ!’
নিমাই দেখল বিধি বাম। সামাল দেওয়ার চেষ্টা করা সব বিবাহিত পুরুষের আত্মরক্ষার অস্ত্র। নিমাই তার চেষ্টাই করল, ‘আহা চটছ কেন! আমি তো একাই শুতে যেতাম। নেহাত ওদের বাড়িতে এক বছর পেরয়নি দত্ত জেঠু মারা গেছে। গা-টা কেমন ছমছম করে!’
রেণু একবার বক্র দৃষ্টিতে দেখে নিল। তারপর চিবিয়ে চিবিয়ে বলল, ‘চেহারাটা দেখেছ একবার আয়নায়! ভূতেদেরও একটা রুচিবোধ আছে!’
এমন সরাসরি অপমানের পর আর কিছু বলার থাকে না। কিন্তু নিমাই তাও চেষ্টা করল। ঢোঁক গিলে বলল, ‘রতনকে রাজি করাবে?’
রেণু মুখ ভেঙিয়ে বলল, ‘রতনকে রাজি করাবে! বলি এমন বুদ্ধি তোমার মাথা ছাড়া কার মাথায় গজাবে! রতন তোমার সঙ্গে শোবে? নাক ডাকার আওয়াজে তো পাড়ার কুকুরগুলো পর্যন্ত ভয়ে চুপ মেরে যায়! ঘুম হবে? ওকে সকাল থেকে দোকান চালাতে হয় না? সবাই কি আর আমি? দম দেওয়া পুতুল! সারাদিন চলছি।’
নিমাই বোকা বোকা মুখ করে বলল, ‘তাহলে উপায়? দত্ত গিন্নি বলেছে যখন, কথার খেলাপ তো করা যাবে না!’
রেণু বলল, ‘তবে আর কী! মরতে মরতে যাব! ভাগ্য করে একটি কপালে জুটেছে বটে। হোমে যজ্ঞে কিছুতেই লাগে না গো!’
নিমাই জানে পৃথিবীর সব বিবাহিত জীবনে একে অপরের প্রতিপক্ষ। বিপরীত পক্ষ সর্বদা নিজেকে অপর পক্ষের থেকে সেরা মনে করে। এতে ভুল কিছু নেই। তাই বউকে বাগে আনার জন্য মন খানেক তেল যে কম পড়বে সেটাই স্বাভাবিক।
নিমাই মোলায়েম সুরে বলল, ‘আহা সে কি আমি জানি না গো! বেছে বেছে সেরা রত্নটিই নিয়ে এসেছি।’ আড়চোখ দেখে নিয়ে আবার বলল, ‘বলছি রতন একা? পারবে না?’
হা হা করে উঠল রেণু, ‘পাগল নাকি! ও বাড়িতে নেপো জেঠুর আত্মা ঘুরে বেড়ায়। ওখানে রতন একা শুতে পারবে না!’
নিমাই বলতে পারত এই তো স্বামীকে পাঠাচ্ছিল ভূতের মুখেই। তার বেলা! কিন্তু ও জানে সব কথা সব জায়গায় বলতে নেই। আবার একটু চুপ করে বলল, ‘ভুলোকে নেয় যদি?’
রেণু যেন খেই খুঁজে পেল। একটু প্রশান্ত মুখে বলল, ‘হ্যাঁ, এটা মন্দ বলনি। কিন্তু ব্যাটা তো দিনেদুপুরেই মাতাল হয়ে ঘুরে বেড়ায়!’
নিমাই একটু আশকারা পেয়ে বলল, ‘আহা একটা রাতের তো ব্যাপার। সে আমি ভুলোকে বুঝিয়ে বলব। রতনের ছেলেবেলার বন্ধু। আমি বললে না করবে না। তাছাড়া দত্ত গিন্নি যে টাকা দেবে তার থেকে ওকে দুশো টাকা দিয়ে দিলেই ব্যাটা রাজি হয়ে যাবে!’
মদ জিনিসটা রতনও যে ছোঁয় না তা নয়, ছোঁয় কিন্তু ডুবে বসে থাকে না। ও জানে এ জিনিস মোক্ষম। যতক্ষণ নিজেকে ভাসিয়ে রাখবে ততক্ষণ তুমি নৌকা। ডুবেছ কি মরেছ।
সকালবেলা রেণু উঠোনের শ্যাওলায় পা পিছলে পড়েছিল। একে শীতের বেলা তার উপর আবার হাঁটুতে ব্যথাটা ক’দিন ধরেই ভোগাচ্ছিল। পড়ে যাওয়ার বিশ্বাসঘাতকতাটা আর নিতে পারল না। হাঁটু দুটো তখন থেকেই জবাব দিয়ে দিয়েছে। এদিকে দত্ত গিন্নি বেলার দিকে ফোন করে বলেছে আজ তাদের ফ্লাইট ক্যান্সেল। আঠারো ঘণ্টা পর দ্বিতীয় ফ্লাইট। কাজেই একটা রাত আবার ওদের বাড়িতে শুতে যেতে হবে। এমনিতে তো সমস্যা নেই। নীচের তলায় দোকান। মাঝে ভাড়া। কিন্তু সমস্যা হচ্ছে ও বাড়ি আজ পর্যন্ত ফাঁকা রাখা যায় না। রাখলেই রাত দুপুরে দুদ্দাড় আওয়াজে নীচের তলায় থাকা দায়। সেই ভয়ে কত যে ভাড়াটে এল আর গেল। এবারেরটা দু’মাস হল এসেছে। দত্ত গিন্নির মেয়ের তার মধ্যেই বাচ্চা হবে। বাড়ি ছেড়ে যাওয়ার জন্য রেণু ছাড়া আর কাকেই বা ভরসা করবে! অগত্যা রেণু এই দিন পনেরো অন্ধের যষ্টি।
দুই
রতনকে রাজি করাতে বেগ পেতে হল না। ভুলোর কথা বলতেই রতন রাজি হয়ে গেল। শীতের রাত। ভুলো শুধু একবার বলল, ‘কাকা আজ রাতে পার্টি!’
রতন সাবধান করে বলল, ‘দেখ, ভাই খিচাইন করিস না। কেস খাওয়াতে তোর মতো যে আর কেউ নেই সে কথা আমার জানা!’
ভুলো বরাভয় দেখিয়ে বলল, ‘চাপ নিও না কাকা। দুটো পেগ নেব। হিন্দি গান শুনব। অরিজিৎ সিংয়ের। মামপার জন্য একটু কাঁদব। ঘুমিয়ে পড়ব। এর মধ্যে কোনো বাওয়াল নেই!’
রতন হেসে বলল, ‘বাংলা সিনেমায় একটা জিনিস নোটিশ করেছিস? সুখেন দাসের কখনো কোনো গার্লফ্রেন্ড ছিল না। মাল খাবি আবার কাঁদবি? তুই তো এ যুগের সুখেন দাস রে!’
ভুলো বলল, ‘তুমি যেন গুরু গন্ধ শুঁকবে?’
রতন পিঠ চাপড়ে বলল, ‘পেচো আনিস না ভাই। পেটে সহ্য হয় না। টাকা হাফ দিয়ে দেব!’
ভুলো একটা তাচ্ছিল্য করে বলল, ‘পেচো সবার পেটে সহ্য হয় না কাকা। ও হল দেবতাদের বস্তু। কিন্তু ঝামেলাটা হল অন্য জায়গায়। ও বাড়িতে ভূত আছে বলে সবাই!’
রতন হেসে বলল, ‘মাও তাই বলে। কিন্তু দেখেনি কখনো। তেমন হলে নেপোদাদুকেও দু’পাত্তর খাইয়ে দেব। লোকটা ভালো মানুষ ছিল। মাল খেয়ে খেয়েই তো মরে গেল।’
তিন
ডাইনিংটা বেশ বড়ো। দু’দিকে ঘর বন্ধ। মাঝের ডাইনিংটাই খোলা। ঢুকেই নেপোদাদুর একটা ছবি। তার নীচে ছোট্টো একটা তাক। তাকের নীচে ড্রয়ার। লম্বাটে। আর একদিকে বড়ো সোফা পাতা। সেটাই বেশ বড়ো করে খাটের ব্যবস্থা করা যায়। নরম গদির মতো সোফায় গা এলিয়ে ভুলো বলল,‘শালা ইটে শুয়ে শুয়ে পিঠের হাড়গুলো এমন শক্ত হয়ে গেছে এরকম নরম গদির ভেতর ঢুকে যাচ্ছে।’
রতন মাথার টুপিটা খুলে বলল, ‘চল দু’পাত্তর মারি। তারপর খাবার খাব। মা রুটি আর মাংস দিয়েছে!’
ভুলো বলল, ‘দাঁড়াও কাকা, এসব খাওয়ার পরিবেশ করতে হয়। অন্ধকারের মানুষ আমি! এত আলোয় খেলে আমার নেশা হবে না!’
ভুলো উঠে গিয়ে নীল টিমটিমে আলো জ্বালিয়ে দিল। গান চালিয়ে দিল ‘কিঁউকি তুম হি হো...।’ রতন দেখল পেটে পড়ার আগেই ভুলো মোটামুটি বাওয়াল করার সব রাস্তা খুলে রেখেছে। এখন দেবদাস না চুনিলাল সেটার জন্য অপেক্ষাটুকু বাকি। দু’পাত্তর নয় পরপর চারটে লম্বা পেগ মারার পর রতনের বেশ ঢুলুঢুলু অবস্থা। ভুলো গিয়ে নেপোদাদুর ছবির কাছে দাঁড়িয়ে। নেপোদাদুর মুখের কাছে একটা গ্লাস এগিয়ে বলল, ‘দাদু, মাইরি বলছি তোমার মুখটা রাতের আলোয় উত্তমকুমারের মতো লাগছে। কী গ্ল্যামার ছিল মাইরি তোমার। মাল খাবে দাদু! চলবে দু’চুমুক?’
ভুলোর মনে হল নেপোদাদু হাসছে। ভুলো ফোটোটা দু’হাতে জড়িয়ে ধরার চেষ্টা করল। তারপর রতনের উদ্দেশে বলল, ‘বিপিনবাবুর কারণসুধা। মেটায় জ্বালা মেটায় ক্ষুধা!... ও দাদু জাদু দেখবে!’
রতন উঠে বসল, ‘ভাই, তুই ছেড়ে দে। এখানে আয়। খেয়ে ঘুমো। নেপোদাদুকে আর ডাকিস না। ডাকলে আমরা আর এখানে থাকব না।’
ভুলোর তখন ভূতেও ভয় নেই ভবিষ্যতে তো নেইই। ও ফোটোর নীচে বসে পড়ল। তারপর বলল, ‘ও দাদু, তোমার গার্লফ্রেন্ডও তোমাকে ছেড়ে অন্য কাউকে বিয়ে করেছিল? তাই তুমিও আমার মতো এত মদ খেতে?’
রতন ওপাশ থেকে হেসে বলল, ‘তোর মাথায় বুদ্ধি কম। গার্লফ্রেন্ডের জন্য কষ্ট হলে দত্তকাকু হল কী করে! এসব হল পরকীয়ার জ্বালা।’
ভুলো চোখ দুটো বড়ো বড়ো করার চেষ্টা করল, ‘কী বলছ কাকা! সত্যি!’
রতন আধশোয়া অবস্থায় বলল, ‘পাশের পাড়ার বীণা দিদা!’
ভুলো যেন শক খেল, দু’বার হেঁচকি তুলে মাটিতে সাষ্টাঙ্গে শুয়ে নেপোদাদুকে প্রণাম করতে করতে বলল, ‘লেভেলই আলাদা। তুমি ফোটোতেই থাক দাদু!’
উঠতে গিয়ে ধাক্কা লেগে ড্রয়ারটা খুলে গেল। ভুলো দেখল, লম্বাটে একটা বোতল। অলিভ রঙের। লেবেলে নামটা চকচক করছে! দেখেই মনে হচ্ছে বিদেশি। ভুলোর চোখ দুটো চকচক করে উঠল, ‘কাকা। অমৃতসুধা। খাবে নাকি!’
রতন রে রে করে উঠল, ‘চুরি করিস না ভাই। দত্তকাকুরা আমাদের খুব বিশ্বাস করে!’
শত বারণ করা সত্ত্বেও ভুলো কথা শুনল না, বলল, ‘কাকা, যুদ্ধ আর প্রেম ছাড়াও একটা জিনিস সবকিছু ন্যায্য বুঝলে? সেটা হল এই যে, বিলিতি মাল বাপের জন্মে চেখে দেখিনি কাকা!’
বোতলটা খোলাই ছিল। কিন্তু সমস্যাটা হল দু’জনেরই তখন উইকেট পড়ে গেছে। ভুলো ছিপিটা খুলে বলল, ‘কাকা, কেমন চেনা চেনা লাগছে গন্ধটা!’
রতন বলল, ‘ধুর, তুই পেচো মাল খেয়ে বেড়াস। তুই কী বুঝবি এসবের। বেশি করে জল দিয়ে খা গন্ধ লাগবে না! নে নে ঢাল!’
ভুলো বলল, ‘কাকা, অপমান কর না, আমি হচ্ছি মহাদেবের ভক্ত। জল টল ওসব মেশাই না বুঝলে।’
ভুলো আর উত্তরের অপেক্ষা করল না। ঢকঢক করে বেশ খানিকটা খেয়ে বোতলটা এগিয়ে দিল রতনকে। রতন কী বুঝল কে জানে মুখে কিছু বলল না, কিন্তু এক ঢোকে খাওয়ার পরেই গা পাক দিয়ে উঠল। পাছে নিজের বীরত্ব ধরা পড়ে তাই ভুলোকে বলল, ‘ভুলো, এবার রেখে দে। শেষ হয়ে গেলে ধরা পড়ে যাব।’
তলানিতে যেটুকু ছিল রতন উঠে গিয়ে তার সঙ্গে জল মিশিয়ে আগের জায়গায় রেখে দিল।
খেলা শুরু হল ভোর থেকে। ভুলো ক্রমাগত বমি করতে শুরু করল। রতনেরও অস্বস্তি হল কিছুটা। কিন্তু সেটা কম। তবে ও বমি করল বেশ কয়েকবার। ভুলোকে সকালে ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে হল। রতন গোটা রাস্তায় বলতে বলতে গেল, ‘শালা কুকুরের পেট তো। দেশি কুকুর, বিদেশি জিনিস সহ্য হবে কেন!’
বলছিল বটে কিন্তু সেটা জোরালোভাবে ঘাড়ে চাপিয়ে দিতে পারছিল না।
ভুলো সুস্থ হল আরও দু’দিন পর। হসপিটালে ভরতি থাকল একদিন। রতন অবশ্য ওষুধ খেয়ে সুস্থ হল। পরপর দু’দিন কামাই করার পর রতন সবে দোকানের জন্য বেরবে। ভুলো ওর সাইকেলটা নেবে বলে এসেছে। রেণু এমন সময় এসে বলল, ‘এই ভুলো শরীর ঠিক আছে?’
ভুলো আমতা আমতা করে বলল, ‘আছি কাকিমা!’
রেণু বলল, ‘ভালো করে থাক বাবা, ছাইপাশ খাস কেন!’
ভুলো চুপ করে থাকল। রেণু বলল, ‘তুই বাজারের দিকে যেতে পারবি?’
ভুলো বলল, ‘হ্যাঁ কাকিমা। কিছু আনতে হবে?’
রেণু বলল, ‘না রে, তুই একবার ওই কেরোসিন তেলের দোকানে যেতে পারবি?’
ভুলো বলল, ‘হ্যাঁ কতটা নেবে বল!’
রেণু রান্নাঘর থেকে একটা বোতল এনে বলল, ‘ওই দোকানে গিয়ে বলবি, আগের সপ্তাহে দত্ত বাড়ির জন্য আমি এক লিটার তেল এনেছিলাম। পুরো জল মেশানো। কাল দত্ত বাড়ির চিমনি পরিষ্কার করতে এসেছিল, ও বাবা চিমনি মুছতে গিয়ে তেল ঢালতেই দেখে তেলে জল মেশানো। কাউকে বিশ্বাস করা যায় না রে আজকাল। আগে জানতাম দুধে জল মেশানো হয়, এখন দেখছি কেরোসিন তেলেও জল মেশানো! তেলে জলে যে মেশে না সে বুদ্ধি তার নেই! হাঁটু ব্যথা না হলে ওই দোকানের লোকটার মুখে আমি নিজে গিয়ে নুড়ো জ্বেলে দিতাম!’
ভুলো আর রতন দেখল রেণুর হাতে ধরা বোতলটা অলিভ রঙের। বিদেশি বোতল। লেবেলটা এখনও চকচক করছে। খুব চেনা। ওরা দু’জন দু’জনের দিকে নিষ্পলক তাকিয়ে। 

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ