Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

৯টি দুর্গাপুজো ঘিরে কান্দির ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে উন্মাদনা

কান্দি শহরের ১৭নম্বর ওয়ার্ডটি আয়তনে সবচেয়ে ছোট। তার মধ্যেই দু’টি প্রাচীন পারিবারিক পুজো ও সাতটি সর্বজনীন পুজো হচ্ছে।

৯টি দুর্গাপুজো ঘিরে কান্দির ১৭ নম্বর ওয়ার্ডে উন্মাদনা
  • ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

সংবাদদাতা, কান্দি: কান্দি শহরের ১৭নম্বর ওয়ার্ডটি আয়তনে সবচেয়ে ছোট। তার মধ্যেই দু’টি প্রাচীন পারিবারিক পুজো ও সাতটি সর্বজনীন পুজো হচ্ছে। কয়েক মিনিট হাঁটলেই এক মণ্ডপ থেকে অন্য মণ্ডপে যেতে পারবেন দর্শনার্থীরা। পুজোর আগে এলাকায় রাস্তা, আলো ও নিকাশি সমস্যা মিটিয়েছে পুরসভা।

Advertisement

এই ওয়ার্ডে সিংহবাড়ির তরফে দু’টি আলাদা পুজো করা হয়। এছাড়া, প্রভাকরপাড়া লাহিড়ীপাড়া সুভাষ সঙ্ঘ, কান্দি থানার মোড়ের আমরা তরুণ সঙ্ঘ, রাধাবাজার নতুনহাট সর্বজনীন, জয়হিন্দ পাঠাগার সমাজকল্যাণ সঙ্ঘ, প্রভাকরপাড়া মোল্লাপাড়া টাওয়ার মাঠ, প্রভাকরপাড়া মোল্লাপাড়া ধল্লাপাড়া সর্বজনীন ও ওয়ার্ডের একমাত্র মহিলা পরিচালিত প্রভাকরপাড়া সর্বজনীনের পুজো দেখতে দর্শনার্থীদের ঢল নামবে।
নেতাজি বাস টার্মিনাস থেকে কয়েকমিনিটের হাঁটা পথে এই ওয়ার্ডে পৌঁছনো যায়। আর ওয়ার্ডে ঢোকামাত্র এক এক করে মণ্ডপগুলি দেখা যাবে। স্থানীয় বাসিন্দা উৎপল দাস বলেন, এখানকার প্রতিটি মণ্ডপেই খুব ভিড় হয়। তবে কোনওদিন অশান্তি হয় না। কারণ পুজো উদ্যোক্তাদের সঙ্গে স্থানীয় বাসিন্দারাও শান্তি বজায় রাখতে রাস্তায় নামেন। অনেককেই নিজ নিজ বাড়ির সামনে রাস্তায় দাঁড়িয়ে ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতে দেখা যায়।
অপর বাসিন্দা চন্দন দেবাংশী বলেন, ওয়ার্ডের প্রতিটি পুজো জমজমাট হয়ে থাকে। তবে জায়গার অভাবে পুজো কমিটিগুলি বড় প্যান্ডেল করতে পারে না। শুধু থানার মোড়ে প্যান্ডেলের জন্য বড় জায়গা রয়েছে। প্রতিটি মণ্ডপ কাছাকাছি হওয়ায় মনে হয়, পুরো ওয়ার্ড মিলে একটিই পুজো হচ্ছে।
এলাকার বাসিন্দা বিশ্বজ্যোতি রায়, সুব্রত দাস, অলক অধিকারী জানান, পুজোর আগে থেকেই ছোটরা মণ্ডপে মণ্ডপে ভিড় জমাচ্ছে। প্রতিটি বাড়িতে ঘর সাজানো শুরু হয়েছে। পুজো উদ্যোক্তাদের তো নাওয়াখাওয়ার সময় নেই।
পুরসভার তরফেও সুষ্ঠুভাবে পুজো আয়োজনে বিশেষ নজর দেওয়া হয়েছে। স্থানীয় কাউন্সিলার তথা কান্দি রাজ উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষক দেবল দাস বলেন, ওয়ার্ডে কোনও সমস্যা ফেলে রাখতে চাই না। সোমবার রাতেও কান্দি বাজার এলাকায় নিকাশিনালার কয়েকটি স্ল্যাব মেরামত করা হয়েছে। যাতে পুজোর সময় কেউ দুর্ঘটনার শিকার না হন।
ওয়ার্ডের একমাত্র মহিলা পরিচালিত পুজো প্রভাকরপাড়া সর্বজনীন। পুজো কমিটির তরফে জ্যোৎস্না দাস, কাজল দাস বলেন, তাঁরা পুজোর সবরকম প্রস্তুতি সেরে ফেলেছেন। মহিলাদের নিয়ে একটি স্বেচ্ছাসেবী দলও গঠন করা হয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ