Bartaman Logo
২৮ মে, ২০২৬
বর্তমান / কলকাতা

৯ বছর পর অডিট কাঁচরাপাড়া পুরসভার, আর্থিক হাল ফেরাতে তত্পর বর্তমান বোর্ড

২০১৫ সাল থেকে অডিট রিপোর্ট জমা পড়েনি কাঁচরাপাড়া পুরসভার। বিভিন্ন ক্ষেত্রে বরাদ্দের টাকা আটকে গিয়েছিল

৯ বছর পর অডিট কাঁচরাপাড়া পুরসভার, আর্থিক হাল ফেরাতে তত্পর বর্তমান বোর্ড
  • ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ০৪:০০

নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাকপুর: ২০১৫ সাল থেকে অডিট রিপোর্ট জমা পড়েনি কাঁচরাপাড়া পুরসভার। বিভিন্ন ক্ষেত্রে বরাদ্দের টাকা আটকে গিয়েছিল। বিশেষ করে পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের টাকা। অডিট করার জন্য কাঁচরাপাড়া পুরসভাকে নোটিস পাঠিয়েছিল পুরদপ্তর। বর্তমান পুরবোর্ড দ্রুততার সঙ্গে গত ৯ বছরের বকেয়া অডিট করে জমা দিয়েছে এজি বেঙ্গলে। তা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে ডিরেক্টর অব লোকাল বডিস (ডিএলবি)কে। বিভিন্ন রাজ্য এবং কেন্দ্রীয় বরাদ্দের টাকা আসতে শুরু হয়েছে পুরসভায়। পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের টাকাও পেয়েছে কাঁচরাপাড়া পুরসভা। 

Advertisement

পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, অডিট রিপোর্টে দেখা গিয়েছে, ২০২৩-২৪ অর্থ বর্ষের ওই পুরসভার খরচ হয়েছিল ৩২ কোটি টাকা। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে খরচ হয়েছিল প্রায় ৩১ কোটি টাকা। যদিও পুর এলাকার ৭০ শতাংশ জমি রেলের অধীনে হওয়ায় সম্পত্তিকর বাবদ আয় হয় খুবই সামান্য। বারাকপুর শিল্পাঞ্চলের অন্যান্য পুরসভার তুলনায় যা যথেষ্ট কম। সর্বাধিক আড়াই থেকে তিন কোটি টাকা। অথচ রেলের কাছে সার্ভিস চার্জ বাবদ পুরসভার পাওনা রয়েছে কমপক্ষে ১৫ কোটি টাকা। বিজনেস হাব বলে পরিচিত জেলার এই প্রান্তিক শহরে পরিকাঠামো উন্নয়নে পুরসভার অনেক পরিকল্পনা থাকলেও অধিকাংশ জমি রেলের হওয়ায় তা অন্তরায় হয়ে দাঁড়িয়েছে। উন্নয়নমূলক কাজ করতে পারছে না পুর কর্তৃপক্ষ।
তবে বর্তমান পুরবোর্ড দ্রুত গতিতে অডিট করায় পঞ্চদশ অর্থ কমিশন, অম্রুত, আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান, পথশ্রী, প্রভৃতি প্রকল্পে টাকা আসতে শুরু হয়েছে। পথশ্রী এবং আমাদের পাড়া আমাদের সমাধান প্রকল্পে বিভিন্ন কাজও চলছে কাঁচরাপাড়া শহরজুড়ে। 
দীর্ঘদিন অডিট না করার কারণ হিসাবে প্রাক্তন চেয়ারম্যান সুদামা রায় দায়ী করেছেন অফিসারদের। সেই বিতর্কে না গিয়ে পুরসভার বর্তমান চেয়ারম্যান কমল অধিকারী জানিয়েছেন, অডিট বকেয়া থাকায় বিভিন্ন প্রকল্পের টাকা আটকে গিয়েছিল। পুরদপ্তর থেকে আমরা তা জানতে পেরে অডিট করার নির্দেশ দিয়েছি। অডিটের কাজ শেষ। আমরাও চাই আয় ব্যয়ের হিসাব পরিষ্কার থাক। এজি বেঙ্গলে রিপোর্ট চলে গিয়েছে। 

সম্পর্কিত সংবাদ