কাঠমাণ্ডু: ১৯৫৩ সালের প্রথম এভারেস্ট অভিযানের একমাত্র জীবিত শরিক ছিলেন কাঞ্চা শেরপা। বৃহস্পতিবার সকালে কাঠমাণ্ডুর কাপানে পৈতৃক বাড়িতে ৯২ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন তিনি। তাঁর নাতি তেনজিং চোগিয়াল শেরপা জানান, মারা যাওয়ার আগে শেষ ক’দিন কাঞ্চা নামচে বাজারের বাড়িতে থাকতেন। সম্প্রতি তাঁর গলায় কিছু সমস্যা হয়েছিল। তবে নব্বই বছর বয়সেও তিনি শারীরিকভাবে সুস্থই ছিলেন। শুক্রবার ভোররাত ২টো নাগাদ তিনি প্রাণ হারান।
মাত্র ১৯ বছর বয়সে কাজের খোঁজে নেপাল থেকে দার্জিলিংয়ে চলে আসেন কাঞ্চা। সেখানেই তাঁর সঙ্গে তেনজিং নোরগের দেখা হয়। ১৯৫৩ সালে তেনজিংয়ের সৌজন্যেই এভারেস্ট অভিযানের শরিক হন কাঞ্চা। ১৯৭৩ সাল পর্যন্ত তিনি পর্বতারোহণের কাজ চালিয়ে যান। পরে হিমালয় পার্বত্য অঞ্চলে আগত অভিযাত্রীদের প্রশিক্ষণ দেওয়া শুরু করেন। কাঞ্চার আসল নাম আং ফুরবা শেরপা। তিনি কখনও এভারেস্টের চূড়ায় ওঠেননি। তবে তাঁর দীর্ঘ অভিজ্ঞতা বহু অভিযাত্রীকে সর্বোচ্চ শৃঙ্গ জয়ের সেই সুযোগ করে দিয়েছিল। তাঁর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন প্রবীণ অভিযাত্রী আং শেরিং শেরপা। কাঞ্চাকে যাতে রাষ্ট্রীয় সম্মানে বিদায় জানানো হয়, সে ব্যাপারে নেপাল সরকারের কাছে তিনি আর্জি জানিয়েছেন। -ফাইল চিত্র