নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: কালীপুজোর সময় ভিড়ে ঠাসা থাকে বারাসত ও মধ্যমগ্রাম। দর্শনার্থীদের সুবিধার্থে এবার তিনটি জায়গায় পার্কিং জোন করতে চলেছে বারাসত জেলা পুলিশ। পাশাপাশি সাধারণ বাসিন্দাদের যাতায়াতে যাতে সমস্যা না হয়, তারজন্য স্থানীয় পুলিশ দিয়েই নো-এন্ট্রি জোন সামলানো হবে বলে সিদ্ধান্ত হয়েছে। তবে প্রত্যেক বাসিন্দাকেই সঙ্গে প্রমাণপত্র রাখতে হবে। ১৭ অক্টোবর থেকেই শুরু হয়ে যাচ্ছে পুজো উদ্বোধন। সেদিন থেকেই বিগ বাজেটের একাধিক পুজোর মণ্ডপে প্রবেশ করতে পারবেন দর্শনার্থীরা। পুলিশের এক কর্তার কথায়, বড় পুজোগুলি উদ্বোধন হবে ১৭ ও ১৮ অক্টোবর। শুক্রবার পুলিশ সুপার এবারের পুজোর গাইডলাইন প্রকাশ করবেন। বারাসত শহরে বিগ বাজেটের একাধিক কালীপুজো হয়। পুজো ক’টা দিন দর্শনার্থীদের ভিড় উপচে পড়ে প্রতিটি মণ্ডপে। দুপুর ২টোর পর থেকেই বিভিন্ন সড়ক চলে যায় দর্শনার্থীদের দখলে। তাই আগেভাগে বেশ কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করে বারাসত জেলা পুলিশ। ভিড়ের ঠেলায় এবারও স্থানীয় বাসিন্দারা ভোগান্তির এখন থেকেই প্রহর গুনতে শুরু করেছেন। এতে লাগাম টানতে উদ্যোগী হয়েছে বারাসত পুলিশ জেলা। পাশাপাশি যে সমস্ত গাড়ির মালিককে ভেহিকেল পাস দেওয়া হয়, সেগুলি পার্কিংয়ের জন্য তিনটি পৃথক জায়গা করা হচ্ছে। একটি করা হবে ১১ নম্বর রেলগেট এলাকায়, দ্বিতীয়টি হেলাবটতলা ও তৃতীয়টি শেঠপুকুর এলাকায়। প্রাথমিকভাবে পুলিশ এই তিনটি জায়গাকে চিহ্নিত করে রেখেছে। তবে জাতীয় সড়কে যান নিয়ন্ত্রণ করাটাই চ্যালেঞ্জ পুলিশের কাছে। এবার পুলিশি ব্যবস্থায় থাকছে বেশ কিছু নয়া উদ্যোগ। তা নিয়ে শুক্রবার সাংবাদিক সম্মেলন করবেন বারাসত পুলিশ জেলার সুপার প্রতীক্ষা ঝাড়খারিয়া। শহরের বেশ কয়েকটি রাস্তার উপর বসানো হয়েছে একাধিক বিপজ্জনক তোরণ। সেক্ষেত্রে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। পুলিশ আজ কী বার্তা দেয়, সেদিকেই তাকিয়ে বাসিন্দারা। নিজস্ব চিত্র



