নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: দ্বিতীয় দফার ভোটের প্রাক্কালে নদীয়া জেলায় রাজনৈতিক তাপমাত্রা ক্রমেই চড়ছে। মেরুকরণ বনাম ‘বাংলার অস্মিতা’—এই দুই ভিন্ন রাজনৈতিক বয়ানকে সামনে রেখে শাসক ও বিরোধী শিবির কার্যত সর্বশক্তি নিয়ে মাঠে নেমেছে। একদিকে অমিত শাহ-সহ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের ঘনঘন সফর, অন্যদিকে তৃণমূলের প্রচারে টলিউড তারকাদের উপস্থিতি—দুই মিলিয়ে জমে উঠেছে নির্বাচনি লড়াই। রবিবাসরীয় প্রচারে আজ বিজেপির তরফে নদীয়ায় আসছেন একাধিক হেভিওয়েট নেতা। জানা গিয়েছে, রানাঘাট দক্ষিণ ও তেহট্ট বিধানসভায় দলীয় প্রার্থীদের সমর্থনে সভা করবেন অমিত শাহ। পাশাপাশি শান্তিপুরে প্রচারে নামছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন। চাপড়া কেন্দ্রে প্রার্থী সৈকত সরকারের সমর্থনে সভা করবেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা। তার আগে শনিবার নবদ্বীপে প্রচারে এসে গিয়েছেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। যোগীর ভাষণের পরতে পরতে মিশে ছিল মেরুকরণের রাজনীতি। রাজনৈতিক মহলের মতে, সীমান্তবর্তী নদীয়া জেলার সামাজিক ও ধর্মীয় বৈচিত্র্যকে মাথায় রেখেই বিজেপি তাদের প্রচারে মেরুকরণের ইস্যুকে আরও ধারালো করতে চাইছে। কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের ধারাবাহিক উপস্থিতি সেই কৌশলেরই অংশ বলে মনে করা হচ্ছে। বিশেষ করে লোকসভা নির্বাচনের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে বিধানসভা পর্যায়ে সংগঠনকে চাঙ্গা করাই বিজেপির মূল লক্ষ্য।



