নিজস্ব প্রতিনিধি, কলকাতা: মুর্শিদাবাদের জাফরাবাদের নিহত বাবা-ছেলের পরিবারের দায়ের করা মামলা থেকে সরে দাঁড়ালেন বিচারপতি তীর্থঙ্কর ঘোষ। মুর্শিদাবাদ সংক্রান্ত জনস্বার্থ মামলাটি প্রধান বিচারপতি অন্য বেঞ্চে পাঠিয়েছেন। তাই এই মামলা কোন বেঞ্চ শুনবে, সেটি ঠিক করার জন্য মামলাকারীকে প্রধান বিচারপতির দ্বারস্থ হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন বিচারপতি ঘোষ।তবে এদিন এই মামলা চলাকালীন বিচারপতি ঘোষের এজলাসে বিশৃঙ্খলা তৈরি হয়। তার ফলে বিরক্ত বিচারপতি আইনজীবীদের উদ্দেশে বলেন, ‘এখন আইনজীবীরা তাঁদের রাজনৈতিক মক্কেলদের সঙ্গে নিজেদের মিলিয়ে ফেলছেন। তাই আইনজীবীরাও রাজনীতিবিদদের মতো আচরণ করে ফেলছেন। এটা দুর্ভাগ্যের।’ পুলিসের বিরুদ্ধে অতিসক্রিয়তার অভিযোগ তুলে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় জাফরাবাদের নিহত বাবা-ছেলের পরিবার। অভিযোগ, মুর্শিদাবাদে উত্তাল পরিস্থিতির পর জাফরাবাদের পরিবারটি কলকাতায় চলে আসে। বর্তমানে তাঁরা বিধাননগরে একটি সেফ হাউসে রয়েছে। অথচ পুলিসের দাবি, তাদের অপহরণ করা হয়েছে। তাদের উদ্ধারের চেষ্টা করে পুলিস। অভিযোগ, রবিবার রাতে বিধাননগর পূর্ব থানার ৪০ জন পুলিস আধিকারিক বিধাননগরের সেফ হাউসে যায়। দরজা ভেঙেই ওই পরিবারের লোকজনকে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হয়। এজন্য তারা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়। অন্যদিকে, মুর্শিদাবাদের ঘটনার প্রতিবাদে এবং নিহতদের পরিবারের পাশে দাঁড়িয়ে রাজ্য মানবাধিকার কমিশনের সামনে ধর্না দিতে চেয়েছিল বিজেপি সমর্থিত একটি সংগঠন। মানবাধিকার কমিশনের অফিসের বদলে তাদের সল্টলেকের সেন্ট্রাল পার্কের সামনে ধর্নার কর্মসূচি চালাতে অনুমতি দিয়েছে হাইকোর্ট।



