সংবাদদাতা, ঘাটাল: পড়ুয়াদের সামুদ্রিক প্রাণী চেনাতে স্কুলেই অভিনব সংগ্রহশালা তৈরি করেছিলেন ঘাটাল মহকুমার চন্দ্রকোণা জিরাট হাইস্কুলের জীববিজ্ঞানের শিক্ষক শুভঙ্কর ঘোষ। সেই সুবাদে আইআইটি গুয়াহাটিতে দশম ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল সায়েন্স ফেস্টিভ্যালে যোগদানের আমন্ত্রণ পেলেন তিনি। ভারত সরকারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রকের উদ্যোগে এই সম্মেলন শনিবার থেকে শুরু হয়ে ৩ ডিসেম্বর অবধি চলবে। এতে অংশগ্রহণের জন্য সারা দেশ থেকে আটজন শিক্ষক-শিক্ষিকাকে বাছাই করা হয়েছে। তার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ থেকে একমাত্র শুভঙ্করবাবু সুযোগ পেয়েছেন।
Advertisement
জিরাট হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক শুভ্রকান্তি ঘোষ বলেন, পদার্থবিদ্যা, রসায়ন ও জীববিদ্যা বিষয়ক উদ্ভাবনী কার্যক্রমে উল্লেখযোগ্য অবদানের জন্য ওই বিজ্ঞান উৎসবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। সারা দেশের স্কুল ও কলেজস্তরের বিজ্ঞান শিক্ষকদের মধ্যে থেকে আটজনকে বাছাই করা হয়েছিল। এরাজ্য থেকে শুধুমাত্র আমাদের স্কুলের শিক্ষক সেখানে বক্তব্য পেশ করার সুযোগ পেয়েছেন। এটা স্কুলের শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীদের খুব উৎসাহিত করেছে।
দু’বছর আগে ওই বিদ্যালয়ে শুভঙ্করবাবুর উদ্যোগে একটি সামুদ্রিক প্রাণী সংগ্রহশালা তৈরি হয়েছে। সেখানে শতাধিক প্রজাতির সামুদ্রিক প্রাণী রয়েছে। স্কুলেরই ছাত্রছাত্রীরা বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে গিয়ে এসব প্রাণী সংগ্রহ করেছে। সংরক্ষিত প্রত্যেকটি প্রাণীর জারের পাশে সেই প্রাণীর সঠিক নাম, বিজ্ঞানসম্মত নাম ও বৈশিষ্ট্য লেখা হয়েছে। ছাত্রছাত্রীদের জীববিদ্যার পাঠ দিতে ওই সংগ্রহশালা খুবই কাজে লাগছে। স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জেলার আর কোনও বিদ্যালয়ে এরকম সংগ্রহশালা নেই।
শুভঙ্করবাবু বলেন, প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক ও পরিচালন সমিতি ওই সংগ্রহশালা তৈরিতে নানাভাবে সহযোগিতা করেছেন। তাঁদের সহযোগিতা ছাড়া ওই সংগ্রহশালাটি গড়া সম্ভব হতো না।
কীভাবে কম খরচে স্কুলে সামুদ্রিক প্রাণী সংরক্ষণ করা যায়, কীভাবে এই সংগ্রহশালার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সহজে ও মজার সঙ্গে জীববিজ্ঞানের ধারণা দেওয়া যাবে-সেবিষয়ে বক্তব্য পেশ করার জন্য শুভঙ্করবাবুকে ওই বিজ্ঞান উৎসবে আমন্ত্রণ করা হয়েছে। এদিন তিনি বিজ্ঞান উৎসবে অংশগ্রহণও করেছেন।
এই সম্মেলন দেশের নির্বাচিত বিজ্ঞান শিক্ষকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম। সেখানে তাঁরা একে অপরের সঙ্গে নতুন জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেবেন। শুভঙ্করবাবুর এই স্বীকৃতি শুধু চন্দ্রকোণা নয়, সারা পশ্চিমবঙ্গের গর্ব। বিজ্ঞানশিক্ষার প্রসারে তাঁর অভিনব উদ্যোগ সারা দেশের শিক্ষকদের কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে উঠবে।
দু’বছর আগে ওই বিদ্যালয়ে শুভঙ্করবাবুর উদ্যোগে একটি সামুদ্রিক প্রাণী সংগ্রহশালা তৈরি হয়েছে। সেখানে শতাধিক প্রজাতির সামুদ্রিক প্রাণী রয়েছে। স্কুলেরই ছাত্রছাত্রীরা বিভিন্ন জায়গায় ঘুরতে গিয়ে এসব প্রাণী সংগ্রহ করেছে। সংরক্ষিত প্রত্যেকটি প্রাণীর জারের পাশে সেই প্রাণীর সঠিক নাম, বিজ্ঞানসম্মত নাম ও বৈশিষ্ট্য লেখা হয়েছে। ছাত্রছাত্রীদের জীববিদ্যার পাঠ দিতে ওই সংগ্রহশালা খুবই কাজে লাগছে। স্কুল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, জেলার আর কোনও বিদ্যালয়ে এরকম সংগ্রহশালা নেই।
শুভঙ্করবাবু বলেন, প্রধান শিক্ষক, সহকারী প্রধান শিক্ষক ও পরিচালন সমিতি ওই সংগ্রহশালা তৈরিতে নানাভাবে সহযোগিতা করেছেন। তাঁদের সহযোগিতা ছাড়া ওই সংগ্রহশালাটি গড়া সম্ভব হতো না।
কীভাবে কম খরচে স্কুলে সামুদ্রিক প্রাণী সংরক্ষণ করা যায়, কীভাবে এই সংগ্রহশালার মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের সহজে ও মজার সঙ্গে জীববিজ্ঞানের ধারণা দেওয়া যাবে-সেবিষয়ে বক্তব্য পেশ করার জন্য শুভঙ্করবাবুকে ওই বিজ্ঞান উৎসবে আমন্ত্রণ করা হয়েছে। এদিন তিনি বিজ্ঞান উৎসবে অংশগ্রহণও করেছেন।
এই সম্মেলন দেশের নির্বাচিত বিজ্ঞান শিক্ষকদের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম। সেখানে তাঁরা একে অপরের সঙ্গে নতুন জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেবেন। শুভঙ্করবাবুর এই স্বীকৃতি শুধু চন্দ্রকোণা নয়, সারা পশ্চিমবঙ্গের গর্ব। বিজ্ঞানশিক্ষার প্রসারে তাঁর অভিনব উদ্যোগ সারা দেশের শিক্ষকদের কাছে অনুপ্রেরণা হয়ে উঠবে।



