নিজস্ব প্রতিনিধি, রানাঘাট: রানাঘাটের ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক লাগোয়া সার্ভিস রোডের পাশে নিচু জমি প্রশাসনের নাকের ডগায় দিনের পর দিন দখল হয়ে যাচ্ছে। অনেকক্ষেত্রেই এর পেছনে রাজনৈতিক মদত রয়েছে। একেই জাতীয় সড়কে ভালো নিকাশি ব্যবস্থা নেই। তার উপর দিনের পর দিন নিচু জমি ভরাট করে দোকান হলে জল জমার যে সমস্যা হবে-তার দায় কে নেবে? এই জমি দখল রুখতে প্রশাসনের কড়া ব্যবস্থার দাবি উঠেছে।
Advertisement
রানাঘাট পুরসভার চেয়ারম্যান কোশলদেব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ওই জমি জাতীয় সড়কের। তাই পুরসভার ক্ষমতা সীমিত। তবু আমরা বিষয়টি পুলিসের নজরে এনেছি। জাতীয় সড়ক সম্প্রসারণ কর্তৃপক্ষের প্রজেক্ট ডিরেক্টর অমিত কুমার ফোন না তোলায় তাঁর বক্তব্য জানা যায়নি।
রাজনৈতিক মদতে সরকারি জমি দখল রাজ্যের সর্বত্রই ঘটে। আবার অনেকসময় মাথার উপর নেতাদের হাত ছাড়াই অনেকে সরকারি জমি দখল করে বসে যান। রানাঘাট শহরেও উভয় কারণেই বহু সরকারি জমি ও ফুটপাথ দখল হয়ে গিয়েছে। এবার দখলদারদের নজর পড়েছে জাতীয় সড়ক লাগোয়া সার্ভিস রোডের পাশে থাকা নিচু জমিতে।
জাতীয় সড়ক তৈরির সময় যে জমি অধিগ্রহণ হয়েছিল, তার মধ্যে সার্ভিস রোডে পোল্ট্রি ফার্মের কাছে নিচু জমি রয়েছে। নিকাশিনালা ও পোল্ট্রি ফার্মের সীমানাপ্রাচীরের মাঝে প্রায় পাঁচ ফুট চওড়া সেই জমি দখল হয়ে যাচ্ছে। কেউ বাঁশের মাচা, আবার কেউ মাটি ভরাট করে দোকান তৈরি করছে। এমনিতেই জাতীয় সড়ক তৈরির সময় নীল নকশায় ক্রটির জন্য নিকাশিনালা যথেষ্ট পরিমাণে বৃষ্টির জল বহন করতে পারে না। ফলে চূর্ণী নদী ঘেঁষা রানাঘাট শহরেও এখন মাঝেমধ্যেই অতিবৃষ্টিতে জল জমার ঘটনা ঘটছে।
রাজনৈতিক মদতে সরকারি জমি দখল রাজ্যের সর্বত্রই ঘটে। আবার অনেকসময় মাথার উপর নেতাদের হাত ছাড়াই অনেকে সরকারি জমি দখল করে বসে যান। রানাঘাট শহরেও উভয় কারণেই বহু সরকারি জমি ও ফুটপাথ দখল হয়ে গিয়েছে। এবার দখলদারদের নজর পড়েছে জাতীয় সড়ক লাগোয়া সার্ভিস রোডের পাশে থাকা নিচু জমিতে।
জাতীয় সড়ক তৈরির সময় যে জমি অধিগ্রহণ হয়েছিল, তার মধ্যে সার্ভিস রোডে পোল্ট্রি ফার্মের কাছে নিচু জমি রয়েছে। নিকাশিনালা ও পোল্ট্রি ফার্মের সীমানাপ্রাচীরের মাঝে প্রায় পাঁচ ফুট চওড়া সেই জমি দখল হয়ে যাচ্ছে। কেউ বাঁশের মাচা, আবার কেউ মাটি ভরাট করে দোকান তৈরি করছে। এমনিতেই জাতীয় সড়ক তৈরির সময় নীল নকশায় ক্রটির জন্য নিকাশিনালা যথেষ্ট পরিমাণে বৃষ্টির জল বহন করতে পারে না। ফলে চূর্ণী নদী ঘেঁষা রানাঘাট শহরেও এখন মাঝেমধ্যেই অতিবৃষ্টিতে জল জমার ঘটনা ঘটছে।



