সংবাদদাতা, হরিশ্চন্দ্রপুর: দিনে ও রাতে জাতীয় সড়কে যত্রতত্র দাঁড়িয়ে থাকছে লরি ও ডাম্পার। রাস্তার ধারে গাড়ি দাঁড়িয়ে রাখায় শীতে ঘন কুয়াশায় দুর্ঘটনার আশঙ্কা করছেন চালক সহ স্থানীয়রা।
Advertisement
এলাকাবাসীর অভিযোগ, হরিশ্চন্দ্রপুরগামী ৩১ নং জাতীয় সড়কে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার কনুয়া ও রহমতপুর এলাকায় রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে থাকছে লরি ও ডাম্পার সহ অন্য গাড়ি। এমনকী রাতে দাঁড়িয়ে থাকা গাড়িগুলিতে কোনওরকম আলোও জ্বলে না। দ্রুত বেআইনি পার্কিংয়ের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন বাসিন্দারা। হরিশ্চন্দ্রপুর থানার ট্রাফিক ইনচার্জ নিখিল চৌধুরী বলেন, দিনে ও রাতে জাতীয় সড়কে নজরদারি চালানো হয়।
জাতীয় সড়ক আগের চেয়ে অনেক চওড়া হলেও এবং একমুখী গাড়ি চলাচলের ব্যবস্থা থাকলেও দুর্ঘটনা কমেনি। স্থানীয়দের বক্তব্য, জাতীয় সড়কের ধারে গাড়ি দাঁড় করিয়ে রাখার প্রবণতা বাড়ছে। স্থানীয় বাসিন্দা রুহুল আমিন বলেন,হরিশ্চন্দ্রপুর গামী ৩১ নং জাতীয় সড়ক একটি ব্যস্ততম রাস্তা। অসংখ্য গাড়ি চলে। এমনকী সারারাত গাড়ি চলে। রাস্তার ধারে আলোর ব্যবস্থা নেই। অন্য গাড়ি ধাক্কা লেগে দুর্ঘটনাও ঘটতে পারে। হরিশ্চন্দ্রপুর থানার আইসি মনোজিৎ সরকার বলেন, জাতীয় সড়কের উপর গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকলে পুলিস ব্যবস্থা নেয়। প্রয়োজনে পুলিসের পক্ষ থেকে আরও পদক্ষেপ করা হবে।
জাতীয় সড়ক আগের চেয়ে অনেক চওড়া হলেও এবং একমুখী গাড়ি চলাচলের ব্যবস্থা থাকলেও দুর্ঘটনা কমেনি। স্থানীয়দের বক্তব্য, জাতীয় সড়কের ধারে গাড়ি দাঁড় করিয়ে রাখার প্রবণতা বাড়ছে। স্থানীয় বাসিন্দা রুহুল আমিন বলেন,হরিশ্চন্দ্রপুর গামী ৩১ নং জাতীয় সড়ক একটি ব্যস্ততম রাস্তা। অসংখ্য গাড়ি চলে। এমনকী সারারাত গাড়ি চলে। রাস্তার ধারে আলোর ব্যবস্থা নেই। অন্য গাড়ি ধাক্কা লেগে দুর্ঘটনাও ঘটতে পারে। হরিশ্চন্দ্রপুর থানার আইসি মনোজিৎ সরকার বলেন, জাতীয় সড়কের উপর গাড়ি দাঁড়িয়ে থাকলে পুলিস ব্যবস্থা নেয়। প্রয়োজনে পুলিসের পক্ষ থেকে আরও পদক্ষেপ করা হবে।



