সংবাদদাতা, নকশালবাড়ি: বেহাল দশায় মরণফাঁদের রূপ নিয়েছে খড়িবাড়ির ৩২৭নম্বর জাতীয় সড়ক। গত দু’সপ্তাহে সড়ক দুর্ঘটনায় এক তরুণী সহ তিনজন প্রাণ হারিয়েছেন। একাধিক জন জখম হয়েছেন। এর পুনরাবৃত্তি রুখতে রাস্তা মেরামতের দাবি জানিয়েছেন সাধারণ মানুষ। মাসখানেক ধরে খড়িবাড়ি ব্লকের পানিট্যাঙ্কি থেকে চেক্করমারি পর্যন্ত ১৫ কিমি জাতীয় সড়ক জরাজীর্ণ অবস্থায় রয়েছে। বিভিন্ন এলাকায় খানাখন্দ হয়েছে। পানিট্যাঙ্কি, বোলাইঝোড়া, অধিকারি, ভাল্লুকগড়া, ধাকরু মোড়, পিডব্লুডি মোড় সংলগ্ন সড়কে পিচের আস্তরণ উঠেছে। বড় বড় গর্ত তৈরি হয়েছে। একইসঙ্গে ধুলোয় চলাচল দুর্বিষহ হয়ে উঠেছে। এতে মাঝেমধ্যেই ছোটবড় দুর্ঘটনা ঘটেছে।
Advertisement
দুধগেট এলাকার এক বাইকচালক গৌর রাই বলেন, দৈনিক এই রাস্তা দিয়ে খড়িবাড়ি স্কুলগুলিগুলিতে বাচ্চারা যায়। তবে রাস্তার গর্ত দেখে খুবই ভয় লাগে। পানিট্যাঙ্কির এক বাসিন্দা বসন্ত বর্মন বলেন, গ্রামীণ হাসপাতাল, বিডিও অফিস যেতে হলে এই রাস্তাই ভরসা। অথচ, বিহার বাংলার গুরুত্বপূর্ণ জাতীয়সড়ক মেরামত নিয়ে বিন্দুমাত্র প্রশাসনের বিন্দুমাত্র চিন্তা বলেই অভিযোগ। গত ২৩ নভেম্বর ব্লকের অধিকারি সংলগ্ন জাতীয় সড়কে পিকআপ ভ্যানের ধাক্কায় টোটোর এক যাত্রীর ঘটনাস্থলেই মারা যায়। জখম হন আরও দু’জন। এরপর ২৮ নভেম্বর পানিট্যাঙ্কি সংলগ্ন গণ্ডগোলজোতে একটি ছোট গাড়ি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বাইক ধাক্কা দেয়। তাতে বাইকের দু’জন গুরুতর জখম হন। দুই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই সম্প্রতি পানিট্যাঙ্কিতে লরির ধাক্কায় অপর লরিচালকের মৃত্যু হয়। যদিও রাস্তা মেরামতের কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন ৩২৭ নম্বর জাতীয় সড়কের জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার কৌশিক বিশ্বাস। তিনি বলেন, রাস্তা মেরামতের কাজ চলছে। ব্লকের ১৫কিমি রাস্তা নির্মাণের জন্য ডিপিআর তৈরি হয়েছে। সম্ভবত, বর্ষার আগে টেন্ডার মারফত কাজ শুরু হয়ে যাবে।



