সংবাদদাতা, ইটাহার: জাতীয় সড়কের মাঝে কংক্রিটের ডিভাইডার কেটে বিপজ্জনকভাবে চলছে পারাপার। ফলে প্রতিদিনই ছোটবড় দুর্ঘটনা ঘটছে বলে অভিযোগ। অবৈধভাবে ডিভাইডার কাটা রুখতে বৃহস্পতিবার ইটাহার থানার দুর্গাপুর রাজবাড়ি থেকে চেকপোস্ট পর্যন্ত জাতীয় সড়ক পরিদর্শন করলেন বিডিও, আইসি ও হাইওয়ে কর্তৃপক্ষের আধিকারিকরা। এবং অবৈধভাবে ডিভাইডারগুলি বন্ধ করার নির্দেশ দেন কর্তারা।
Advertisement
দুর্গাপুর থেকে চেকপোস্ট পর্যন্ত প্রায় ৩০ কিমি জুড়ে রয়েছে ১২ নম্বর জাতীয় সড়ক। প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, এই রাস্তায় ১২ টি অবৈধ ও ৯ টি বৈধ কাটিং রয়েছে। অভিযোগ, ব্যস্ততম এই জাতীয় সড়কের মাঝে কংক্রিটের ডিভাইডার কেটে বিপদের ঝুঁকি নিয়ে রাস্তা পারাপার করছেন স্থানীয়রা। শুধু মানুষ নয়, টোটো, বাইক, ছোট চারচাকার গাড়ি, ভুটভুটি, সাইকেলও সড়ক পারাপার করছে। বিপজ্জনকভাবে রাস্তা পারাপারে চলতি মাসে ১০ থেকে ১২ টি ছোটবড় দুর্ঘটনাও ঘটেছে। কোথাও কোথাও অবৈধ কাটিংয়ের পাশে রয়েছে প্রাথমিক ও উচ্চ বিদ্যালয়। ফলে দুর্ঘটনার ঝুঁকি থাকছে স্কুল পড়ুয়াদেরও। ট্রাফিক পুলিস ও হাইওয়ে কর্তৃপক্ষের রোড সেফটি বিভাগের তরফে প্রতিনিয়ত সচেতনতামূলক প্রচার অভিযান সহ সিভিক ভলান্টিয়ার মোতায়েনের পরও বন্ধ হচ্ছে না অবৈধ পারাপার। তাই ইটাহারের বিডিও দিব্যেন্দু সরকার, আইসি সুকুমার ঘোষ, ট্রাফিক ওসি জয়দেব বর্মন ও হাইওয়ে কর্তৃপক্ষের প্রোজেক্ট ম্যানেজার (মার্কো লাইন) অবনিশ মিশ্রকে সঙ্গে নিয়ে যৌথভাবে পরিদর্শন করলেন। বিডিওকে কাছে পেয়ে ঘুরপথে যাতায়াতের সমস্যার কথাও জানালেন কোয়ারপুরের বাসিন্দা রফিকুল ইসলাম। তিনি বাসিন্দাদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য কাটিং বন্ধ না করার আবেদন জানান। রফিকুল বলেন, এই কাটিং বন্ধ করলে প্রায় ১ কিমি ঘুরে গাড়ি নিয়ে রাস্তা পার হতে হবে। তবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে স্থানীয় বাসিন্দাদের বিপদের কথা বোঝানো হয়। বিডিও জানান, ১২ টি জায়গায় অবৈধ কাটিং বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে আগামীদিনে দুর্ঘটনা অনেকটা কমবে। হাইওয়ে কর্তৃপক্ষের প্রজেক্ট ম্যানেজার জানান, চলতি সপ্তাহের মধ্যে সমস্ত অবৈধ কাটিং বন্ধ করা হবে।



