Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

জাতীয় ও রাজ্যস্তরের খেলায় সাফল্য পুরশুড়ার ৩ স্কুলছাত্রীর  

জাতীয় ও রাজ্যস্তরের খেলায় সাফল্য পুরশুড়ার ৩ স্কুলছাত্রীর
 
  • ১৪ জানুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি, আরামবাগ: জাতীয় ও রাজ্যস্তরের খেলায় প্রতিযোগিতায় সফল হয়ে তাক লাগাল পুরশুড়ার ভাঙামোড়া সারদামণি বালিকা বিদ্যালয়ের তিন ছাত্রী। ওই স্কুলের দশম শ্রেণির ছাত্রী নন্দিনী সাঁতরা জাতীয়স্তরের স্কুল গেমসের লংজাম্প প্রতিযোগিতায় তৃতীয় স্থান দখল করেছে। সপ্তম শ্রেণির ঈশিকা মাজি ও প্রিয়াঙ্কা রায় রাজ্যস্তরে কাবাডি ও তাইকোন্ডো প্রতিযোগিতায় সাফল্য পেয়েছে। সম্প্রতি রাজ্যের তরফে নন্দিনীকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
Advertisement
ওই বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষিকা রীতা সাঁতরা বলেন, ওদের সাফল্যে আমরা খুশি। ওই তিন ছাত্রীর খেলাধুলো দেখে বাকি ছাত্রীরাও উৎসাহিত হবে। ওরা যাতে উচ্চশিক্ষাও লাভ করে, সেই দিকটাও দেখতে হবে। স্কুলের শারীরশিক্ষার শিক্ষিকা স্বপ্না পাঁজা বলেন, আমরা নিয়মিত ছাত্রীদের পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলো নিয়েও উৎসাহিত করি। এই তিন ছাত্রী উল্লেখযোগ্য সাফল্য পেয়েছে। নন্দিনী পুরশুড়ার খুশিগঞ্জের সাহাপুরের বাসিন্দা। সে জাতীয় স্তরে লংজাম্প প্রতিযোগিতায় তৃতীয় স্থান দখল করেছে। দৌড়েও সে রাজ্যস্তরে সফল হয়ে জাতীয় পর্যায়ে অংশ নিয়েছিল। গতবছরের নভেম্বর মাসে ৬৮তম স্কুল গেমস অ্যান্ড স্পোর্টসের ওই অনূর্ধ্ব-১৭ প্রতিযোগিতা উত্তরপ্রদেশের লখনউতে হয়েছিল। নন্দিনীর বাবা নকুল সাঁতরা চাষি। মা টুসীদেবী গৃহবধূ। নন্দিনী প্রাথমিকস্তরে পড়াশোনার সময় থেকেই স্বর্ণপদক জিতেছে। বাবার কাছেই অ্যাথলেটিকে হাতেখড়ি। এখন হরিপালে সৌমেন বাগের কাছে সে প্রশিক্ষণ নেয়। নন্দিনীর মা বলেন, আমাদের স্বপ্ন মেয়ে একদিন অলিম্পিকে খেলবে। তবে তার জন্য সরকারি সাহায্য প্রয়োজন। ওই স্কুলেরই ঈশিকা মাজি সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী। সে অনূর্ধ্ব-১৪ কাবাডি প্রতিযোগিতায় হুগলি জেলা টিমের হয়ে খেলে চ্যাম্পিয়ন হয়। তার বাড়ি পূর্ব বর্ধমান জেলার মাধবডিহি থানার হদিলপুরে। ঈশিকার বাবা দীপকচন্দ্র মাজি পেশায় চাষি। মা পম্পিতাদেবী গৃহবধূ। তাঁরা বলেন, মেয়ে খেলাধুলোয় এগিয়ে যাক এটাই চাই। স্কুলের শিক্ষিকা সাহায্য করেন।দশম শ্রেণির ছাত্রী প্রিয়াঙ্কা রায়ের বাড়ি ভাঙামোড়া গ্রামেই। বাবা সুকুমার রায় পেশায় রাজমিস্ত্রি। মা পরমা রায় গৃহবধূ। প্রিয়াঙ্কা তাইকোন্ডো প্রতিযোগিতায় রাজ্যস্তরে তৃতীয় স্থান দখল করেছে। অনূর্ধ্ব-১৯স্তরে খেলে সে সাফল্য পেয়েছে। প্রিয়াঙ্কা বলে, তাইকোন্ডো নিয়ে এগিয়ে যেতে চাই। এজন্য কিছু প্রয়োজনীয় সামগ্রী দরকার। 
সম্পর্কিত সংবাদ