নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: কালীপুজোর পর থেকে জেলাজুড়ে দেদার জুয়ার আসর বসছে। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পরিত্যক্ত বাড়ি, ফাঁকা মাঠ বা নদীর চরে জুয়াখেলা হচ্ছে। হেরে সর্বস্বান্ত হলেও জুয়াড়িরা আশা ছাড়ছে না। তাই চড়া সুদে মোটা অঙ্কের টাকা ধার নিয়ে জুয়ার বোর্ডে ফেলছে। কোথাও কোথাও সুদের হার ৩০ শতাংশ। অর্থাৎ এক লাখ টাকা ধার নিলে দিতে হবে ১ লক্ষ ৩০ হাজার টাকা। টাকা ধার নিয়ে হেরে গেলেই শোধ দিতে ঘটিবাটি বিক্রির জোগাড়। কারণ প্রতি মাসে চক্রবৃদ্ধি হারে সুদ বাড়ছে। যা আদায় করতে গিয়ে বিভিন্ন এলাকায় অশান্তি শুরু হচ্ছে। কোথাও শাসানি, আবার কোথাও মারধর চলছে। ফলে জেলার আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হচ্ছে।
Advertisement
বিষয়টি নিয়ে পুলিসও উদ্বিগ্ন। জেলা পুলিসের এক আধিকারিক বলেন, প্রতি থানা এলাকায় রোজ অভিযান চালানো হচ্ছে। বহু জুয়াড়ি ও টাকা উদ্ধার হচ্ছে। এর ফলে এখন প্রত্যন্ত এলাকায় জুয়ার আসর বসানো হচ্ছে। তাও আমরা সাধ্যমতো সমস্ত জায়গায় নজরদারি চালাচ্ছি। অনেকেই জুয়া খেলতে গিয়ে সর্বস্বান্ত হচ্ছে। সেই সুযোগে সুদের কারবারিরা চড়া সুদের হারে টাকা ধার দিচ্ছে। সেই টাকা আদায় করতে গিয়েই সমস্যা হচ্ছে। আমরা কয়েকদিনে বিভিন্ন এলাকা থেকে জুয়াড়ি ছাড়াও বেশ কিছু সুদের কারবারিকে পাকড়াও করেছি।
বহরমপুর, বেলডাঙা, রেজিনগর, মুর্শিদাবাদ, রানিনগর, ডোমকল, রানিতলা, ভগবানগোলা, লালগোলায় জুয়ার আসর রমরমিয়ে চলছে। প্রতি জায়গাতেই নগদ টাকা নিয়ে পৌঁছে যাচ্ছে সুদের কারবারিরা। পরিচিত জুয়াড়িদের সহজেই টাকা ধার দিচ্ছে। কোনও জুয়াড়ি জিতলে সঙ্গে সঙ্গেই সুদসহ টাকা ফেরত নিয়ে নিচ্ছে। সেই টাকা একই বোর্ডে লাগাচ্ছে। এভাবে একবেলায় দুই-তিনবার টাকা খাটিয়ে দ্বিগুণ, তিনগুণ লাভ করে বাড়ি ফিরছে। কিন্তু কোনও জুয়াড়ি ধারের টাকা হেরে গেলে, তাকে নানাভাবে চাপ দিয়ে টাকা আদায় করা হচ্ছে।
কয়েকদিন আগেই বেলডাঙার এক বড় সুদের কারবারিকে পুলিস পাকড়াও করেছিল। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিস জানতে পেরেছে, কীভাবে এই চক্র চলে। সে পুলিসকে জানিয়েছে, পয়সাওয়ালা জুয়াড়িদেরই সে টাকা ধার দিত। যাতে ওই জুয়াড়ি হেরে গেলে টাকা পেতে অসুবিধা না হয়। অনেক জুয়াড়ি একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা বোর্ডে লাগায়।
সেই টাকা হেরে গেলে তা পরের রাউন্ড থেকেই তুলে নেওয়ার চেষ্টা করে। সেজন্য তৎক্ষণাৎ আরও টাকার দরকার হয়। সেই সুযোগের অপেক্ষাতেই সুদের কারবারিরা বোর্ডের আশপাশে ঘোরাঘুরি করে। সুযোগ বুঝে মোটা অঙ্কের টাকা ধার দেয়। এই অবৈধ কারবার বন্ধে পুলিস কড়া ব্যবস্থা নিক-চাইছেন জেলার বাসিন্দারা।
বহরমপুর, বেলডাঙা, রেজিনগর, মুর্শিদাবাদ, রানিনগর, ডোমকল, রানিতলা, ভগবানগোলা, লালগোলায় জুয়ার আসর রমরমিয়ে চলছে। প্রতি জায়গাতেই নগদ টাকা নিয়ে পৌঁছে যাচ্ছে সুদের কারবারিরা। পরিচিত জুয়াড়িদের সহজেই টাকা ধার দিচ্ছে। কোনও জুয়াড়ি জিতলে সঙ্গে সঙ্গেই সুদসহ টাকা ফেরত নিয়ে নিচ্ছে। সেই টাকা একই বোর্ডে লাগাচ্ছে। এভাবে একবেলায় দুই-তিনবার টাকা খাটিয়ে দ্বিগুণ, তিনগুণ লাভ করে বাড়ি ফিরছে। কিন্তু কোনও জুয়াড়ি ধারের টাকা হেরে গেলে, তাকে নানাভাবে চাপ দিয়ে টাকা আদায় করা হচ্ছে।
কয়েকদিন আগেই বেলডাঙার এক বড় সুদের কারবারিকে পুলিস পাকড়াও করেছিল। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিস জানতে পেরেছে, কীভাবে এই চক্র চলে। সে পুলিসকে জানিয়েছে, পয়সাওয়ালা জুয়াড়িদেরই সে টাকা ধার দিত। যাতে ওই জুয়াড়ি হেরে গেলে টাকা পেতে অসুবিধা না হয়। অনেক জুয়াড়ি একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ টাকা বোর্ডে লাগায়।
সেই টাকা হেরে গেলে তা পরের রাউন্ড থেকেই তুলে নেওয়ার চেষ্টা করে। সেজন্য তৎক্ষণাৎ আরও টাকার দরকার হয়। সেই সুযোগের অপেক্ষাতেই সুদের কারবারিরা বোর্ডের আশপাশে ঘোরাঘুরি করে। সুযোগ বুঝে মোটা অঙ্কের টাকা ধার দেয়। এই অবৈধ কারবার বন্ধে পুলিস কড়া ব্যবস্থা নিক-চাইছেন জেলার বাসিন্দারা।



