সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: জয়পুরের উত্তরবাড়ে বিবেক উৎসবে মাতলেন বাসিন্দারা। রবিবার সকালে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রার মাধ্যমে দু’দিনের ওই উৎসবের সূচনা হয়। পরে তার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন হয়। উদ্বোধন করেন কামারপুকুর মঠ ও মিশনের অধীনস্থ পল্লিমঙ্গলের ভারপ্রাপ্ত ইনচার্জ স্বামী নিহিতানন্দজি। উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সমাজসেবী মুজিকর কাজি প্রমুখ। উত্তরবাড়-বৈতল বিবেকানন্দ সঙ্ঘ আয়োজিত উৎসব উপলক্ষ্যে রবিবার সারাদিন ধরে নানা সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। উৎসব প্রাঙ্গণে ছোট মেলাও বসে। আজ, সোমবার তা শেষ হবে। উৎসবে বৈতল, পাতরপুকুর, উত্তরবাড়, দক্ষিণবাড় ছাড়াও পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন গ্রামের বাসিন্দারা অংশ নেন।
Advertisement
উৎসব কমিটির সাংস্কৃতিক সম্পাদক কার্তিক দাস বলেন, বিবেক উৎসব এবার ১৭তম বর্ষে পড়ল। বিবেক উৎসবের মূল উদ্দেশ্য হল এলাকার মানুষের সৌভ্রাতৃত্ববোধ এবং মানবপ্রেম জাগ্রত করা। সম্পাদক শুভময় পিরি বলেন, উৎসবে স্বাস্থ্যশিবির, চক্ষু অপারেশন শিবির ছাড়াও বস্ত্র বিলি অনুষ্ঠান হয়। প্রচুর মানুষ ওই শিবিরে আসে। সভাপতি প্রসেনজিৎ রায় বলেন, ১৭ বছর আগে বিবেক উৎসব ছোট করে আয়োজন করা হয়েছিল। পরবর্তীকালে ওই উৎসবে এলাকার মানুষের কাছে বেশ জনপ্রিয় হয়েছে। এবারের উৎসবেও বহু মানুষ শামিল হয়। দু’দিন ধরে স্থানীয় শিল্পীদের নিয়ে বসে আঁকো ও সাংস্কৃতিক নানা প্রতিযোগিতা হয়। এছাড়াও বহিরাগত শিল্পীদের অনুষ্ঠানও হয়।
উৎসব কমিটি সূত্রে জানা গিয়েছে, জয়পুর ব্লকের দক্ষিণপ্রান্তে অবস্থিত উত্তরবাড় গ্রাম। সেখানে ঝগড়াইমাতার মন্দির খুবই জাগ্রত। ওই মন্দির প্রাঙ্গণেই রবিবার বিবেক উৎসব শুরু হয়। এদিন সকালে উৎসব প্রাঙ্গণ থেকে শোভাযাত্রা শুরু হয়। তা উত্তরবাড় ও দক্ষিণবাড় গ্রাম ঘুরে মনসামাতা মন্দির হয়ে পুনরায় উৎসব প্রাঙ্গণে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় স্কুল ও কলেজের ছাত্রছাত্রী থেকে শুরু করে সাধারণ গৃহবধূরা অংশ নেন। স্থানীয় স্কুলের এনসিসি ক্যাডেটরাও তাতে অংশ নেয়। শোভাযাত্রায় হরেক বাদ্যযন্ত্র, ট্যাবলো ছিল। কয়েকজন বালক-বালিকা স্বামী বিবেকানন্দ, রামকৃষ্ণ ও সারদা দেবী সাজে। দিনভর সাংস্কৃতিক নানা প্রতিযোগিতা হয়। আজ, সোমবারও নানা অনুষ্ঠান হবে।
উৎসব কমিটি সূত্রে জানা গিয়েছে, জয়পুর ব্লকের দক্ষিণপ্রান্তে অবস্থিত উত্তরবাড় গ্রাম। সেখানে ঝগড়াইমাতার মন্দির খুবই জাগ্রত। ওই মন্দির প্রাঙ্গণেই রবিবার বিবেক উৎসব শুরু হয়। এদিন সকালে উৎসব প্রাঙ্গণ থেকে শোভাযাত্রা শুরু হয়। তা উত্তরবাড় ও দক্ষিণবাড় গ্রাম ঘুরে মনসামাতা মন্দির হয়ে পুনরায় উৎসব প্রাঙ্গণে শেষ হয়। শোভাযাত্রায় স্কুল ও কলেজের ছাত্রছাত্রী থেকে শুরু করে সাধারণ গৃহবধূরা অংশ নেন। স্থানীয় স্কুলের এনসিসি ক্যাডেটরাও তাতে অংশ নেয়। শোভাযাত্রায় হরেক বাদ্যযন্ত্র, ট্যাবলো ছিল। কয়েকজন বালক-বালিকা স্বামী বিবেকানন্দ, রামকৃষ্ণ ও সারদা দেবী সাজে। দিনভর সাংস্কৃতিক নানা প্রতিযোগিতা হয়। আজ, সোমবারও নানা অনুষ্ঠান হবে।



