Bartaman Logo
২৭ মে, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

জয়পুর থেকে জরকা মোড় রাস্তা সম্প্রসারণে বরাদ্দ ২০ কোটি টাকা

জয়পুর থেকে জরকা মোড় রাস্তা সম্প্রসারণে বরাদ্দ ২০ কোটি টাকা
  • ২০ নভেম্বর, ২০২৪ ০০:০০
সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: জয়পুর থেকে জরকা মোড় পর্যন্ত রাস্তা সম্প্রসারণের জন্য ২০ কোটি টাকা বরাদ্দ করল পূর্তদপ্তর। দপ্তর সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই রাস্তায় টেন্ডার প্রক্রিয়া চলছে। খুব শীঘ্রই তার কাজ আরম্ভ হবে। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিষ্ণুপুর থেকে জয়রামবাটি পর্যন্ত রেল চালু হলেই ওই রাস্তার গুরুত্ব আরও বেড়ে যাবে। যানবাহন চলাচল বাড়বে। কিন্তু অতি সংকীর্ণ রাস্তার কারণে বর্তমানে একটি গাড়ি এলে অন্য গাড়িকে পাশ কাটানো মুশকিল হচ্ছে। তাতে দুঘর্টনাও ঘটছে। ঩সেজন্য ওই রাস্তাটি সম্প্রসারণের জন্য দীর্ঘদিন ধরে দাবি উঠছিল। খুব শীঘ্রই বিষ্ণুপুর থেকে জয়রামবাটি রেল চালুর খবর এলাকায় চালু হতেই রাস্তা সম্প্রসারণের দাবি আরও জোরালো হয়েছে। 
Advertisement
বিষ্ণুপুরের মহকুমা শাসক প্রসেনজিৎ ঘোষ বলেন, জয়পুর থেকে জরকা মোড় পর্যন্ত প্রায় ১৫ কিলোমিটার রাস্তা সম্প্রসারণের জন্য আগেই প্রস্তাব পাঠানো হয়েছিল। তা মঞ্জুর হয়েছে। টেন্ডার প্রক্রিয়া চলছে, তা সম্পূর্ণ হলেই কাজ শুরু হবে। 
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, জয়পুর ব্লকের দক্ষিণ অংশে কুচিয়াকোল, ময়নাপুর, উত্তরবাড় ও জগন্নাথপুর এই চার গ্রামপঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দারা জয়পুর-জরকা মোড় রাস্তা ব্যবহার করেন। এছাড়াও ওই রাস্তা জরকা মোড়ে বাঁকাদহ-জয়রামবাটি রাস্তার সঙ্গে মিশে যাওয়ায় পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা এবং বিষ্ণুপুর ব্লকের দক্ষিণ অংশের বাসিন্দারা ওই রাস্তা দিয়ে জয়পুরে যাতায়াত করেন। সব মিলিয়ে জয়পুর থেকে জরকা মোড় পর্যন্ত রাস্তাটি এলাকার বাসিন্দাদের কাছে ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু রাস্তাটি অতি সংকীর্ণ হওয়ায় যানবাহন চলাচলে ভীষণ সমস্যা হয়। অনেক সময় পাশ কাটাতে গিয়ে যানবাহন দুর্ঘটনায় পড়ছে। ওই রাস্তায় বেশ কয়েকটি যাত্রীবাহী বাস ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছে। তাই দীর্ঘদিন ধরে রাস্তাটি সম্প্রসারণের দাবি উঠেছিল। শুধু তাই নয়, বর্তমানে বিষ্ণুপুর থেকে ময়নাপুর পর্যন্ত একটি ট্রেন চলাচল করে। খুব শীঘ্রই তা জয়রামবাটি পর্যন্ত চলাচল শুরু করবে। রেলপথ তৈরির কাজ প্রায় শেষের মুখে। তা চালু হলে ওই রাস্তায় যানবাহন চলাচল আরও বেড়ে যাবে। তাই অবিলম্বে রাস্তা সম্প্রসারণের প্রয়োজন পড়েছে। 
ময়নাপুরের বাসিন্দা স্বদেশ কোলে বলেন, জয়পুর ব্লক স্তরের অফিস ছাড়াও বিষ্ণুপুর মহকুমা স্তরের সমস্ত অফিসে যেতে আমাদের ওই রাস্তাটি ব্যবহার করতে হয়। বর্তমানে অনেক রাস্তাই সম্প্রসারণ করা হয়েছে। কিন্তু আমাদের রাস্তাটি চওড়া করার জন্য প্রশাসনিক স্তরে বার বার দাবি জানানো হয়েছে। এবার তা মঞ্জুর করা হয়েছে। আর এই বিষয়টি জানার পর খুশি হয়েছি।  
সম্পর্কিত সংবাদ