সংবাদদাতা, বিষ্ণুপুর: নিজের দোকানের সামনে বসেছিলেন এক বাইক মিস্ত্রি। এমন সময় হঠাৎ ঘাড়ে পড়ল কাটারির কোপ। আকস্মিক ঘটনায় কিছু বুঝে ওঠার আগেই ঘাড় সোজা করতেই পিঠে পড়ল আরও এক কোপ। বাধা দিতে গেলে ফের কোপ। চিৎকার করতে করতে রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়েন তিনি। এরপরেই আক্রমণকারী এক যুবক দোকানে ভাঙচুর চালায়। লোকজন জুটে গেলে পরিস্থিতি বেগতিক দেখে সে পালিয়ে যায়। বুধবার সকালে জয়পুরের হিজলডিহায় ভরা বাজারে ঘটা এমন ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। জখম বাইক মিস্ত্রি দেবাশিস ঘোষকে উদ্ধার করে বিষ্ণুপুর সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ঘটনায় পুলিস অভিযুক্ত বনমালী মাঝিকে গ্রেপ্তার করেছে। ধৃতের বাড়ি হিজলডিহাতেই। পুলিস জানিয়েছে, প্রাথমিকভাবে অভিযুক্ত যুবকের মধ্যে কিছুটা অস্বাভাবিকতা লক্ষ করা গিয়েছে। তবুও ঘটনার তদন্ত শুরু হয়েছে। জখম বাইক মিস্ত্রি দেবাশিসবাবু বলেন, অভিযুক্ত বনমালীর সঙ্গে আমার কোনও বিবাদও নেই। তা সত্ত্বেও সে হঠাৎ কেন আমার উপর কাটারি নিয়ে চড়াও হল, তা বুঝতে পারছি না। অভিযুক্তের চরম শাস্তি হওয়া প্রয়োজন। জানা গিয়েছে, হিজলডিহার বাসিন্দা দেবাশিস ঘোষের গ্রামের বাজারে একটি বাইক মেরামতির দোকান আছে। অন্যান্যদিনের মতোই এদিনও তিনি দোকান খোলার পর রাস্তার ধারে বসেছিলেন। এমন সময় বনমালী নামে এক প্রৌঢ় পিছনের দিক থেকে তাঁর ঘাড়ে ও পিঠে পরপর কাটারির কোপ মারে বলে অভিযোগ। ঘটনায় দেবাশিসবাবু মাটিতে লুটিয়ে পড়েন। এরপরেই অভিযুক্ত দোকানে ভাঙচুর চালায়। আক্রান্তের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন জুটে গেলে অভিযুক্ত পালিয়ে যায়। আক্রান্তকে রক্তাক্ত অবস্থায় প্রথমে জয়পুর ব্লক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তাঁকে বিষ্ণুপুর সুপারস্পেশালিটি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়।



