নিজস্ব প্রতিনিধি, শিলিগুড়ি: বিহার থেকে ভাড়ার নাম করে শিলিগুড়ি ডাকা হয়েছিল এক গাড়িচালককে। সোমবার সেখান থেকে এসে গাড়ি দাঁড় করিয়ে শিলিগুড়ির মাল্লাগুড়িতে একটি হোটেলে খাবার খাচ্ছিলেন চালক। খাওয়ার পর হোটেল থেকে বেরিয়েই দেখেন, চারচাকার গাড়ি উধাও। চিন্তায় পড়ে যান বিহারের সমীর ঠাকুর। কালবিলম্ব না করে চালক সোজা চলে যান প্রধাননগর থানায়। লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। অভিযোগ পেয়েই গাড়ির খোঁজ শুরু করেন তদন্তকারী অফিসাররা।
Advertisement
গাড়িচালকের কাছ থেকে তদন্তকারীরা জানতে পারেন, চুরি যাওয়া গাড়িতে জিপিএস লাগানো রয়েছে। তদন্তে নেমে পুলিস জানতে পারে, গাড়িটি তখনও বেশিদূর যায়নি। জিপিএস ট্র্যাক করে গাড়ির খোঁজে তদন্তকারীরা পৌঁছে যান গুলমার মহানন্দা নদীর চরে। মঙ্গলবার রাতে সেখান থেকে গাড়িটি উদ্ধার করে পুলিস। এই ঘটনায় একজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিস। বুধবার গাড়িচালক জানান, শিলিগুড়ি থেকেই মাল নিয়ে আসার জন্য তাঁকে একজন ফোন করেছিলেন। বিহার থেকে শিলিগুড়ি গাড়ি চালিয়ে খিদে পেয়ে যায় তাঁর। মাল্লাগুড়ির একটি হোটেলে খেয়ে জিনিস নিয়ে ফেরার কথা ছিল। কিন্তু তার আগেই বিপত্তি। তড়িঘড়ি পুলিসের দ্বারস্থ হন তিনি। প্রধাননগর থানার পুলিস জানিয়েছে ধৃতের নাম রোহিত রোশন মণ্ডল। সে বিহারের বাসিন্দা। ধৃতই গাড়িচালক সমীরকে শিলিগুড়ি ডেকেছিল কি না, তা এখনও জানতে পারেনি পুলিস। তবে গাড়ি চুরিতে ধৃতের সঙ্গে আরও কয়েকজন জড়িত রয়েছে বলে পুলিসের দাবি। প্রধাননগর থানার আইসি বাসুদেব সরকার বলেন, ওই গাড়ি চুরির সঙ্গে একাধিক ব্যক্তি জড়িত রয়েছে বলে আমাদের অনুমান। তদন্ত শুরু হয়েছে। ধৃতকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এর আগে জিপিএস ট্র্যাক করে শিলিগুড়ির অদূরে বাগডোগরা থেকে একটি চারচাকার গাড়ি ধরেছিল পুলিস। গাড়িটি ভিনরাজ্যে নিয়ে যাওয়ার উদ্দেশ্য ছিল চোরেদের। সেই ঘটনাতেও পুলিস গাড়ি চুরি রুখে দিয়েছিল।



