Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

দুই বঙ্গের শিল্প সংস্কৃতি জুড়তে ‘উত্তর-দক্ষিণ প্রকৃত শিল্পের সন্ধানে’-র পথচলা শুরু

দুই বঙ্গের শিল্প সংস্কৃতি জুড়তে ‘উত্তর-দক্ষিণ প্রকৃত শিল্পের সন্ধানে’-র পথচলা শুরু
  • ৭ জুলাই, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

মনসুর হাবিবুল্লাহ  দিনহাটা

Advertisement

উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের শিল্প-সংস্কৃতির মেলবন্ধনের লক্ষ্যে পথচলা শুরু করল ‘উত্তর-দক্ষিণ প্রকৃত শিল্পের সন্ধানে’ নামে একটি নতুন সাংস্কৃতিক সংস্থা। প্রাক্তন পুলিস কর্তা প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিকল্পনায় গড়ে ওঠা এই সংস্থার প্রথম অনুষ্ঠান হল রবিবার কোচবিহার রবীন্দ্রভবনে। পঞ্চাশের বেশি শিল্পী এদিন নৃত্য, সঙ্গীত, আবৃত্তি ও স্বরচিত কবিতা পাঠের মাধ্যমে এক মনোজ্ঞ সন্ধ্যা উপহার দেন দর্শকদের। অনুষ্ঠানে এসেছিলেন কোচবিহারের পুলিস সুপার দ্যুতিমান ভট্টাচার্য। তিনি এই অনুষ্ঠানে আবৃত্তি পরিবেশন করেন। 
প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, রাজ্যের প্রতিটি অঞ্চল নিজস্ব সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যে সমৃদ্ধ। এক অঞ্চলের সংস্কৃতিকে অন্য অঞ্চলের মানুষের কাছে পৌঁছে দেওয়াই আমাদের লক্ষ্য। উত্তরবঙ্গের ঐতিহাসিক শহর কোচবিহার থেকে আমাদের এই সাংস্কৃতিক যাত্রা শুরু হল। গোটা রাজ্যে এই বিশেষ অনুষ্ঠান করার পরিকল্পনা রয়েছে। 
সংস্থার অন্যতম উদ্যোক্তা বাচিকশিল্পী শ্রীলা সূত্রধর বলেন, আমি উত্তরবঙ্গের মানুষ। তাই এখানকার প্রতিভাবান শিল্পীদের দক্ষিণবঙ্গে তুলে ধরাই প্রধান উদ্দেশ্য। আমরা চাই, রাজ্যের এই দুই অঞ্চলের শিল্পীরা একে অপরের কাজের সঙ্গে পরিচিত হোন এবং পরস্পরের শিল্পচর্চা থেকে প্রেরণা লাভ করুন। 
সংস্থার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ‘উত্তর-দক্ষিণ প্রকৃত শিল্পের সন্ধানে’ কোনও ক্ষণিক উদ্যোগ নয়, বরং এটি রাজ্যজুড়ে একটি স্থায়ী সাংস্কৃতিক প্ল্যাটফর্ম গড়ে তোলার প্রয়াস। সঙ্গীত, নৃত্য, আবৃত্তি, নাটক ও কবিতা শিল্পের প্রতিটি ধারাকেই এখানে সমান গুরুত্ব দেওয়া হবে। কোচবিহার দিয়ে শুরু হয়ে এই ধরনের কর্মসূচি আগামী দিনে মালদহ ও দক্ষিণ দিনাজপুরে নেওয়া হবে।
পুজোর পরে কলকাতায় বড় পরিসরে উত্তরবঙ্গের শিল্পীদের নিয়ে অনুষ্ঠান করা হবে। এদিন উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের শিল্পীরা একত্রিত হয়ে নিজেদের শিল্পভাবনা আদানপ্রদান করেন, যার মাধ্যমে সৃষ্টি হয় পারস্পরিক পরিচয়ের এক আন্তরিক পরিবেশ। রবিবারের এই অনুষ্ঠানে উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের শিল্পীদের একসঙ্গে মঞ্চে দেখা গিয়েছে। এ যেন ছিল শিল্পের এক সত্যিকারের মিলনক্ষেত্র। এই সুর ছড়িয়ে পড়ুক গোটা বাংলায়, এমনটাই আশা সকলের।   নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ