Bartaman Logo
২৪ জুলাই, ২০২৬
বর্তমান / বিদেশ

তোলাবাজির প্রতিবাদ, বাংলাদেশে সাংবাদিককে গলা কেটে খুন

বাংলাদেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকার দায়িত্বে আসার পর থেকেই সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। এতদিন ‘বৈষম্যবিরোধী’ নেতাদের বিরুদ্ধে খবর প্রকাশিত হলেই সাংবাদিকদের উপর ‘কোপ’ নেমে আসছিল।

তোলাবাজির প্রতিবাদ, বাংলাদেশে সাংবাদিককে গলা কেটে খুন
  • ৯ আগস্ট, ২০২৫ ১৭:০৮
Prefer us on Google

ঢাকা: বাংলাদেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকার দায়িত্বে আসার পর থেকেই সংবাদমাধ্যমের স্বাধীনতা কেড়ে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল। এতদিন ‘বৈষম্যবিরোধী’ নেতাদের বিরুদ্ধে খবর প্রকাশিত হলেই সাংবাদিকদের উপর ‘কোপ’ নেমে আসছিল। এবার তোলাবাজির ভিডিও তুলে পোস্ট করায় সাংবাদিককে ভরা রাস্তায় কুপিয়ে ও গলা কেটে খুন করল দুষ্কৃতীরা। বৃহস্পতিবার রাতে ঢাকার অদূরে গাজিপুরে এই ঘটনায় তুমুল চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। মৃতের নাম মহম্মদ আসাদুজ্জামান তুহিন (৩৮)। তিনি বাংলাদেশের একটি সংবাদপত্রের স্টাফ রিপোর্টার হিসেবে কর্মরত ছিলেন। বাড়ি ময়মনসিংহের ফুলবাড়িতে। সকলের সামনে ওই সাংবাদিককে কোপানো হলেও কেউ দুষ্কৃতীদের বাধা দিতে এগিয়ে আসেনি। সিসি ক্যামেরায় ওই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের দৃশ্য ধরা পড়ে। ভাইরাল হয়ে যায় সেই ফুটেজ। এনিয়ে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়তেই পুলিস তদন্তে নামে। এখনও পর্যন্ত পাঁচজনকে আটক করলেও সিসি ক্যামেরায় যে সব হামলাকারীদের দেখা গিয়েছে, তাদের নাগাল এখনও মেলেনি। পুলিসের দাবি, তোলাবাজি নয়, অন্য এক ব্যক্তির উপর হামলার ভিডিও করার জন্যই সাংবাদিকের উপর আক্রমণ হয়েছে। তুহিন খুনের প্রতিবাদে শুক্রবার গাজিপুরে মানববন্ধন করেন প্রেস ক্লাবের সদস্যরা।

Advertisement

জানা গিয়েছে, পেশার কারণে গাজিপুরের চান্দনা চৌরাস্তা এলাকায় পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন তুহিন। বৃহস্পতিবার বিকেলে তিনি ওই এলাকায় ফুটপাত ও দোকান থেকে তোলাবাজির ভিডিও তুলে ফেসবুকে পোস্ট করেন। পরে রাত আটটা নাগাদ চান্দনা চৌরাস্তা এলাকারই একটি চায়ের দোকানে বসেছিলেন ওই সাংবাদিক। সেই সময় কয়েকজন দুষ্কৃতী মুখোশ পরে তাঁর উপর হামলা চালায়। ধারালো অস্ত্র দিয়ে তুহিনের শরীরে একের পর এক কোপ মারা হয়। শেষে তাঁর গলা কেটে দেওয়া হয়। অন্য একটি সূত্রের দাবি, দুষ্কৃতীরা ওই সাংবাদিককে ধাওয়া করে। তিনি চায়ের দোকানে আশ্রয় নিতে চাইলেও লাভ হয়নি।
বুধবারও গাজিপুরে তোলাবাজির প্রতিবাদ করায় এক সাংবাদিককে ইট-পাথর দিয়ে আঘাত করার অভিযোগ উঠেছে। আনোয়ার হোসেন সৌরভ নামে ওই সাংবাদিকের শরীরের বিভিন্ন অংশ ইট দিয়ে থেঁতলে দেওয়া হয়। স্থানীয় সূত্রে খবর, সেই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ