জোশিমঠে কপ্টার বিপর্যয়: দেহ ফিরিয়ে আনতে এবার দুর্গম পথে পাড়ি উদ্ধারকারীদের
  • ১ নভেম্বর, ২০২৬ ০৪:০০
Prefer us on Google

দেরাদুন: শুক্রবার উত্তরাখণ্ডের জোশিমঠে হেলিকপ্টার ভেঙে পড়ে মৃত্যু হয়েছিল ছ’জনের। তাঁদের দেহ উদ্ধারের জন্য একাধিক টিম নিয়োগ করে উত্তরাখণ্ড প্রশাসন। কিন্তু সন্ধ্যা হয়ে যাওয়ায় ওইদিন চাই গ্রামের কাছে দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে পারেননি উদ্ধারকারীরা। শনিবার ভোর থেকে ফের শুরু হয় উদ্ধার অভিযান। অবশেষে দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছাতে সক্ষম হয়েছেন উদ্ধারকারীরা। এরপরই অত্যন্ত দুর্গম ওই এলাকা থেকে মৃতদেহগুলি ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তবে সেই কাজে সময় লাগবে বলে চামোলি জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর। কারণ হাঁটাপথে দেহগুলিকে প্রথমে সবচেয়ে কাছের গাড়ি চলাচলকারী রাস্তার কাছে নিয়ে আসা হবে। এরপর দেহগুলি গাড়িতে দেরাদুনে নিয়ে গিয়ে ময়নাতদন্ত করা হবে। তবে দেহ নামিয়ে আনতে কতক্ষণ সময় লাগবে, তার পুরোটাই নির্ভর করছে আবহাওয়ার উপর। 

Advertisement

প্রশাসন সূত্রে খবর, শুক্রবার দুর্ঘটনার খবর মেলার পরেই উদ্ধারকারীরা পাণ্ডুকেশ্বরের দিক থেকে চাই গ্রামের দিকে যাত্রা শুরু করেন। ভারতীয় সেনা, ইন্দো-টিবেটান বর্ডার পুলিশ (আইটিবিপি), জাতীয় এবং রাজ্য বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, পুলিশ, জেলা প্রশাসন ও বনদপ্তরের সদস্যদের নিয়ে বিশেষ টিম গঠন করা হয়। কিন্তু সন্ধ্যা হয়ে যাওয়ায় দুর্ঘটনাস্থলে পৌঁছানো সম্ভব হয়নি। যে এলাকায় কপ্টারটি ভেঙে পড়েছে, সেটি পাহাড়ের উঁচু অংশে অবস্থিত। পাশাপাশি ঠিক মতো রাস্তা না থাকায় সেখানে যাওয়া অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং। পথে হিংস্র জন্তুদেরও দেখা যায়। ফলে মৃতদেহ নিয়ে কাছাকাছি রাস্তায় পৌঁছাতে কয়েক ঘণ্টা সময় লেগে যেতে পারে। এর জন্য বিকল্প ট্রেকিং রুটগুলি ব্যবহার করা যায় কি না, তা খতিয়ে দেখা যাচ্ছে। চামোলির জেলাশাসক গৌরব কুমার জানিয়েছেন, উদ্ধারকারীদের সঙ্গে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ রেখে চলা হচ্ছে। এদিকে, ডিরেক্টরেট জেনারেল অব সিভিল অ্যাভিয়েশন (ডিজিসিএ) আধিকারিকরা আকাশপথে দুর্ঘটনাস্থল ঘুরে দেখেন।