Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

উন্নয়নের কাজে নিরলস কেশপুরের জোড়াকেঁউদি-শোলিডিহা পঞ্চায়েত

উন্নয়নের কাজে নিরলস কেশপুরের জোড়াকেঁউদি-শোলিডিহা পঞ্চায়েত
  • ১৭ জুন, ২০২৫ ০৪:০০
Prefer us on Google

রাজদীপ গোস্বামী , কেশপুর: গত অর্থবর্ষে প্রায় পাঁচ কোটি টাকা খরচ করে গ্রামের রাস্তাঘাট সংস্কার করা হয়েছে। চলতি অর্থবর্ষেও নানা উন্নয়নমূলক কাজ হবে। মানুষকে পরিষেবা দিতে নিরলস কাজ করে চলেছে কেশপুর ব্লকের জোড়াকেঁউদি-শোলিডিহা পঞ্চায়েত। এই পঞ্চায়েতের কাজে এলাকার বাসিন্দারাও খুশি। স্থানীয়রা জানান, একসময় এই পঞ্চায়েত এলাকায় রাজনৈতিক হানাহানি চলত। মানুষ সামান্য সরকারি প্রকল্পের সুবিধাটুকুও পেতেন না। কিন্তু গত কয়েকবছরে ছবিটা পাল্টেছে। মানুষ যেমন নানা প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন, তেমনি পঞ্চায়েতের উন্নয়নমূলক কাজের গতি বেড়েছে। পঞ্চায়েত প্রধান অবিতা মাহাত বলেন, মানুষের পাশে থাকাই আমাদের মূল কর্তব্য। আগামী দিনে কাজের গতি আরও বাড়াতে হবে। বেশকিছু এলাকায় নানা সমস্যা রয়েছে। সেসব সমাধান করা হবে। তৃণমূলের সংশ্লিষ্ট অঞ্চল সভাপতি নারায়ণ মণ্ডল, ব্লক কমিটির সদস্য তুহিনশুভ্র গাঁতই, শিক্ষক সংগঠনের নেতা রাজকুমার মল্লিকরা জানান, এখন এলাকার মহিলারা নানা প্রকল্পের সুবিধা পাচ্ছেন। ফলে গ্রামীণ অর্থনীতির বিকাশ হয়েছে। এই এলাকায় একসময় সিপিমের অত্যাচারের কথা মানুষ ভোলেননি। সেজন্যই কেশপুর ব্লকজুড়ে তৃণমূলের ভোট বেড়েছে।

Advertisement

গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে এই পঞ্চায়েত দখল করে তৃণমূল। একটি আসনেও বিজেপি বা সিপিএম জিততে পারেনি। যার অন্যতম কারণ বিরোধী শিবিরের সাংগঠনিক দুর্বলতা বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন। এই পঞ্চায়েত এলাকায় গত অর্থবর্ষে পাঁচটি পানীয় জলপ্রকল্প হয়েছে। ১২০০মিটার পাইপলাইন বসেছে। ১২টি রাস্তা, চারটি নিকাশিনালা, মার্কেটের শেড, ১৩টি পথবাতি বসানো হয়েছে। ‘বাংলার বাড়ি’ প্রকল্পে পঞ্চায়েত এলাকার ৪৪০টি পরিবার উপকৃত হয়েছে।
প্রশাসনের এক আধিকারিক জানালেন, এই পঞ্চায়েত এলাকায় জৈব ও অজৈব বর্জ্য প্রক্রিয়াকরণ প্রকল্পের কাজ চলছে। এলাকার বেশিরভাগ বাড়িতে শৌচাগার তৈরির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। চলতি অর্থবর্ষে বেশ কিছু রাস্তার সংস্কার হবে। তবে পঞ্চায়েত এলাকায় কিছু সমস্যাও রয়েছে। যেমন, কুবাই নদীর উপর সংযোগকারী সেতু তৈরি না হওয়ায় বহু মানুষকে ভোগান্তির মুখে পড়তে হয়। এছাড়া, এলাকায় প্রতিটি গ্রামে বেকারের সংখ্যা দিন দিন বাড়ছে। সেদিকেও বিশেষ নজর দেওয়া প্রয়োজন। এলাকায় বালিকা বিদ্যালয় ও উন্নতমানের স্বাস্থ্যকেন্দ্রেরও প্রয়োজন রয়েছে। এছাড়া, এলাকায় পর্যাপ্ত আলো ও নিকাশি ব্যবস্থা নেই।কেশপুর ব্লক তৃণমূল সভাপতি প্রদ্যুৎ পাঁজা বলেন, ব্লকের প্রতিটি পঞ্চায়েত ভালো কাজ করছে। সমস্ত কাজ মনিটরিং করা হয়। আমরা আশাবাদী, মানুষ সর্বদা উন্নয়নের সঙ্গেই থাকবেন।-নিজস্ব চিত্র

Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ