সুমন তেওয়ারি, আসানসোল: যুদ্ধ এখন প্রযুক্তি নির্ভর। ড্রোন থেকে এআইয়ের ব্যবহার। এবার সেনাবাহিনীর হাঁটার দক্ষতাও বাড়াবে প্রযুক্তি। দুর্গাপুর এনআইটি ও সিএমইআরআইয়ের বিজ্ঞানীদের দাবি, তাঁদের তৈরি এক্সো স্কেলিটন সেনাবাহিনীর হাঁটার ক্ষমতা তিনগুণ বাড়িয়ে দেবে। ডিআরডিও নির্দেশে তৈরি এই বিশেষ পোশাকে রয়েছে কৃত্রিম পেশি। হাঁটার সময় সাধারণভাবে পেশিতে যে চাপ পড়ে তা নিয়ে নেবে এই কৃত্রিম পেশি। ফলে কিলোমিটারের পর কিলোমিটার হাঁটলেও ক্লান্ত হবেন না ভারতীয় জাওয়ানরা। কলকাতায় সেনাবাহিনীর তৈরি ইস্ট টেক-২০২৪ অনুষ্ঠানে প্রদর্শিত হয়েছে সেনাবাহিনীর জন্য তৈরি এই বিশেষ এক্সো স্কেলিটন। গবেষকদের দাবি, সেনাকর্তারা এর ভূয়সী প্রশংসা করে ডিটেলস প্রজেক্ট রিপোর্ট চেয়েছেন।
Advertisement
এনআইটির গবেষক অধ্যাপক শিবেন্দুশেখর রায় বলেন, ‘আমাদের তৈরি সেনাবাহিনীর এই বিশেষ সরঞ্জাম ইস্ট টেক-২০২৪ অনুষ্ঠানে প্রদর্শিত হয়েছে।
সেনার পূর্বাঞ্চলীয় প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল রামচান্দের তিওয়ারি আমাদের তৈরি সামগ্রী দেখে তা উচ্ছ্বসিত। এর মাধ্যমে যুদ্ধক্ষেত্রে আমাদের জাওয়ানরা অনেক সুবিধা পাবেন। হাঁটা বা দৌড়নোর ক্ষেত্রে মাসলে চাপ কম পড়লে তাঁরা অনেক দ্রুত দৌড়নো ও দীর্ঘক্ষণ ধরে হেঁটে দুর্গম জায়গায় ক্লান্তিহীন ভাবে পৌঁছে যেতে পারবেন। নিউমেটিক আর্টিফিসিয়াল মাসল বেসড এক্সস্কেলিটন হওয়ায় ওজন অত্যন্ত কম। জাওয়ানরা এটা পরে ইচ্ছেমতো হাঁটা কিংবা দৌড়তে পারবেন। ২০১৯ সালে শেষে ডিফেন্স রির্সাচ অ্যাণ্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ডিআরডিও) দুর্গাপুর এনআইটি ও দুর্গাপুরের সিএসআইআর-সেন্ট্রাল মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (সিএমইআরআই)-কে এই গবেষণার জন্য অর্থ বরাদ্দ করে। সেই মতো এনআইটির গবেষক শিবেন্দু শেখর রায় ও সিএমআইআরআইয়ের গবেষক অমন আরোরা চার বছর ধরে প্রজেক্টের কাজ করতে থাকেন। অবশেষে তাঁরা সাফল্য পান। তাঁদের আবিষ্কৃত এই এক্সো স্কেলিটন মডেল পেটেন্টও পেয়ে গিয়েছে।
মর্টারাইজড হার্ড এক্সোস্কেলিটন আগেই আবিষ্কৃত হয়েছে। সেটা মূলত শারীরিক প্রতিবন্ধীদের কৃত্রিম অঙ্গ তৈরিতে কাজে লাগে। তাঁদের হাটাচলার সুবিধা করে দেয়। কিন্তু সেনাবাহিনীর ক্ষেত্রে তা দেওয়া সম্ভব নয়। প্রথমত, সেগুলি অত্যন্ত ভারি। যা পরে দীর্ঘ রাস্তা, দুর্গম পথে পাড়ি দেওয়া সম্ভব নয়। দ্বিতীয়ত, ওই ধরনের হার্ড এক্সোস্কেলিটন নিয়ে পাহাড়ে চড়া অসমতল রাস্তায় যাওয়া কার্যত অসম্ভব। জওয়ানরা তা লাগিয়ে স্বাভাবিক ছন্দে হাঁটতে পারবে না। এই অবস্থায় চ্যালেঞ্জ ছিল এমন এক্সোস্কেলিটন বানানো, যা হাল্কা ও সফ্ট হবে। যাতে বাহিনীর স্বাভাবিক হাঁটাচলার ক্ষেত্রে কোনও বাধা না হয়। সেই সব কথা মাথায় রেখে এটি তৈরি হয়েছে। এক্সোস্কেলিটনের সঙ্গে একাধিক সেন্সারও যুক্ত করা রয়েছে। গবেষকদের দাবি, জাওয়ানদের ভারি সামগ্রী বহনের সহায়ক হবে তাঁ এই বিশেষ সরঞ্জাম। সেন্সর ও কৃত্রিম পেশিগুলির সঠিক সঞ্চালনার জন্য একটি ব্যাটারিও থাকবে।
সেনার পূর্বাঞ্চলীয় প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল রামচান্দের তিওয়ারি আমাদের তৈরি সামগ্রী দেখে তা উচ্ছ্বসিত। এর মাধ্যমে যুদ্ধক্ষেত্রে আমাদের জাওয়ানরা অনেক সুবিধা পাবেন। হাঁটা বা দৌড়নোর ক্ষেত্রে মাসলে চাপ কম পড়লে তাঁরা অনেক দ্রুত দৌড়নো ও দীর্ঘক্ষণ ধরে হেঁটে দুর্গম জায়গায় ক্লান্তিহীন ভাবে পৌঁছে যেতে পারবেন। নিউমেটিক আর্টিফিসিয়াল মাসল বেসড এক্সস্কেলিটন হওয়ায় ওজন অত্যন্ত কম। জাওয়ানরা এটা পরে ইচ্ছেমতো হাঁটা কিংবা দৌড়তে পারবেন। ২০১৯ সালে শেষে ডিফেন্স রির্সাচ অ্যাণ্ড ডেভেলপমেন্ট অর্গানাইজেশন (ডিআরডিও) দুর্গাপুর এনআইটি ও দুর্গাপুরের সিএসআইআর-সেন্ট্রাল মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং রিসার্চ ইনস্টিটিউটের (সিএমইআরআই)-কে এই গবেষণার জন্য অর্থ বরাদ্দ করে। সেই মতো এনআইটির গবেষক শিবেন্দু শেখর রায় ও সিএমআইআরআইয়ের গবেষক অমন আরোরা চার বছর ধরে প্রজেক্টের কাজ করতে থাকেন। অবশেষে তাঁরা সাফল্য পান। তাঁদের আবিষ্কৃত এই এক্সো স্কেলিটন মডেল পেটেন্টও পেয়ে গিয়েছে।
মর্টারাইজড হার্ড এক্সোস্কেলিটন আগেই আবিষ্কৃত হয়েছে। সেটা মূলত শারীরিক প্রতিবন্ধীদের কৃত্রিম অঙ্গ তৈরিতে কাজে লাগে। তাঁদের হাটাচলার সুবিধা করে দেয়। কিন্তু সেনাবাহিনীর ক্ষেত্রে তা দেওয়া সম্ভব নয়। প্রথমত, সেগুলি অত্যন্ত ভারি। যা পরে দীর্ঘ রাস্তা, দুর্গম পথে পাড়ি দেওয়া সম্ভব নয়। দ্বিতীয়ত, ওই ধরনের হার্ড এক্সোস্কেলিটন নিয়ে পাহাড়ে চড়া অসমতল রাস্তায় যাওয়া কার্যত অসম্ভব। জওয়ানরা তা লাগিয়ে স্বাভাবিক ছন্দে হাঁটতে পারবে না। এই অবস্থায় চ্যালেঞ্জ ছিল এমন এক্সোস্কেলিটন বানানো, যা হাল্কা ও সফ্ট হবে। যাতে বাহিনীর স্বাভাবিক হাঁটাচলার ক্ষেত্রে কোনও বাধা না হয়। সেই সব কথা মাথায় রেখে এটি তৈরি হয়েছে। এক্সোস্কেলিটনের সঙ্গে একাধিক সেন্সারও যুক্ত করা রয়েছে। গবেষকদের দাবি, জাওয়ানদের ভারি সামগ্রী বহনের সহায়ক হবে তাঁ এই বিশেষ সরঞ্জাম। সেন্সর ও কৃত্রিম পেশিগুলির সঠিক সঞ্চালনার জন্য একটি ব্যাটারিও থাকবে।



