নিজস্ব প্রতিনিধি, বারাসত: যশোর রোডে দুর্ঘটনায় লাগাম টানতে বুধবার একাধিক জায়গা যৌথভাবে পরিদর্শন করলেন জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ ও পুলিসের কর্তারা। এরপর দু’টি জায়গাকে ‘ব্ল্যাক স্পট’ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। তাছাড়া একাধিক পার্কিং জোনকে বেআইনি হিসেবেও চিহ্নিত করা হয়েছে।
মধ্যমগ্রামের দোলতলা থেকে বারাসতের ডাকবাংলো মোড় পর্যন্ত দূরত্ব প্রায় চার কিলোমিটার। যশোর রোডের এই অংশে বেশ কয়েকটি কাটআউট আছে। সেখান দিয়ে আসা ও যাওয়ার সময় বাইক ও চারচাকার গাড়ির চালকরা ইউটার্ন করে গন্তব্যে পৌঁছনোর চেষ্টা করেন। অনেকে তা দিয়ে যশোর রোড পারাপার করেন ঝুঁকি নিয়েই। ফলে দুর্ঘটনা আশঙ্কা থেকেই যায়। সম্প্রতি মধ্যমগ্রামের নজরুল সরণির কাটআউটের অংশে ইউটার্ন করতে গিয়েই দুর্ঘটনায় মৃত্যু হয় এক বাইক আরোহীর। তারপরই এদিন যশোর রোডের দোলতলা থেকে ডাকবাংলো মোড় পর্যন্ত রোডের কাটআউটের অংশ যৌথভাবে পরিদর্শন করলেন জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ ও বারাসত পুলিস জেলার উচ্চপদস্থ কর্তারা। উপস্থিত ছিলেন জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের এগজিকিউটিভ ইঞ্জিনিয়ার শুভায়ু বন্দ্যোপাধ্যায়, বারাসত পুলিস জেলার অতিরিক্ত সুপার অতীশ বিশ্বাস, এসডিপিও বিদ্যাগর অজিঙ্কে অনন্ত সহ অন্যান্যরা। জানা গিয়েছে, নজরুল সরণি, শিশির কুঞ্জ সংলগ্ন যশোর রোডে দু’টি কাটআউটের অংশকে ব্ল্যাকস্পট হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। দুটি অংশের কাট আউট সঠিকভাবে করা হয়নি বলেই পরিদর্শনে উঠে এসেছে। এছাড়াও যশোর রোডের ধারে বেশ কয়েকটি জায়গায় বেআইনি পার্কিং জোন চিহ্নিত হয়েছে। বারাসতের অতিরিক্ত পুলিস সুপার অতীশ বিশ্বাস বলেন, যেখানে ব্ল্যাক স্পট রয়েছে, সেই দু’টি অংশ জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষের গাইডলাইন অনুযায়ী তৈরি করা হয়নি। বেআইনি পার্কিং জোন বন্ধ করতে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।-নিজস্ব চিত্র