Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

জঞ্জালের পাহাড় সরিয়ে খেলার মাঠ গড়বে পুরসভা

জঞ্জালের পাহাড় সরিয়ে খেলার মাঠ গড়বে পুরসভা
  • ৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, শিলিগুড়ি: জঞ্জালের পাহাড়। ইস্টার্ন বাইপাসের ডাম্পিং গ্রাউন্ডকে এভাবেই গত কয়েক দশক ধরে দেখে আসছেন শিলিগুড়িবাসী। দুর্গন্ধে আর দূষণে আশেপাশের বাসিন্দাদের প্রাণ ওষ্ঠাগত। এবার সেই জায়গা থেকে সরানো হবে দীর্ঘদিনের জমা জঞ্জাল। জায়গাটিকে খালি করে তৈরি হবে সবুজে ঘেরা খেলার মাঠ। ডাম্পিংগ্রাউন্ড নিয়ে এই পরিকল্পনা নিয়েছে শিলিগুড়ি পুরসভা। স্টেট আরবান ডেভেলপমেন্ট এজেন্সি (সুডা) ৬৪  কোটি টাকার প্রকল্পে এই বায়োওয়েস্ট মাইনিংয়ের কাজ শীঘ্রই শুরু হবে।
Advertisement
শনিবার শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব বলেন, ডাম্পিংগ্রাউন্ডে দীর্ঘদিনের জঞ্জাল জমে রয়েছে। এর সঙ্গে নতুন সমস্যা দেখা দিয়েছে পার্শ্ববর্তী রাজ্য সিকিম থেকে আবর্জনা এনে ফেলার ঘটনা। ডাম্পিং গ্রাউন্ড এলাকায় মাদকাসক্তদের আড্ডা বসছে। এই সমস্যা কাটিয়ে ওঠার জন্য ডাম্পিং গ্রাউন্ডকে আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে ঢেলে সাজানোর কাজ আগেই শুরু হয়েছে। এই প্রকল্পের পাশাপাশি  সলিডওয়েস্ট ম্যানেজমেন্টের জন্য পাঁচ একর জায়গা দেওয়া হয়েছে একটি সংস্থাকে। এরা ফ্রেশ ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্টের কাজ করছে। সুডা এমাসের শেষে বায়ো মাইনিং প্রকল্পের কাজ শুরু করবে। এই প্রকল্প চালু হলে খালি জায়গায় তৈরি হবে সবুজে ঘেরা খেলার মাঠ। সুন্দর করে সাজিয়ে তোলা হবে ডাম্পিং গ্রাউন্ডকে।
ডাম্পিং গ্রাউন্ডের নিরাপত্তার জন্য  নজরদারি বাড়ানো হচ্ছে। সম্প্রতি সিকিম থেকে আবর্জনা ফেলার ঘটনা হাতেনাতে ধরে কিছু গাড়ি আটক করেছে পুলিস। মাদকশক্তদেরও আসর বসছে। মেয়র বলেন, ডাম্পিংগ্রাউন্ডে নিরাপত্তা জোরদার করতে আরও সিসিক্যামেরা বসানো হবে। পুলিসকেও নজরদারির জন্য বলা হবে। 
শহরের উন্নয়ন ও সৌন্দর্যায়নের জন্য  শিলিগুড়ি পুরসভা নানা ধরনের পরিকল্পনা নিয়ে করছে। কিন্তু রাস্তাঘাট, নিকাশি ব্যবস্থা নিয়ে এখনও বেশ কিছু জায়গা থেকে অভিযোগ পান মেয়র। এপ্রসঙ্গে মেয়র বলেন, বিগত কয়েক বছর এসজেডিএ পুরসভাকে আড়ালে রেখে নিজেদের মর্জিমতো কিছু কাজ করেছে। শহরের পরিকল্পিত উন্নয়নের যার প্রভাব সেভাবে পড়েনি। এসজেডিএ পুরসভার সঙ্গে আলোচনা করে সেই কাজ করলে তার সুফল নাগরিকরা পেতেন। এসজেডিএ বিগত কয়েক বছর ধরেই মন্থর গতিতে কাজ করছে। অথচ শিলিগুড়ি পুরসভা এলাকা থেকে বছরে ১৫ থেকে কুড়ি কোটি টাকা বিল্ডিং প্ল্যান,  এলইউসিসি থেকে পেয়ে থাকে। তাই তাদের উচিত এই শহরের জন্য কিছু কাজ করা। কয়েক বছর যেভাবে কাজ হয়েছে তাতে শিলিগুড়ি পুর এলাকার উন্নয়নে সরাসরি প্রভাব পড়েনি। নাম না করলেও এই বক্তব্যের মধ্য দিয়ে মেয়র এসজেডিএ পূর্বতন চেয়ারম্যান সৌরভ চক্রবর্তী কাজের সমালোচনা করেছেন বলে ওয়াকিবহাল মহলের ধারনা।
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ