সংবাদদাতা, ডোমকল: ডিসেম্বর পেরিয়ে জানুয়ারি এসে গেলেও শুনশান ডোমকলের খয়রামারি বিল। দেখা নেই পরিযায়ী পাখিদের। হতাশ পক্ষীপ্রেমীরা। শুধু পাখিপ্রেমীদেরই নয়, মুখ ভার বিলপাড়ের বাসিন্দাদেরও।
Advertisement
মুর্শিদাবাদের ডোমকল ও জলঙ্গি ব্লকজুড়ে রয়েছে খয়রামারি বিল। বর্গাকার এই বিলের কিছুটা অংশ মজে গিয়েছে। তবে বিলে প্রায় সারাবছরই জল থাকে। প্রতিবছর ডিসেম্বরের দ্বিতীয়ার্ধ থেকেই বিলে ভিড় জমাতে থাকে ঝাঁকেঝাঁকে পরিযায়ী পাখিরা। সাইবেরিয়ান রেড ক্রেস্টেড পোচার্ড, কমন কুট, কমন স্নাইপ, লং লেগ বাজার্ডের মতো সাইবেরিয়ান পাখিরা আশ্রয় নেয় বিলে। তাঁদের কাকলিতে মুখর হয়ে থাকে বিল ও সংলগ্ন এলাকা। তবে এবছর সব শুনশান। এক অদ্ভুত নিস্তব্ধতা পীড়া দিচ্ছে স্থানীয় মানুষদের। হাতেগোনা কয়েক প্রজাতির দেশীয় পাখি বিলে দেখা গেলেও অনুপস্থিত বিদেশি পাখিরা। অন্যান্য বছর বিলে প্রায় ৫৬টি প্রজাতির পাখির দেখা মিলত, কিন্তু এবছর তাঁদের দেখা নেই।
স্থানীয় বাসিন্দা বিকাশ হাজরা বলেন, বিলের পাড়েই আমাদের বাড়ি। প্রতিবছরে এই সময়ে বাইরের পাখিদের ভিড়ে আলাদায় চেহারা নেয় আশপাশ। পাখি দেখতে বিলপাড়ে ভিড় জমান অনেকেই। তবে এবারে একদম পাখি আসেনি। তাই তেমন মানুষও নেই। প্রতিবছর এই সময়টা পাখি দেখেই কাটে আমাদের। এবছর তাই ভালো লাগছে না।
অপর এক বাসিন্দা তাজকির আলম বলেন, প্রত্যেকবছর এই সময়ে বিল পাখিতে ভরে যায়। বিকেল হলেই বিলের পাড়ে গিয়ে ছেলেকে নিয়ে পাখি দেখি। এবছর জাঁকিয়ে শীতও পড়তে শুরু করেছে। তারপরেও দেখা নেই পাখিদের। আমার ছেলেরও মুখ ভার।
দীর্ঘদিন ধরে মুর্শিদাবাদের খয়রামারি সহ বিভিন্ন জলাশয়ে পরিযায়ী পাখির আনাগোনার তথ্য সংগ্রহ করেছেন পেশায় স্কুল শিক্ষক সৌম্যদীপ মণ্ডল। তিনি বলেন, এবারে আমরা লক্ষ্য করেছি, বেশ কিছু জলাশয়ে এখনও পরিযায়ী পাখি আসেনি। মনে হয় জলাশয়গত ভূপ্রাকৃতিক পরিবর্তনের কারণেই এমনটা হয়ে থাকতে পারে। আসলে এবছর জেলায় ভালো বৃষ্টি হয়েছে। এতে বিভিন্ন জলাশয়ে জল রয়েছে। বড় বড় বিলগুলির পরিবর্তে বিভিন্ন জায়গায় এইরকম জলাশয়গুলিতে পাখিরা ভিড় করছে। তবে জানুয়ারির শুরুতেই জাঁকিয়ে শীত পড়তে শুরু করেছে। সঙ্গে ওইসব জলাশয়গুলির জলও মরতে শুরু হয়েছে। আশা করি আর দিন কয়েকের মধ্যেই ওইসব জলাশয়গুলি থেকে খয়রামারি বিল সহ বেশ কয়েকটি বিলে পরিযায়ী পাখির আগমন ঘটবে।
স্থানীয় বাসিন্দা বিকাশ হাজরা বলেন, বিলের পাড়েই আমাদের বাড়ি। প্রতিবছরে এই সময়ে বাইরের পাখিদের ভিড়ে আলাদায় চেহারা নেয় আশপাশ। পাখি দেখতে বিলপাড়ে ভিড় জমান অনেকেই। তবে এবারে একদম পাখি আসেনি। তাই তেমন মানুষও নেই। প্রতিবছর এই সময়টা পাখি দেখেই কাটে আমাদের। এবছর তাই ভালো লাগছে না।
অপর এক বাসিন্দা তাজকির আলম বলেন, প্রত্যেকবছর এই সময়ে বিল পাখিতে ভরে যায়। বিকেল হলেই বিলের পাড়ে গিয়ে ছেলেকে নিয়ে পাখি দেখি। এবছর জাঁকিয়ে শীতও পড়তে শুরু করেছে। তারপরেও দেখা নেই পাখিদের। আমার ছেলেরও মুখ ভার।
দীর্ঘদিন ধরে মুর্শিদাবাদের খয়রামারি সহ বিভিন্ন জলাশয়ে পরিযায়ী পাখির আনাগোনার তথ্য সংগ্রহ করেছেন পেশায় স্কুল শিক্ষক সৌম্যদীপ মণ্ডল। তিনি বলেন, এবারে আমরা লক্ষ্য করেছি, বেশ কিছু জলাশয়ে এখনও পরিযায়ী পাখি আসেনি। মনে হয় জলাশয়গত ভূপ্রাকৃতিক পরিবর্তনের কারণেই এমনটা হয়ে থাকতে পারে। আসলে এবছর জেলায় ভালো বৃষ্টি হয়েছে। এতে বিভিন্ন জলাশয়ে জল রয়েছে। বড় বড় বিলগুলির পরিবর্তে বিভিন্ন জায়গায় এইরকম জলাশয়গুলিতে পাখিরা ভিড় করছে। তবে জানুয়ারির শুরুতেই জাঁকিয়ে শীত পড়তে শুরু করেছে। সঙ্গে ওইসব জলাশয়গুলির জলও মরতে শুরু হয়েছে। আশা করি আর দিন কয়েকের মধ্যেই ওইসব জলাশয়গুলি থেকে খয়রামারি বিল সহ বেশ কয়েকটি বিলে পরিযায়ী পাখির আগমন ঘটবে।



