সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: শহরবাসীর সুবিধার্থে ইংরেজি নতুন বছরে বুনিয়াদপুর পুরসভা ওয়েবসাইট উদ্বোধনের পরিকল্পনা নিয়েছে। পুরসভার নিজস্ব ওয়েবসাইট না থাকায় একাধিক পরিষেবা পেতে সমস্যা হচ্ছে নাগরিকদের বলে অভিযোগ। পুরসভার উন্নয়নমূলক কাজের টেন্ডার ও শহরবাসীর উদ্দেশ্যে সাধারণ নোটিস প্রকাশ করতেও জেলা প্রশাসনের উপর নির্ভর করতে হচ্ছে। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে পুরসভা এখনও ডিজিটাল হয়ে উঠতে পারেনি। তবে ইংরেজি নতুন বছরেই পুরসভার নিজস্ব ওয়েবসাইট চালু হয়ে যাবে। পুরসভা সূত্রে এমনটাই জানা গিয়েছে।
Advertisement
পুরসভার নতুন ওয়েবসাইট চালু হলে ট্রেড লাইসেন্স, বার্থ ও ডেথ সার্টিফিকেট, প্রোপার্টি ট্যাক্স কালেকশন, উন্নয়নমূলক কাজের টেন্ডার প্রকাশে সুবিধা হবে। ওয়েবসাইটে থাকবে পুরসভার জনবিন্যাস, ওয়ার্ডের ম্যাপ ইত্যাদি। এছাড়াও পুরসভার পরিষেবা সংক্রান্ত বিষয়ে নাগরিকরা মতামত দিতে পারবেন। সেই মতামত গুরুত্ব সহকারে বিচার করবে পুর কর্তৃপক্ষ। পুর প্রশাসক কমল সরকার বলেন, নাগরিক পরিষেবা উন্নত করার চেষ্টা চালাচ্ছি। আমাদের ওয়েবসাইট না থাকায় একটা সমস্যা হচ্ছে নাগরিকদের। ওয়েবসাইট উদ্বোধন হলে প্রোপার্টি ট্যাক্স বাড়ি বসে নাগরিকরা দিতে পারবেন। ট্রেড লাইসেন্স অনলাইন করে দেওয়া হবে। পুরসভার একটি নম্বর শহরবাসীর জন্য দেওয়া থাকবে। সেখানে মানুষ ২৪ ঘণ্টা যে কোনও সমস্যা জানাতে পারবেন। পুরসভা তাদের পাশে থাকবে সবসময়। পুরসভার দেওয়া ফোন নম্বর থেকে পুর পরিষেবার জন্য বুকিং করতে পারবেন মানুষ। পুর প্রশাসক কমলের কথায়, নতুন বছরেই ওয়েবসাইট উদ্বোধন করা হবে।
২০১৭ সালে বুনিয়াদপুর পুরসভায় প্রথম নির্বাচন হয়। তৃণমূল কংগ্রেস পুরসভার ক্ষমতা দখল করে। পুরসভার পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষে এখন প্রশাসক বোর্ড ক্ষমতায় রয়েছে। এতদিন পুরসভার নিজস্ব ওয়েবসাইট না থাকায় নানা কাজে সমস্যা হচ্ছিল। শহরের বাসিন্দা অপূর্ব মণ্ডল বলেন, সবসময় পুরসভায় যাওয়া হয়ে ওঠে না। পুরসভার নিজস্ব ওয়েবসাইট থাকলে অনেক কাজ বাড়িতে বসে করা যাবে।
২০১৭ সালে বুনিয়াদপুর পুরসভায় প্রথম নির্বাচন হয়। তৃণমূল কংগ্রেস পুরসভার ক্ষমতা দখল করে। পুরসভার পাঁচ বছরের মেয়াদ শেষে এখন প্রশাসক বোর্ড ক্ষমতায় রয়েছে। এতদিন পুরসভার নিজস্ব ওয়েবসাইট না থাকায় নানা কাজে সমস্যা হচ্ছিল। শহরের বাসিন্দা অপূর্ব মণ্ডল বলেন, সবসময় পুরসভায় যাওয়া হয়ে ওঠে না। পুরসভার নিজস্ব ওয়েবসাইট থাকলে অনেক কাজ বাড়িতে বসে করা যাবে।



