সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: ডিসেম্বর শেষেও জাঁকিয়ে শীতের দেখা নেই। জানুয়ারির দ্বিতীয় সপ্তাহের মধ্যে জেলায় উত্তুরে হাওয়া ঢোকার মধ্য দিয়ে শীত জাঁকিয়ে পড়বে বলে হাওয়া অফিস সূত্রে খবর। সাধারণত, গৌড়বঙ্গজুড়ে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি থেকে শীতের আমেজ দেখা যায়। কিন্তু এবারে বড়দিন থেকে নতুন বছরের শুরুতেও সেভাবে জাঁকিয়ে শীতের দেখা মিলছে না।
Advertisement
এবারে উত্তুরে হাওয়া অনেক দেরিতে ঢোকার কারণে আবহাওয়ার তারতম্য দেখা গিয়েছে। দিনের বেলায় প্রখর রোদ, রাত হলে তাপমাত্রা নামছে। ডিসেম্বর পেরিয়ে গেলেও সেভাবে শীত না পড়ায় গরম কাপড়েরও চাহিদা কম।
জেলার মাঝিয়ান কৃষিবিজ্ঞান কেন্দ্র সূত্রে জানা গিয়েছে, নতুন বছর থেকে শীতের সঙ্গে পিকনিকের আদর্শ আবহাওয়া গৌড়বঙ্গজুড়ে চলবে। বিশেষ করে বিহার ও ঝাড়খণ্ডের উপর দিয়ে পশ্চিমিঝঞ্জার কারণে কুয়াশার প্রভাব দেখা যাবে। পশ্চিমিঝঞ্জা শেষের সঙ্গে সঙ্গে উত্তুরে হাওয়া ঢোকা শুরু করবে। মাঝিয়ান কৃষিবিজ্ঞান কেন্দ্রের আবহাওয়া বিশেষজ্ঞ সুমন সূত্রধর বলেন, প্রত্যেক বছরেই ডিসেম্বরের মাঝামাঝি থেকেই শীতের আমেজ আসে। কিন্তু এবারে উত্তুরে হাওয়া না আসায় শীত জাঁকিয়ে পড়তে দেরি হচ্ছে। তার জন্য বিশেষ কোনও কারণ নেই। এখন দুদিন মেঘলা আকাশ থাকলেও নতুন বছরে আকাশ পরিষ্কার থাকবে। নতুন বছরের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকেই জাঁকিয়ে শীতের আমেজ নিতে পারবেন জেলাবাসী।
গঙ্গারামপুরের বাসিন্দা অভিনব বিশ্বাস বলেন, ইংরেজি নতুন বছর চলে এলেও সেভাবে শীতের দেখা নেই। দিনে ভালোই রোদ থাকছে। যার কারণে এখনও পিকনিকের পরিকল্পনা করা যাচ্ছে না। জাঁকিয়ে শীত পড়ার অপেক্ষায় গঙ্গারামপুর শহরের কাপড় ব্যবসায়ী রাহুল আগরওয়ালও। বলেন, এখনও শীতের সেই হাড় কাঁপুনি ঠান্ডা অনুভূত না হওয়ায় গরমের জামা কাপড় বিক্রি কম। শীত পড়লেই গরম জামা কাপড়ের ব্যবসা জমবে।
জেলার মাঝিয়ান কৃষিবিজ্ঞান কেন্দ্র সূত্রে জানা গিয়েছে, নতুন বছর থেকে শীতের সঙ্গে পিকনিকের আদর্শ আবহাওয়া গৌড়বঙ্গজুড়ে চলবে। বিশেষ করে বিহার ও ঝাড়খণ্ডের উপর দিয়ে পশ্চিমিঝঞ্জার কারণে কুয়াশার প্রভাব দেখা যাবে। পশ্চিমিঝঞ্জা শেষের সঙ্গে সঙ্গে উত্তুরে হাওয়া ঢোকা শুরু করবে। মাঝিয়ান কৃষিবিজ্ঞান কেন্দ্রের আবহাওয়া বিশেষজ্ঞ সুমন সূত্রধর বলেন, প্রত্যেক বছরেই ডিসেম্বরের মাঝামাঝি থেকেই শীতের আমেজ আসে। কিন্তু এবারে উত্তুরে হাওয়া না আসায় শীত জাঁকিয়ে পড়তে দেরি হচ্ছে। তার জন্য বিশেষ কোনও কারণ নেই। এখন দুদিন মেঘলা আকাশ থাকলেও নতুন বছরে আকাশ পরিষ্কার থাকবে। নতুন বছরের দ্বিতীয় সপ্তাহ থেকেই জাঁকিয়ে শীতের আমেজ নিতে পারবেন জেলাবাসী।
গঙ্গারামপুরের বাসিন্দা অভিনব বিশ্বাস বলেন, ইংরেজি নতুন বছর চলে এলেও সেভাবে শীতের দেখা নেই। দিনে ভালোই রোদ থাকছে। যার কারণে এখনও পিকনিকের পরিকল্পনা করা যাচ্ছে না। জাঁকিয়ে শীত পড়ার অপেক্ষায় গঙ্গারামপুর শহরের কাপড় ব্যবসায়ী রাহুল আগরওয়ালও। বলেন, এখনও শীতের সেই হাড় কাঁপুনি ঠান্ডা অনুভূত না হওয়ায় গরমের জামা কাপড় বিক্রি কম। শীত পড়লেই গরম জামা কাপড়ের ব্যবসা জমবে।



