নয়াদিল্লি: সুযোগ পেলেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মুখে শোনা যায় ‘আত্মনির্ভর ভারত’-এর স্লোগান। আমদানি নির্ভরতা কাটিয়ে উঠতে ২০১৪ সালে চালু হয় ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’। সরকারের দাবি ছিল, এর মাধ্যমে দেশেই উৎপাদিত হবে বিভিন্ন পণ্য। দেশের বাজারে চাহিদা পূরণের পাশাপাশি তা রপ্তানিও হবে। কিন্তু মুখ থুবড়ে পড়েছে মোদির সাধের এই প্রকল্প। তথ্য বলছে, গত জানুয়ারিতে পণ্য রপ্তানি ২.৩৮ শতাংশ কমেছে। সে তুলনায় আমদানি বেড়েছে ১০.২৮ শতাংশ। স্বাভাবিকভাবে লাফিয়ে বেড়েছে বাণিজ্য ঘাটতি। গত কয়েক মাসে ডলারের তুলনায় টাকার দাম পড়ছে। এই পরিস্থিতিতে আমদানি বেড়ে যাওয়ায় তা বিদেশি মুদ্রা ভাণ্ডারে চাপ বাড়াবে।
Advertisement
সোমবার কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকাশ করা তথ্য অনুযায়ী, গত জানুয়ারিতে পণ্য রপ্তানি কমে দাঁড়িয়েছে ৩ হাজার ৬৪৩ কোটি মার্কিন ডলার। ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে যা ছিল ৩ হাজার ৭৩২ কোটি মার্কিন ডলার। সে তুলনায় পণ্য আমদানি ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে যা ৫ হাজার ৩৮৮ কোটি ডলার ছিল, গত মাসে তা বেড়ে হয়েছে ৫ হাজার ৯৪২ কোটি ডলার।
আমদানি ও রপ্তানির মধ্যে ফারাকের ফলে বিপুল বেড়েছে পণ্য বাণিজ্য ঘাটতি। গত জানুয়ারিতে যা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ২৯৯ কোটি ডলার। যা গত দু’মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। ডিসেম্বরে বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ ছিল ২ হাজার ১৯৪ কোটি মার্কিন ডলার।
আমদানি ও রপ্তানির মধ্যে ফারাকের ফলে বিপুল বেড়েছে পণ্য বাণিজ্য ঘাটতি। গত জানুয়ারিতে যা দাঁড়িয়েছে ২ হাজার ২৯৯ কোটি ডলার। যা গত দু’মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। ডিসেম্বরে বাণিজ্য ঘাটতির পরিমাণ ছিল ২ হাজার ১৯৪ কোটি মার্কিন ডলার।



