সংবাদদাতা, গঙ্গারামপুর: দলের জনপ্রতিনিধিদের ভূমিকা নিয়ে নালিশ করলেন তৃণমূল জেলা সভাপতি সুভাষ ভাওয়াল। বুনিয়াদপুরে দলের কিষান ক্ষেতমজুর সংগঠনের সম্মেলনে তাঁর এই অনুযোগ শোনার পরই সভামঞ্চ থেকে জেলায় রদবদলের ইঙ্গিত দিলেন সংগঠনের রাজ্য সভাপতি পূর্ণেন্দু বসু।
Advertisement
২৭ ফেব্রুয়ারি কলকাতায় তৃণমূলের জনপ্রতিনিধি ও সাংগঠনিক পদাধিকারীদের নিয়ে বৈঠক করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার আগে বুনিয়াদপুরে পূর্ণেন্দুর সম্মেলনে আসা যথেষ্ট তাত্পর্যপূর্ণ। তাঁর সঙ্গে ছিলেন সাংসদ দোলা সেন। বুনিয়াদপুর সুকান্ত ভবনে সম্মেলনে রাজ্য নেতৃত্বকে কাছে পেয়ে জেলায় তৃণমূলের সংগঠনের কঙ্কালসার অবস্থা তুলে ধরেন সুভাষ। সম্মিলিত চেষ্টার অভাবে জেলায় দলের সংগঠনের ছন্দপতন হয়েছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। সুভাষের কথায়, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় সাংগঠনিক বৈঠক, সভা, দলীয় বৈঠকে গরহাজির থাকছেন গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি ও জেলা পরিষদের জনপ্রতিনিধিরা। অথচ কলকাতার মিটিংয়ে যোগ দেওয়ার জন্য কার নাম এসেছে, কার আসেনি, তা নিয়েই বেশি চিন্তিত জনপ্রতিনিধিরা। কলকাতায় খবর পৌঁছবে না ভেবে সংগঠনকে গুরুত্ব দিচ্ছেন না তাঁরা।
এরপরেই পূর্ণেন্দু হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, অনেক জনপ্রতিনিধির লেজ মোটা হয়ে গিয়েছে। তাঁরা সাধারণ মানুষের ফোন ধরেন না। অনেক সাহস করে জেলা তৃণমূল সভাপতি আমাদের সেকথা জানিয়েছেন।
পূর্ণেন্দু এদিন একাংশ নেতা, কর্মী ও জনপ্রতিনিধিদের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, জেলায় কোন কর্মী, নেতারা সক্রিয় বা নিষ্ক্রিয় রয়েছেন, কে টাকা তুলে আখের গোছাচ্ছেন, সমস্ত খবর ইতিমধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে পৌঁছে গিয়েছে। জেলায় রদবদলের বিষয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।
এপ্রসঙ্গে জেলা পরিষদের সদস্য মৃণাল সরকারের মন্তব্য, দলের ভিতরের সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে এমন ভাবে প্রকাশ্যে বলা উচিত নয়। তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিরা কেন সংগঠনের কাজে আসছেন না, তা নিয়ে বৈঠক করে সমাধান করা উচিত জেলা সভাপতির। সংগঠনে পর্যালোচনা প্রয়োজন রয়েছে।
এরপরেই পূর্ণেন্দু হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, অনেক জনপ্রতিনিধির লেজ মোটা হয়ে গিয়েছে। তাঁরা সাধারণ মানুষের ফোন ধরেন না। অনেক সাহস করে জেলা তৃণমূল সভাপতি আমাদের সেকথা জানিয়েছেন।
পূর্ণেন্দু এদিন একাংশ নেতা, কর্মী ও জনপ্রতিনিধিদের হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, জেলায় কোন কর্মী, নেতারা সক্রিয় বা নিষ্ক্রিয় রয়েছেন, কে টাকা তুলে আখের গোছাচ্ছেন, সমস্ত খবর ইতিমধ্যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে পৌঁছে গিয়েছে। জেলায় রদবদলের বিষয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন।
এপ্রসঙ্গে জেলা পরিষদের সদস্য মৃণাল সরকারের মন্তব্য, দলের ভিতরের সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে এমন ভাবে প্রকাশ্যে বলা উচিত নয়। তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিরা কেন সংগঠনের কাজে আসছেন না, তা নিয়ে বৈঠক করে সমাধান করা উচিত জেলা সভাপতির। সংগঠনে পর্যালোচনা প্রয়োজন রয়েছে।



