নিজস্ব প্রতিনিধি, কৃষ্ণনগর: নদীয়া সহ রাজ্যের বাকি জেলায় চাষের জমিতে হু হু করে কমছে জিঙ্ক ও বোরনের মাত্রা। এগুলোকে অনুখাদ্য বলা হয়। আর সেই ঘাটতি চাষের কাজে বিপদ ডেকে আনছে। চাষের জমিতে মাটির গুণগতমান নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে রাজ্যজুড়েই। অতিরিক্ত মাত্রায় ধান কিংবা ডালশস্য চাষ করার ফলেই এই আশঙ্কা দেখা দিয়েছে বলে মনে করছে কৃষি বিশেষজ্ঞরা। কারণ এই দুই ফসল মাটি থেকে যথেচ্ছ পরিমাণে অনুখাদ্য হিসেবে জিঙ্ক ও বোরন টেনে নেয়। প্রতিবছর সেই জমিতে লাগাতার চাষ করার ফলে মাটি ক্রমশ অনুখাদ্য শূন্য হয়ে পড়ছে। এবার সেই অনুখাদ্যের চাহিদা মেটাতেই উদ্যোগ নিয়েছে রাজ্য সরকার। নদীয়া সহ রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় যেখানে যেখানে চাষের জমিতে অনুখাদ্যের পরিমাণ তলানিতে এসে ঠেকেছে, সেখানকার চাষিদের রাজ্য সরকারের তরফ থেকে বিনামূল্যে অনুখাদ্য প্রদান করা হবে। যার জন্য প্রায় ৫০ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।
Advertisement
নদীয়ার অ্যাডিশনাল ডাইরেক্টর অব এগ্রিকালচার (পার্সোনাল) প্রদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, চাষের জমির উর্বরতা বাড়াতে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে অনুখাদ্য প্রদান করা হচ্ছে। বেশ কিছু জেলাকে ইতিমধ্যেই তার জন্য টাকা পাঠানো হয়েছে। নদীয়া জেলাও খুব শিগগিরই টাকা পাবে এর জন্য। সম্পূর্ণ বিনামূল্যে চাষিদের এই অনুখাদ্য দেওয়া হবে।
রাজ্য ও কেন্দ্র সরকারের যৌথ প্রকল্পে চাষিদের মাটির গুণগত মান নিয়ে হচ্ছে সয়েল হেলথ কার্ড। তার জন্য প্রশাসনের আধিকারিকরা বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে মাটির নমুনা সংগ্রহ করছেন। তারপর সেই নমুনা নির্দিষ্ট ল্যাবে পাঠানো হয়। গত বছর থেকে এই কাজ শুরু হয়েছে। ২০২৩ সালের নদীয়া জেলায় মোট ১৮ হাজার চাষির সয়েল হেলথ কার্ড করা হয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে ২৩ হাজার চাষির এই হেলথ কার্ড বানানো হচ্ছে।
গত বছরের চাষিদের দেওয়া হেলথ কার্ডের রিপোর্টেই জমির গুণগতমান নিয়ে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। বিভিন্ন জায়গার জমি পরীক্ষা করে দেখা যায়, জিঙ্ক ও বোরনের মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে কমে গিয়েছে। শুধু নদীয়া জেলাতেই এমন প্রায় ৬৪ হাজার জমি চিহ্নিত করা গিয়েছে, যেখানে অনুখাদ্যের ঘাটতি রয়েছে। এক কৃষি আধিকারিকের কথায়, প্রকৃত দুঃস্থ চাষিদেরকেই এই বিনামূল্যে অনুখাদ্য প্রদান করা হবে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে, যাতে তাঁরা সেই অনুখাদ্য জমিতে প্রয়োগ করে জমির উর্বরতা বাড়াতে পারে। নদীয়া জেলার কমবেশি এক হাজার জন চাষিকে এই অনুখাদ্য প্রদান করা হবে।
এমনিতেই পশ্চিমবঙ্গ শস্য শ্যামলা রাজ্য। এখানে ধান ও ডাল শস্য চাষের পরিমাণ অত্যধিক। কিন্তু অবৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে এই চাষ জমির উর্বরতার ক্ষতি করছে বলে মনে করছেন কৃষি বিশেষজ্ঞরা। কারণ সচরাচর চাষের জন্য নাইট্রোজেন, পটাশ, ফসফেট এসব সার প্রয়োগ করা হয়। কিন্তু অনুখাদ্যের জোগান মেটাবে সেরকম কিছু প্রয়োগ করা হয় না। আবার অনুখাদ্যের মাত্রা ঠিক না থাকলে ধান ও ডাল শস্যের চাষের প্রভাব পড়ে। বোরনের অভাবে গাছ বেঁটে হয়। ধানের শিস চিটে (ফাঁপা) হয়, ভিতরে দানা থাকে না। ফসলে অনুখাদ্যের অভাবে ৪০ শতাংশ ফলন কম হয়। তাই মাটির উর্বরতার জন্য অনুখাদ্যের গুরুত্ব অপরিসীম।
রাজ্য ও কেন্দ্র সরকারের যৌথ প্রকল্পে চাষিদের মাটির গুণগত মান নিয়ে হচ্ছে সয়েল হেলথ কার্ড। তার জন্য প্রশাসনের আধিকারিকরা বিভিন্ন এলাকায় গিয়ে মাটির নমুনা সংগ্রহ করছেন। তারপর সেই নমুনা নির্দিষ্ট ল্যাবে পাঠানো হয়। গত বছর থেকে এই কাজ শুরু হয়েছে। ২০২৩ সালের নদীয়া জেলায় মোট ১৮ হাজার চাষির সয়েল হেলথ কার্ড করা হয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থ বছরে ২৩ হাজার চাষির এই হেলথ কার্ড বানানো হচ্ছে।
গত বছরের চাষিদের দেওয়া হেলথ কার্ডের রিপোর্টেই জমির গুণগতমান নিয়ে এই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। বিভিন্ন জায়গার জমি পরীক্ষা করে দেখা যায়, জিঙ্ক ও বোরনের মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে কমে গিয়েছে। শুধু নদীয়া জেলাতেই এমন প্রায় ৬৪ হাজার জমি চিহ্নিত করা গিয়েছে, যেখানে অনুখাদ্যের ঘাটতি রয়েছে। এক কৃষি আধিকারিকের কথায়, প্রকৃত দুঃস্থ চাষিদেরকেই এই বিনামূল্যে অনুখাদ্য প্রদান করা হবে রাজ্য সরকারের তরফ থেকে, যাতে তাঁরা সেই অনুখাদ্য জমিতে প্রয়োগ করে জমির উর্বরতা বাড়াতে পারে। নদীয়া জেলার কমবেশি এক হাজার জন চাষিকে এই অনুখাদ্য প্রদান করা হবে।
এমনিতেই পশ্চিমবঙ্গ শস্য শ্যামলা রাজ্য। এখানে ধান ও ডাল শস্য চাষের পরিমাণ অত্যধিক। কিন্তু অবৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে এই চাষ জমির উর্বরতার ক্ষতি করছে বলে মনে করছেন কৃষি বিশেষজ্ঞরা। কারণ সচরাচর চাষের জন্য নাইট্রোজেন, পটাশ, ফসফেট এসব সার প্রয়োগ করা হয়। কিন্তু অনুখাদ্যের জোগান মেটাবে সেরকম কিছু প্রয়োগ করা হয় না। আবার অনুখাদ্যের মাত্রা ঠিক না থাকলে ধান ও ডাল শস্যের চাষের প্রভাব পড়ে। বোরনের অভাবে গাছ বেঁটে হয়। ধানের শিস চিটে (ফাঁপা) হয়, ভিতরে দানা থাকে না। ফসলে অনুখাদ্যের অভাবে ৪০ শতাংশ ফলন কম হয়। তাই মাটির উর্বরতার জন্য অনুখাদ্যের গুরুত্ব অপরিসীম।



