Bartaman Logo
১০ জুন, ২০২৬
বর্তমান / রাজ্য

জঙ্গিপুর পুরসভার চেয়ারম্যানের সঙ্গে বিধায়কের দ্বন্দ্ব অব্যাহত

জঙ্গিপুর পুরসভার চেয়ারম্যানের সঙ্গে বিধায়কের দ্বন্দ্ব অব্যাহত
  • ৬ মার্চ, ২০২৫ ০০:০০
Prefer us on Google
সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: জঙ্গিপুর পুরসভার চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানের সঙ্গে বিধায়কের দ্বন্দ্ব থামার কোনও লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। গত সোমবার সন্ধ্যায় পুরসভায় ভাইস চেয়ারম্যানকে পাশে বসিয়ে চেয়ারম্যান মফিজুল ইসলাম সাংবাদিকদের জানিয়েছিলেন, তাঁদের মধ্যে আর কোনও বিরোধ নেই। সমস্ত ভুল বোঝাবুঝি মিটে গিয়েছে। নাগরিক পরিষেবা যথাযথভাবে মিলবে বলে আশ্বাসও দেন। ওইদিন কয়েকজন কাউন্সিলারও উপস্থিতি ছিলেন। কিন্তু ৭২ ঘণ্টার মধ্যেই তাঁর অবস্থান স্পষ্ট করলেন বিধায়ক জাকির হোসেন। তিনি বলেন, চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যানকে ভুল স্বীকার করে প্রকাশ্যে ক্ষমা চাইতে হবে। দুর্নীতিকে কোনওভাবেই প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। যদিও বিধায়কের এদিনের করা মন্তব্য নিয়ে মুখ খুলতে চাননি চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান।
Advertisement
জঙ্গিপুরের বিধায়ক বলেন, এলাকায় উন্নয়নের কাজে অনিয়মের অভিযোগ পেলে তা খতিয়ে দেখার অধিকার আমার রয়েছে। অন্যায়ের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করাটা যাঁদের ভুল মনে হয়েছে তাঁদের ক্ষমা চাইতে হবে। ক্ষমা না চাইলে তাঁদের সঙ্গে আপস নয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শহর এলাকায় রাস্তা, ড্রেন সহ কমিউনিটি হল নির্মাণের কাজে অনিয়মের একাধিক অভিযোগ পান বিধায়ক। অভিযোগ পেয়েই তিনি শহরের একাধিক ওয়ার্ডে উন্নয়নের কাজ পরিদর্শনে যান। পরিদর্শনে গিয়ে তিনি কাজের মান দেখে রীতিমতো ক্ষোভ প্রকাশ করেন। ইঞ্জিনিয়ারকে ডেকে কাজ বুঝিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন বিধায়ক। তারপর কাজের বিল আটকে দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেন। প্রায় দিন কুড়ি আগে ভাইস চেয়ারম্যানের ১২ নম্বর ওয়ার্ডের একটি রাস্তা পরিদর্শনে যান জাকির সাহেব। সেই রাস্তার কাজ সিডিউল মেনে হয়নি কেন, তা নিয়ে ইঞ্জিনিয়ারকে ডেকে জবাব চান। ভাইস চেয়ারম্যান সন্তোষ চৌধুরী ঘটনাস্থলে পৌঁছলে বিধায়কের সঙ্গে রীতিমতো কথা কাটাকাটি হয়। ভাইস চেয়ারম্যানের দাবি, রাস্তার কাজ নিয়ম মেনেই হয়েছে। চেয়ারম্যানও বিধায়কের অভিযোগ উড়িয়ে দেন। তারপর থেকেই বিধায়কের সঙ্গে পুরসভার কর্তাদের দূরত্ব তৈরি হয়।
এদিকে, পুরসভার ডাম্পিং গ্রাউন্ড সমস্যা নিয়ে জাকির হোসেন বলেন, পুরসভা শহরবাসীকে পরিষেবা দিতে ব্যর্থ। সাধারণ মানুষের কথা ভেবে আমার নিজস্ব জায়গায় আবর্জনা ফেলার জন্য পুরসভাকে বলেছি।
যদিও চেয়ারম্যান বলেন, বিধায়কের করা মন্তব্য নিয়ে এখনই কিছু বলব না। যা বলার পরে বলব। তবে, পুরসভার নিজস্ব জমি কেনা হচ্ছে। সেটা হয়ে গেলেই আবর্জনা ফেলার সমস্যা মিটে যাবে। ভাইস চেয়ারম্যান বলেন, বিধায়ক যা ভালো মনে করেছেন তা বলেছেন। এবিষয়ে আমার কিছু বলার নেই। 
Advertisement
সম্পর্কিত সংবাদ