সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: জঙ্গিপুর-লালগোলা রাজ্য সড়কের পাশে তেঘড়িতে বিশাল জলাশয় দখল করে বেআইনি নির্মাণ চলছিল। অভিযোগ পেয়ে জঙ্গিপুর ফাঁড়ির পুলিস শনিবার সকালে সেখানে গিয়ে কাজ বন্ধ করে দেয়। বেআইনি নির্মাণের একাংশ ভেঙে ফেলা হয়। ওই বিশাল জলাশয়ে শীতের মরশুমে জল থাকে না। সেসময় স্থানীয় যুবকরা সেটি খেলাধুলোর মাঠ হিসেবে ব্যবহার করেন। সেটি দখল করে দোকানঘর তৈরি হচ্ছিল। স্থানীয়রা আপত্তি জানালেও কাজ হয়নি। এরপর পুলিসের নজরে আসতেই কাজ বন্ধ করে দেওয়া হয়।
Advertisement
জঙ্গিপুর ফাঁড়ির পুলিস জানিয়েছে, অভিযোগের ভিত্তিতে আপাতত নির্মাণকাজ বন্ধ করতে বলা হয়েছে। যেখানে মাটি কাটা হয়েছে, সেই জায়গা আবার ভরাট করতে বলা হয়েছে। কোনও বেআইনি নির্মাণ বরদাস্ত করা হবে না। রঘুনাথগঞ্জ-২ এর বিএলএলআরও সন্দীপ কুমার দাস বলেন, এবিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। খোঁজ নিয়ে দেখছি।রঘুনাথগঞ্জের তেঘড়ি ও শেখালিপুর পঞ্চায়েতের মাঝে রাজ্য সড়কের পাশে কৃষ্ণশাইল মোড় লাগোয়া জলাশয়টি একটু একটু করে দখল হয়ে যাচ্ছে। ওই জলাশয় ফরাক্কা বাঁধ প্রকল্পের অধীনে রয়েছে। বর্ষার মরশুমে জল থাকলেও শুখা মরশুমে সেটি শুকিয়ে যায়। আশপাশে খেলাধুলোর মাঠ না থাকায় স্থানীয় যুবকরা সেখানে ফুটবল ও ক্রিকেট খেলেন। অভিযোগ, স্থানীয় বাসিন্দা ইসমাইল শেখ সেই জলাশয় দখল করে নির্মাণকাজ শুরু করেছিল। বেশ কয়েকটি বড় পিলারও তোলা হয়। এদিন পিলারের উপর ঢালাইয়ের জন্য সেন্টারিংয়ের কাজ চলছিল। পাশেই কিছুটা দূরে পিলার তোলার জন্য মাটি কাটা হচ্ছিল। পুলিস গিয়ে সেই কাজ বন্ধ করে দেয়। স্থানীয় বাসিন্দা সামসুদ্দিন শেখ বলেন, আদতে জলাশয় হলেও এখানে বেশিরভাগ সময় খেলাধুলো হয়। একসময় আমরাও এই মাঠে খেলেছি। এখন আশপাশের এলাকার ছেলেরা খেলাধুলো করে। এই এলাকায় আর কোনও মাঠ নেই। একশ্রেণির অসাধু লোক এই জলাশয় দখল করে দোকানঘর করছে। এটি আগেই বন্ধ হওয়া উচিত ছিল।
অভিযুক্ত ব্যক্তি বলেন, ওই এলাকায় আমার পুরনো বাইক বেচাকেনার দোকান রয়েছে। তার পাশেই একটি বিল্ডিং তৈরির কাজ পুলিস এসে বন্ধ করে দিয়েছে। ওই বেআইনি নির্মাণ আমি করিনি। কে করেছে, জানি না। তেঘড়ি পঞ্চায়েতের প্রধান ফেরদৌসি খাতুন বলেন, কে অবৈধ নির্মাণ করছে জানি না। শুনেছি পুলিস পদক্ষেপ করেছে।
অভিযুক্ত ব্যক্তি বলেন, ওই এলাকায় আমার পুরনো বাইক বেচাকেনার দোকান রয়েছে। তার পাশেই একটি বিল্ডিং তৈরির কাজ পুলিস এসে বন্ধ করে দিয়েছে। ওই বেআইনি নির্মাণ আমি করিনি। কে করেছে, জানি না। তেঘড়ি পঞ্চায়েতের প্রধান ফেরদৌসি খাতুন বলেন, কে অবৈধ নির্মাণ করছে জানি না। শুনেছি পুলিস পদক্ষেপ করেছে।



