সংবাদদাতা, জঙ্গিপুর: জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে খুব তাড়াতাড়ি সিটি স্ক্যান পরিষেবা চালু হবে। শনিবার স্বাস্থ্যভবন ও জেলা স্বাস্থ্যদপ্তরের একটি প্রতিনিধিদল সিটিস্ক্যান যন্ত্র খতিয়ে দেখেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, স্বাস্থ্যভবনের সবুজ সঙ্কেত মিললেই এই পরিষেবা শুরু হবে। দিনরাত ২৪ ঘণ্টা এই পরিষেবা দেওয়া হবে। ফলে জঙ্গিপুর মহকুমা সহ আশপাশের কয়েকহাজার মানুষ উপকৃত হবে।
Advertisement
মহকুমা হাসপাতালে এই পরিষেবা চালু হওয়ায় খুশি রোগী ও তাঁদের আত্মীয়রা। এতদিন প্রয়োজনে তাঁদের কোনও বেসরকারি হাসপাতাল থেকে সিটি স্ক্যান করাতে হতো। তাতে মোটা টাকা খরচ হতো। এবার থেকে বিনামূল্যেই এই পরিষেবা মিলবে।
হাসপাতালের সুপার কাশীনাথ পাঁজা বলেন, সিটি স্ক্যানের জন্য অত্যাধুনিক যন্ত্র বসানো হয়েছে। স্বাস্থ্যভবনের কর্তারা পুরো বিষয়টি পরীক্ষামূলকভাবে দেখে গিয়েছেন। খুব তাড়াতাড়ি পরিষেবা চালু হবে।
হাসপাতালের রোগীকল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান জাকির হোসেন বলেন, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সবসময় মানুষের কথা ভাবেন। সাধারণ মানুষ যাতে উন্নতমানের চিকিৎসা পরিষেবা পান, সেই লক্ষ্যে হাসপাতালে বিনামূল্যে এই পরিষেবা দেওয়া হবে।
জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে প্রতিদিন কয়েকহাজার মানুষ স্বাস্থ্য পরিষেবা নেন। দুর্ঘটনা ও মারপিটের কারণে মাথায় আঘাত পাওয়া রোগী প্রায় প্রতিদিনই এই হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এতদিন এই রোগীদের প্রয়োজনে বাইরে থেকে সিটি স্ক্যান করাতে হতো। জঙ্গিপুরে কয়েকটি হাতে গোনা বেসরকারি হাসপাতালে এই পরিষেবা মেলে। তার জন্য রোগীকে প্রায় দু’তিন হাজার টাকা খরচ করতে হয়। বিড়িশ্রমিক ও নির্মাণকর্মী অধ্যুষিত জঙ্গিপুরে অনেকের পক্ষেই একসঙ্গে এত টাকা খরচ করা কষ্টসাধ্য। এখন থেকে হাসপাতালেই ২৪ ঘণ্টা সিটি স্ক্যান পরিষেবা মিলবে।
সুপারস্পেশালিটি বিল্ডিংয়ের গ্রাউন্ড ফ্লোরেই সিটি স্ক্যান হবে। এই পরিষেবা পেতে রোগীকে সচিত্র পরিচয়পত্র যেমন আধার বা ভোটার কার্ড, স্বাস্থ্যসাথী কার্ড ও মোবাইল নম্বর সঙ্গে রাখতে হবে।
রঘুনাথগঞ্জের মহালদারপাড়ার বাসিন্দা বাবলু শেখ বলেন, ছেলে পড়ে গিয়ে মাথায় আঘাত পেয়েছে। ডাক্তারবাবু মাথার সিটি স্ক্যান করাতে বলেছেন। শুনেছি হাসপাতালে বিনামূল্যে এই পরিষেবা মিলবে। এতে খুবই সুবিধা হবে।
রোগীকল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান বলেন, সাধারণ মানুষের ধারণা, সরকারি হাসপাতালের যন্ত্র মানে অকেজো অবস্থায় পড়ে থাকবে। আমি নির্দেশ দিয়েছি, কোনও কর্মীর গাফিলতিতে এই পরিষেবা বন্ধ হলে সেই কর্মীর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হবে।
হাসপাতালের সুপার কাশীনাথ পাঁজা বলেন, সিটি স্ক্যানের জন্য অত্যাধুনিক যন্ত্র বসানো হয়েছে। স্বাস্থ্যভবনের কর্তারা পুরো বিষয়টি পরীক্ষামূলকভাবে দেখে গিয়েছেন। খুব তাড়াতাড়ি পরিষেবা চালু হবে।
হাসপাতালের রোগীকল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান জাকির হোসেন বলেন, বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সবসময় মানুষের কথা ভাবেন। সাধারণ মানুষ যাতে উন্নতমানের চিকিৎসা পরিষেবা পান, সেই লক্ষ্যে হাসপাতালে বিনামূল্যে এই পরিষেবা দেওয়া হবে।
জঙ্গিপুর মহকুমা হাসপাতালে প্রতিদিন কয়েকহাজার মানুষ স্বাস্থ্য পরিষেবা নেন। দুর্ঘটনা ও মারপিটের কারণে মাথায় আঘাত পাওয়া রোগী প্রায় প্রতিদিনই এই হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। এতদিন এই রোগীদের প্রয়োজনে বাইরে থেকে সিটি স্ক্যান করাতে হতো। জঙ্গিপুরে কয়েকটি হাতে গোনা বেসরকারি হাসপাতালে এই পরিষেবা মেলে। তার জন্য রোগীকে প্রায় দু’তিন হাজার টাকা খরচ করতে হয়। বিড়িশ্রমিক ও নির্মাণকর্মী অধ্যুষিত জঙ্গিপুরে অনেকের পক্ষেই একসঙ্গে এত টাকা খরচ করা কষ্টসাধ্য। এখন থেকে হাসপাতালেই ২৪ ঘণ্টা সিটি স্ক্যান পরিষেবা মিলবে।
সুপারস্পেশালিটি বিল্ডিংয়ের গ্রাউন্ড ফ্লোরেই সিটি স্ক্যান হবে। এই পরিষেবা পেতে রোগীকে সচিত্র পরিচয়পত্র যেমন আধার বা ভোটার কার্ড, স্বাস্থ্যসাথী কার্ড ও মোবাইল নম্বর সঙ্গে রাখতে হবে।
রঘুনাথগঞ্জের মহালদারপাড়ার বাসিন্দা বাবলু শেখ বলেন, ছেলে পড়ে গিয়ে মাথায় আঘাত পেয়েছে। ডাক্তারবাবু মাথার সিটি স্ক্যান করাতে বলেছেন। শুনেছি হাসপাতালে বিনামূল্যে এই পরিষেবা মিলবে। এতে খুবই সুবিধা হবে।
রোগীকল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান বলেন, সাধারণ মানুষের ধারণা, সরকারি হাসপাতালের যন্ত্র মানে অকেজো অবস্থায় পড়ে থাকবে। আমি নির্দেশ দিয়েছি, কোনও কর্মীর গাফিলতিতে এই পরিষেবা বন্ধ হলে সেই কর্মীর বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হবে।



